নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: আজব সিদ্ধান্ত! ধান উৎপাদনের তুলনায় সংগ্রহের টার্গেট বেশি! এজন্য শিলিগুড়িতে সহায়ক মূল্যে ধান খরিদে নেমে চিন্তায় পড়েছে প্রশাসনের একাংশ। অন্যদিকে, ভাগ চাষির বেশে ধান বিক্রির তালিকায় ফড়েরা ঢোকার চেষ্টা করছে বলে আশঙ্কা। ইতিমধ্যে বেশ কিছু আবেদন বাতিল করেছে প্রশাসন। সমগ্র পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন পড়েছে।
Advertisement
নগরায়ণের প্রভাবে শিলিগুড়ি মহকুমায় ধান চাষের জমি অনেকটাই কমেছে। কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, এবার মহকুমার মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি ও ফাঁসিদেওয়া এই চারটি ব্লকে আমন ধানের চাষ হয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৮৯০হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে ফাঁসিদেওয়া ও খড়িবাড়িতেই চাষের জমির পরিমাণ বেশি। সংশ্লিষ্ট ওই জমিতে ধান উৎপাদন হতে পারে ৯৬হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু, এবার এখানে সহায়কমূল্যে ধান সংগ্রহের টার্গেট ১লক্ষ ১৫ হাজার মেট্রিক টন। অর্থাৎ, উৎপাদনের তুলনায় টার্গেট প্রায় ১৯ হাজার মেট্রিকটন বেশি।
এই অবস্থায় ধান কিনতে নেমে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর সহ প্রশাসনের একাংশ। প্রশাসন সূত্রের খবর, গত ২নভেম্বর থেকে ২৩শো টাকা কুইন্টাল সহায়কমূল্যে ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে। এজন্য সাতটি সিপিসি খোলা হয়েছে। নামানো হয়েছে তিনটি মোবাইল ভ্যান। এখন পর্যন্ত এখানে ধান সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ২২হাজার মেট্রিক টন। যা প্রায় ৫হাজার কৃষকের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রশাসনের একাংশ বলেন, উৎপাদনের থেকে সংগ্রহের টার্গেট বেশি। যারজেরে গত বছরও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। এবারও হবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। জেলার খাদ্য নিয়ামক বিশ্বজিৎ বিশ্বাস অবশ্য বলেন, ধান সংগ্রহের গতি স্বাভাবিক রয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য সবরকম চেষ্টা হচ্ছে। এবার টার্গেট পূরণ হবে বলেই আশা করছি।
এদিকে, সহায়মূল্যে ধান বিক্রি নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ফড়েরা। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মহকুমায় কৃষকবন্ধুর সংখ্যা প্রায় ২২ হাজার ৪৭২জন। এঁরা সহজেই সহায়কমূল্যে ধান বিক্রি করতে পারবেন। এরবাইরে ভাগ চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনা হবে। এজন্য ভাগ চাষিদের জমির নথি, আধারকার্ড, ভোটারকার্ড দিয়ে নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হবে। ইতিমধ্যে এমন আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ৭হাজারটি। তা কৃষি দপ্তর, খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর এবং ব্লক প্রশাসনের নিয়োগ করা অফিসাররা খতিয়ে দেখছেন। প্রশাসনের কর্তাদের একাংশের সন্দেহ, ভাগ চাষির বেশে ভুয়ো তথ্য দিয়ে ধান বিক্রি করার চেষ্টা করছে অনেকে। যারা গ্রামে ফঁড়ে হিসেবে পরিচিত।
মহকুমার ফাঁসিদেওয়া ব্লকে বেশি ধান উৎপাদন হয়। প্রশাসন সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট ব্লকে কৃষকবন্ধুর সংখ্যা প্রায় ৯ হাজার জন। এরবাইরে ভাগ চাষি হিসেবে আবেদন করেন প্রায় ৪৬৭জন। যারমধ্যে শতাধিক আবেদন বাতিল হয়েছে। বিডিও বিপ্লব বিশ্বাস বলেন, ভাগ চাষিদের আবেদনগুলি খতিয়ে দেখে কিছু আবেদন বাতিল করা হয়েছে। ধান সংগ্রহ সুষ্ঠুমতো চলছে।
এই অবস্থায় ধান কিনতে নেমে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর সহ প্রশাসনের একাংশ। প্রশাসন সূত্রের খবর, গত ২নভেম্বর থেকে ২৩শো টাকা কুইন্টাল সহায়কমূল্যে ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে। এজন্য সাতটি সিপিসি খোলা হয়েছে। নামানো হয়েছে তিনটি মোবাইল ভ্যান। এখন পর্যন্ত এখানে ধান সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ২২হাজার মেট্রিক টন। যা প্রায় ৫হাজার কৃষকের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রশাসনের একাংশ বলেন, উৎপাদনের থেকে সংগ্রহের টার্গেট বেশি। যারজেরে গত বছরও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। এবারও হবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। জেলার খাদ্য নিয়ামক বিশ্বজিৎ বিশ্বাস অবশ্য বলেন, ধান সংগ্রহের গতি স্বাভাবিক রয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য সবরকম চেষ্টা হচ্ছে। এবার টার্গেট পূরণ হবে বলেই আশা করছি।
এদিকে, সহায়মূল্যে ধান বিক্রি নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ফড়েরা। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মহকুমায় কৃষকবন্ধুর সংখ্যা প্রায় ২২ হাজার ৪৭২জন। এঁরা সহজেই সহায়কমূল্যে ধান বিক্রি করতে পারবেন। এরবাইরে ভাগ চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনা হবে। এজন্য ভাগ চাষিদের জমির নথি, আধারকার্ড, ভোটারকার্ড দিয়ে নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হবে। ইতিমধ্যে এমন আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ৭হাজারটি। তা কৃষি দপ্তর, খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর এবং ব্লক প্রশাসনের নিয়োগ করা অফিসাররা খতিয়ে দেখছেন। প্রশাসনের কর্তাদের একাংশের সন্দেহ, ভাগ চাষির বেশে ভুয়ো তথ্য দিয়ে ধান বিক্রি করার চেষ্টা করছে অনেকে। যারা গ্রামে ফঁড়ে হিসেবে পরিচিত।
মহকুমার ফাঁসিদেওয়া ব্লকে বেশি ধান উৎপাদন হয়। প্রশাসন সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট ব্লকে কৃষকবন্ধুর সংখ্যা প্রায় ৯ হাজার জন। এরবাইরে ভাগ চাষি হিসেবে আবেদন করেন প্রায় ৪৬৭জন। যারমধ্যে শতাধিক আবেদন বাতিল হয়েছে। বিডিও বিপ্লব বিশ্বাস বলেন, ভাগ চাষিদের আবেদনগুলি খতিয়ে দেখে কিছু আবেদন বাতিল করা হয়েছে। ধান সংগ্রহ সুষ্ঠুমতো চলছে।



