সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: রবিবার গভীর রাতে গাজোলের আলাল গ্রাম পঞ্চায়েতের লেলিননগর গ্রামে এক কৃষকের গুদাম সহ কয়েকটি ঘর আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। ঘটনায় ওই কৃষকের দু’টি গোরু, দু’টি ছাগল অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গিয়েছে। বাইক সহ পাট, ভুট্টা সহ বেশকিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা পাঁচটি সাব মার্সিবলের সাহায্যে দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ওই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের অভিযোগ, দমকলকে ফোন করে জানানো হলেও তারা আসেনি। তারা এলে কম ক্ষতি হতো।
Advertisement
সোমবার সকালে ওই কৃষকের পুড়ে যাওয়া বাড়ি দেখতে যান গাজোলের বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন। তিনি সহ গ্রামবাসীরা গাজোলে দমকল কেন্দ্র স্থাপনের দাবিতে সরব হয়েছেন। তিনি বলেন, গাজোলে দমকল কেন্দ্র স্থাপন খুবই দরকার। জেলা সদর থেকে দমকলের ইঞ্জিন আসতে অনেকটা সময় লেগে যায়। আগে অনেক মানুষের ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসনের দেখা উচিত। আমি এনিয়ে বিধানসভায় একাধিক বার দমকল মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। হয়ে যাবে বলে মন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। দমকল কেন্দ্রটি হলে মানুষ উপকৃত হবে।
রাতে লেলিননগরে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেওয়া গৃহবধূ মঞ্জু বিশ্বাস বলেন, রবিবার মাঝরাতে কোলাহল শুনে জেগে উঠে ঘটনাস্থলে যাই। কীভাবে আগুন ধরল তা বোঝা যায়নি। আমি যখন ঘটনাস্থলে যাই তখন গুদাম ঘর পুড়ছিল। আমরা জল দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি। কিন্তু অনেক সময় লেগে যায়। এই সময়ে আরও অনেক কিছু পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বলরাম বিশ্বাস বলেন, কাজের সময় দমকলকে পেলাম না। দমকলকে গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে ফোন করা হয়েছিল। তারা ঘটনাস্থলে এলে এত ক্ষতি হতো না। আগুন নেভাতে ভোর হয়ে যায়। কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দমকলের মালদহের এক আধিকারিক বলেন, রবিবার রাতে আগুন সংক্রান্ত বিষয়ে ফোন আমরা পাইনি। গাজোলে দমকলের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দেখছে। গাজোল থানার পুলিস জানিয়েছে, ছাই থেকে আগুন লাগতে পারে। ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাতে লেলিননগরে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেওয়া গৃহবধূ মঞ্জু বিশ্বাস বলেন, রবিবার মাঝরাতে কোলাহল শুনে জেগে উঠে ঘটনাস্থলে যাই। কীভাবে আগুন ধরল তা বোঝা যায়নি। আমি যখন ঘটনাস্থলে যাই তখন গুদাম ঘর পুড়ছিল। আমরা জল দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি। কিন্তু অনেক সময় লেগে যায়। এই সময়ে আরও অনেক কিছু পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বলরাম বিশ্বাস বলেন, কাজের সময় দমকলকে পেলাম না। দমকলকে গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে ফোন করা হয়েছিল। তারা ঘটনাস্থলে এলে এত ক্ষতি হতো না। আগুন নেভাতে ভোর হয়ে যায়। কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দমকলের মালদহের এক আধিকারিক বলেন, রবিবার রাতে আগুন সংক্রান্ত বিষয়ে ফোন আমরা পাইনি। গাজোলে দমকলের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দেখছে। গাজোল থানার পুলিস জানিয়েছে, ছাই থেকে আগুন লাগতে পারে। ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



