সংবাদদাতা, কান্দি: চারদিনের কুমিরের নাস্তানুবাদ শেষ হল রবিবার সকালে। ভরতপুর ১ ব্লকের বাবলা নদীতে আসা ওই কুমিরকে স্থানীয় বাসিন্দারাই বন্দি করলেন। ধরে রাখলেন স্থানীয় হরিনগর গ্রামেরই একটি পুকুরে। পরে বিকেলের দিকে সেখানে বন দপ্তরের কর্মিরা পৌঁছে কুমিরটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
প্রসঙ্গত, বুধবার বিকেলেই ওই নদীতে কুমিরের দেখা মেলে। এরপর এলাকায় আতঙ্কের সঙ্গে শোরগোল পড়ে যায়। শুক্রবার বন দপ্তরের কর্মিরা নদীতে তল্লাসি চালিয়েও কুমিরটিকে ধরতে পারেনি। যদিও শুক্রবার সেখানে বন দপ্তরের কর্মিদের দেখা যায়নি। তবে কুমির দেখা দেওয়ার পর থেকেই ভরতপুর থানার পুলিস এলাকায় পাহারা দিতে থাকে। বাসিন্দাদের নদীতে নামতে বাধা দেয় ও সতর্কও করতে থাকে।
এরপর এদিন সকালে কুমিরটিকে নদী থেকে ডাঙায় উঠে রোদ পোহাতে দেখা যায়। সেই সময় কয়েকজন সাহসি যুবক কুমিরটিকে জাল দিয়ে ধরে ফেলেন। পরে গ্রামের একটি পুকুরে কুমিরটিকে রাখা হয়। স্থানীয় যুবক সাহিরুল শেখ বলেন, বন দপ্তরের কর্মিরা বুঝিয়ে দিয়ে গিয়েছিলেন কিভাবে কুমির ধরতে হয়। এদিন সেইভাবেই আমরা কুমিরটিকে ধরে ফেলি। এবিষয়ে বন দপ্তরের কান্দি রেঞ্জ অফিসার অমলেন্দু বিশ্বাস বলেন, কুমিরটি সুস্থ রয়েছে।