Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কমিশন-পুলিশের নজরে ভাঙড়, মোতায়েন হল সর্বাধিক কেন্দ্রীয় বাহিনী

নজরে ভাঙড়। জেলার মধ্যে সব থেকে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হয়েছে এখানেই। সোমবার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক কমান্ডান্ট।

কমিশন-পুলিশের নজরে ভাঙড়, মোতায়েন হল সর্বাধিক কেন্দ্রীয় বাহিনী
  • ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নজরে ভাঙড়। জেলার মধ্যে সব থেকে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হয়েছে এখানেই। সোমবার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক কমান্ডান্ট। তিনি বলেন, এই কেন্দ্রে এখন ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। তবে আগামী দিনে ভাঙড়ে আরও কয়েক কোম্পানি আসতে পারে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত, জেলার অন্যান্য বিধানসভা কেন্দ্রে কোথাও পাঁচ, কোথাও সাত কোম্পানি করে বাহিনী মোতায়েন আছে। ভাঙড়ে যেহেতু গোলমালের পূর্ব ইতিহাস আছে এবং এখনও ইতিউতি ঝামেলা হচ্ছে, তাই নির্বাচন কমিশন কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ। সেকারণেই এখানে সব থেকে বেশি বাহিনী রাখা হয়েছে।

Advertisement

২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বোমা-গুলি উদ্ধারের পাশাপাশি রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটেছিল। সেই ঝামেলা নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে ভাঙড়ে। রাজনৈতিক হিংসায় খুন হয়েছিলেন চারজন। তাই অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে যাতে তেমন কোনো ঘটনা, রক্তপাত বা ভোটারদের বাধা দেওয়ার মতো ঘটনা না ঘটে, তার জন্যই বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে এখানে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সমন্বয়কারী অফিসার মনোজ কুমার বলেন, এই বিধানসভা এলাকায় রাতের দিকে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। সকাল-বিকাল নিয়ম করে বুথগুলিতে টহল দিচ্ছে বাহিনী। কিন্তু যেহেতু অতীতে ভোট পর্বে বা অন্যান্য সময় এখানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, তার জন্যই বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এখানে। আপাতত জেলায় এখন দেড়শো কোম্পানির বেশি বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। তার মধ্যে সর্বাধিক রয়েছে বারুইপুর পুলিশ জেলায়।
এদিকে, এদিন সাংবাদিক বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক অভিষেককুমার তিওয়ারি বলেন, জেলায় আপাতত সংবেদনশীল বুথের সংখ্যা ৭৬২ এবং স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ৯০০’র উপর। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে বিভিন্ন বাহিনীর পদস্থ কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রত্যেকেই বলেন, বিভিন্ন এলাকায় মানুষের ভয়ভীতি কাটাতে টহল দেওয়া হচ্ছে এবং তাঁদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কাজ চলছে। জওয়ানদের দেখে এলাকার মানুষ খুশি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ