Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের পর বাজারে ভাগীরথীর পাউরুটি

রাজ্য সরকারের সর্ববৃহৎ দুগ্ধ উৎপাদন ইউনিয়ন ভাগীরথী মিল্ক এবার পাউরুটি উৎপাদন শুরু করল। বহরমপুরের পঞ্চাননতলায় অবস্থিত মিল্ক ইউনিয়ন মঙ্গলবার থেকে পাউরুটি তৈরি করে তা বাজারজাত করছে।

দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের পর বাজারে ভাগীরথীর পাউরুটি
  • ২ জুলাই, ২০২৫ ১৫:০৭
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: রাজ্য সরকারের সর্ববৃহৎ দুগ্ধ উৎপাদন ইউনিয়ন ভাগীরথী মিল্ক এবার পাউরুটি উৎপাদন শুরু করল। বহরমপুরের পঞ্চাননতলায় অবস্থিত মিল্ক ইউনিয়ন মঙ্গলবার থেকে পাউরুটি তৈরি করে তা বাজারজাত করছে। বাজার চলতি বিভিন্ন কোম্পানির পাউরুটি থেকে কম দামে এই রুটি পাবেন সাধারণ মানুষ। প্রাথমিকভাবে মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও নদীয়া জেলায় এই পাউরুটির সরবরাহ করবে ভাগীরথী। এছাড়া ঝাড়খণ্ডেরও বেশকিছু এলাকায় পাউরুটি পাওয়া যাবে। এদিন পাউরুটি ব্র্যান্ডের উদ্বোধন করেন জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও ভূমি সংস্কার) পি প্রমথ প্রমুখ, ভাগীরথী মিল্ক ইউনিয়নের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিজয় অধিকারী। 

Advertisement

জেলাশাসক বলেন, ভাগীরথী মিল্ক ইউনিয়ন এই জেলার তথা এরাজ্যের সব থেকে বড় মিল্ক ইউনিয়ন। দৈনিক ১ লক্ষ ২০ হাজার লিটার থেকে ১ লক্ষ ৪০ হাজার লিটার পর্যন্ত দুধ বাজারজাত করে। দীর্ঘদিন থেকে আমাদের চেষ্টা ছিল ভাগীরথীর প্রোডাক্ট লাইন আরও বাড়ানো। তিন চার রকমের দুধ বিক্রি হয়। এছাড়াও আমরা পনির, দই, লস্যি বাজারজাত করেছি। দুগ্ধজাত পণ্যের পাশাপাশি এবার আমরা বেকারি পণ্য বাজারে আনছি। এক পাউন্ড এবং হাফ পাউন্ড স্লাইস পাউরুটি বাজারে আনা হল। ঝাড়খণ্ড রাজ্যের পাশাপাশি এরাজ্যের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া এবং বীরভূম এই চারটি জেলায় ভাগীরথীর তৈরি পাউরুটি পাওয়া যাবে। বুধবার থেকেই এই পাউরুটি সাধারণ মানুষ কিনতে পারবেন।  তিনি আরও বলেন, আমরা এই পাউরুটির গুণগত মান যাতে ভালো থাকে সেদিকে নজর রাখব। অত্যন্ত হাইজেনিক ভাবে আমরা বাজারজাত করব। আর তা চলতি পাউরুটি থেকে অনেক কম দামে বিক্রি করব। প্রাথমিকভাবে ২০ হাজার পিস করে পাউরুটি বাজারে যাবে। এরপর যেরকম যেরকম চাহিদা থাকবে, সেরকম উৎপাদন করা হবে। প্রোডাকশন আগামীতে বাড়বে বলেই আমরা আশাবাদী।  ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলেন, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য বাজারজাত করে গত বছর আমরা লাভবান হয়েছি। এবার পাউরুটি। আগামিকাল থেকে বাজারজাত করা হবে। বাজারে এক পাউন্ডের দাম ৩৮ টাকা। এখানে আমরা ৩৫ টাকায় বিক্রি করব। হাফ পাউন্ডের দাম হবে ১৮ টাকা। দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের সঙ্গে পাউরুটি পৌঁছে দেওয়া যাবে। পাঁচদিন ধরে এই পাউরুটি খাওয়া যাবে। দৈনিক ২০ হাজার পিস তৈরি হবে। ধুলিয়ানে একটি কারখানায় এটি প্রস্তুত করা হবে। তারপর সেটা গোটা জেলায় ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ