নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: একজনের নথি ব্যবহার করে অন্যজনকে সিমকার্ড বিক্রির ঘটনায় পূর্ব মেদিনীপুরে ১৫টি এফআইআর দায়ের করল পুলিস। চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ১৭ফেব্রুয়ারি এই জেলায় ভুয়ো সিম বিক্রির ২৪৭টি পয়েন্ট অব সেল(পিওএস) চিহ্নিত করে তার তালিকা পাঠিয়েছিলেন এডিজি(সাইবার)। তারপর পূর্ব মেদিনীপুরের সাইবার সেলের নোডাল অফিসার ডিএসপি(ডিইবি) শান্তব্রত চন্দ ১৮ফেব্রুয়ারি সবকটি থানাকে ওই তালিকা পাঠিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। তারপরই পুলিস তমলুক, পাঁশকুড়া, কোলাঘাট, এগরা সহ বিভিন্ন থানা এলাকায় ভুয়ো সিমকার্ড বিক্রির দোকানে হানা দেয়। পুলিসি অভিযানের পর সুয়োমোটো মামলা করে তদন্ত শুরু করেছে। ডিএসপি (ডিইবি) বলেন, জেলায় মোট ২৪৭টি সিম বিক্রির পয়েন্টের তালিকা এসেছে। ওইসব পয়েন্ট থেকে ভুয়ো সিমকার্ড বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রায় সবকটি থানায় এনিয়ে এফআইআর হয়েছে। চারজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।
Advertisement
গত ২০ ফেব্রুয়ারি কোলাঘাট থানার কাকডিহি গ্রামের এক ভুয়ো সিমকার্ড বিক্রেতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে পুলিস। একজনের নামে সিমকার্ড রেজিস্ট্রেশনের পর ওই দোকান থেকে সেই সিম অন্যকে বিক্রি করার ঘটনা ঘটেছে। সেই ভুয়ো সিমকার্ড সাইবার প্রতারণার কাজে ব্যবহার হচ্ছে। সাইবার প্রতারণার পর প্রতারিত ব্যক্তি ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টাল(এনসিআরপি)এ অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর কাকডিহির ওই সিমকার্ড বিক্রেতার নাম সামনে আসে। একইভাবে এগরা থানার দোবান্ধী বাসস্টপ এলাকার একটি মোবাইল সিমকার্ড বিক্রেতার বিরুদ্ধেও অভিযোগ এসেছে। রাজ্য পুলিসের শীর্ষস্তর থেকে পাঠানো ২৪৭জনের তালিকায় ওই সিমকার্ড বিক্রেতার নাম রয়েছে। পুলিস ওই সিমকার্ড বিক্রেতার বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে। পাঁশকুড়া থানার প্রতাপপুরে রায়বাঁধ এলাকায় এক সিমকার্ড বিক্রেতার নাম ওই তালিকায় রয়েছে। ২০তারিখ ওই থানার পুলিসের একটি টিম সেই দোকানে হানা দেয়। পুলিস মানিকলাল সামন্ত নামে ওই দোকানদারের বিরুদ্ধে সুয়োমোটো মামলা রুজু করেছে।
জানা গিয়েছে, পটাশপুর থানার অমর্ষি ও আড়গোয়াল, মহিষাদল থানার রঙ্গীবসান ও লক্ষ্যা, কাঁথির বসন্তিয়া ও ভবানীচক, মন্দারমণি কোস্টাল থানার অধীন কালিন্দী, চণ্ডীপুর থানার মুরাদপুর, ভূপতিনগর থানার জুখিয়া বাজার, কোলাঘাটের দেড়িয়াচক, নন্দীগ্রাম থানার নন্দীগ্রাম বাজার, এগরা থানার বালিঘাই এলাকা থেকে ভুয়ো সিমকার্ড বিক্রির ঘটনা ঘটেছে। ওইসব এলাকার সিমকার্ড বিক্রির দোকানের নাম উল্লেখ করে সেখানে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রায় প্রতিটি থানাকে এনিয়ে চিঠি পাঠানোর পরই পুলিস অভিযান শুরু করেছে। সুয়োমোটো মামলা দায়ের করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, একজনের ছবি ও নথি ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন হওয়া সিমকার্ড হাতবদল হচ্ছে। সেইসব সিম সাইবার প্রতারণার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিভিন্ন সাইবার প্রতারণার ঘটনার তদন্তে নেমে রাজ্যে এরকম প্রচুর সিম বিক্রির পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এরকম ২৪৭টি পয়েন্ট অব সেল(পিওএস) চিহ্নিত করে তার তালিকা পাঠিয়েছেন এডিজি(সাইবার)। সেই তালিকা ধরে এখন অভিযান চলছে। পাশাপাশি ওইসব ভুয়ো সিম নিষ্ক্রিয় করার কাজও চলছে। ভবিষ্যতে এধরনের সিম থেকে যাতে সাইবার প্রতারণা না হয়, সেজন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, পটাশপুর থানার অমর্ষি ও আড়গোয়াল, মহিষাদল থানার রঙ্গীবসান ও লক্ষ্যা, কাঁথির বসন্তিয়া ও ভবানীচক, মন্দারমণি কোস্টাল থানার অধীন কালিন্দী, চণ্ডীপুর থানার মুরাদপুর, ভূপতিনগর থানার জুখিয়া বাজার, কোলাঘাটের দেড়িয়াচক, নন্দীগ্রাম থানার নন্দীগ্রাম বাজার, এগরা থানার বালিঘাই এলাকা থেকে ভুয়ো সিমকার্ড বিক্রির ঘটনা ঘটেছে। ওইসব এলাকার সিমকার্ড বিক্রির দোকানের নাম উল্লেখ করে সেখানে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রায় প্রতিটি থানাকে এনিয়ে চিঠি পাঠানোর পরই পুলিস অভিযান শুরু করেছে। সুয়োমোটো মামলা দায়ের করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, একজনের ছবি ও নথি ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন হওয়া সিমকার্ড হাতবদল হচ্ছে। সেইসব সিম সাইবার প্রতারণার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিভিন্ন সাইবার প্রতারণার ঘটনার তদন্তে নেমে রাজ্যে এরকম প্রচুর সিম বিক্রির পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এরকম ২৪৭টি পয়েন্ট অব সেল(পিওএস) চিহ্নিত করে তার তালিকা পাঠিয়েছেন এডিজি(সাইবার)। সেই তালিকা ধরে এখন অভিযান চলছে। পাশাপাশি ওইসব ভুয়ো সিম নিষ্ক্রিয় করার কাজও চলছে। ভবিষ্যতে এধরনের সিম থেকে যাতে সাইবার প্রতারণা না হয়, সেজন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।



