নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: একার ক্ষমতায় আর কুলোতে পারছে না বৈষ্ণবের রেল! ফলে ভিড় নিয়ন্ত্রণে এবার সাময়িকভাবে ‘আউটসোর্সিং’য়ের চিন্তাভাবনা শুরু করেছে রেল বোর্ড। মন্ত্রকের এহেন পরিকল্পনাকে একপ্রকার নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
Advertisement
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি নিউদিল্লি স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে ১৮ জনের মৃত্যুর পরে যাত্রী নিরাপত্তায় রেলের সার্বিক ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যার পরে ভিড় সামাল দিতে দেশের ৬০টি স্টেশনে স্থায়ী ‘হোল্ডিং এরিয়া’ তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল বোর্ড। শুরু হয়েছে সেই প্রক্রিয়া। তবে, কুম্ভের ভিড় সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে জেনারেল ক্লাসের যাত্রীদের জন্য অস্থায়ী প্রতীক্ষালয় তৈরির ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছে রেলমন্ত্রক। নিউদিল্লি সহ একাধিক স্টেশনে তৈরি হয়েছে অস্থায়ী ‘হোল্ডিং এরিয়া’। রবিবার রাতে নিউদিল্লি স্টেশনে গিয়ে গোটা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও। জানা গিয়েছে, অস্থায়ী এইসব ‘হোল্ডিং এরিয়া’য় কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের স্থান হবে। আর তারপরেই রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে রেলমন্ত্রকের কর্তাদের। এতো মানুষকে সামলাবে কে? আপাতত এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে নয়াদিল্লির রেলভবনের অন্দরে। এরই সাময়িক সমাধান হিসেবে ‘আউটসোর্সিং’য়ের পরিকল্পনা করছে মন্ত্রক। সূত্রের খবর, এক্ষেত্রে প্রধানত ‘হোল্ডিং এরিয়া’র জন্যই বেসরকারি সংস্থার নিরাপত্তাকর্মীদের ভাড়া করা হবে।
আরপিএফের নজরদারি তো থাকবেই। কিন্তু তাঁদের মূলত ব্যবহার করা হবে প্ল্যাটফর্ম এবং ট্রেনের যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। কিছু জওয়ান স্টেশন চত্বর, হোল্ডিং এরিয়ার দায়িত্বে অবশ্য থাকবেন। যদিও এই ব্যাপারে রেলের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে কোনওরকম মন্তব্য করা হয়নি। যদিও মন্ত্রকের এহেন পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যেই রেল বিশেষজ্ঞ মহলে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, হাজার হাজার রেল যাত্রীর ভিড় কি আদৌ ‘প্রশিক্ষণহীন’ নিরাপত্তাকর্মীদের পক্ষে সামলানো সম্ভব? মন্ত্রক রেল যাত্রীদের আরও বড় বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে না তো?
আরপিএফের নজরদারি তো থাকবেই। কিন্তু তাঁদের মূলত ব্যবহার করা হবে প্ল্যাটফর্ম এবং ট্রেনের যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। কিছু জওয়ান স্টেশন চত্বর, হোল্ডিং এরিয়ার দায়িত্বে অবশ্য থাকবেন। যদিও এই ব্যাপারে রেলের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে কোনওরকম মন্তব্য করা হয়নি। যদিও মন্ত্রকের এহেন পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যেই রেল বিশেষজ্ঞ মহলে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, হাজার হাজার রেল যাত্রীর ভিড় কি আদৌ ‘প্রশিক্ষণহীন’ নিরাপত্তাকর্মীদের পক্ষে সামলানো সম্ভব? মন্ত্রক রেল যাত্রীদের আরও বড় বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে না তো?



