নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ ও সংবাদদাতা, চোপড়া: কুচক্রীদের যেমন ছলের অভাব হয় না, তেমনই প্রতারণার নিত্যনতুন পন্থারও অভাব ছিল না ট্যাব অনিয়মে যুক্ত সাইবার অপরাধীদের। তাই ট্যাব কাণ্ডের তদন্ত যত গতি পাচ্ছে, ততই অপরাধের ‘নয়া স্টাইল’ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে তদন্তকারীদের। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে খবর, ভুয়ো নোডাল অফিসার পরিচয় দিয়ে এক একটি স্কুলের শিক্ষককে ফোনে বোকা বানিয়ে পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিত চোপড়া থেকে ধৃত প্রতারকরা।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে খবর, মাঝেমধ্যেই বয়সে প্রবীণ শিক্ষকরা এই নয়া চাতুরির শিকার হয়ে যেতেন। না বুঝে ছদ্মবেশী নোডাল অফিসারকে ফোনে বলে দিতেন সরকারি শিক্ষা পোর্টালের পাসওয়ার্ড। আর সেই পাসওয়ার্ডকে হাতিয়ার করেই অনলাইন মাধ্যমে সরকারি শিক্ষা পোর্টালের অ্যাকসেস পেত প্রতারকরা।
পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে চক্রটি সরকারি পোর্টালে নথিভুক্ত থাকা পড়ুয়াদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর বদলে দিত ভাড়ায় নেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে। পরে অনলাইনে সরকারিভাবে তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পের টাকা ছাড়া শুরু হলেই, অন্যান্যদের মতো ভাড়া নেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও ট্যাবের টাকা ঢুকতো সহজেই। আর সেই টাকার ৫০ শতাংশ মুহূর্তের মধ্যে হাতিয়ে নিতো সাইবার প্রতারকরা। বাকিটা পেত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়ায় দেওয়া কিছু মানুষ।
পুলিস সূত্রে আরও খবর, শুধুমাত্র পরিচয় ভাঁড়িয়ে ফোন করে পাসওয়ার্ড হাতানোই নয়। অনেক সময় সংশ্লিষ্ট স্কুলের নাম, তার প্রতিষ্ঠা দিবস দিয়ে একটি সহজ পাসওয়ার্ড আন্দাজ মতো বসিয়েও শিক্ষা পোর্টালে ঢুকতো মাস্টারমাইন্ডরা।
জানা গিয়েছে, শিক্ষাদপ্তর থেকে শিক্ষা পোর্টাল ব্যবহারের জন্য যে পাসওয়ার্ড দেওয়া হয় সেই পাসওয়ার্ড যাতে শিক্ষকদের মনে থাকে এমনভাবে সেট করা হতো। এরও ভরপুর সুবিধা প্রতারকরা নিয়েছে। একইভাবে পোর্টালে নথিভুক্ত থাকা তথ্য তারা অনলাইনে দেখতে পেত এবং তথ্য বদলে দেওয়ার সুযোগ পেত। আবার একাংশ অসাধু সরকারি কর্মীরও পাসওয়ার্ড লিক করার সম্ভাবনাও পুলিস খতিয়ে দেখছে।
তদন্তে পুলিসের চিন্তার আরও একটি কারণ উঠে আসছে। এখনও পর্যন্ত ট্যাব কাণ্ডে কেলেঙ্কারিতে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থেকে ছ’জন গ্রেপ্তার হয়েছে। এরমধ্যে কলকাতা পুলিস দু’জনকে পাকড়াও করে নিয়ে গিয়েছে। বাকি চার জনকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিস নিয়ে যাচ্ছে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষভাবে সাইবার প্রতারণার সঙ্গে ওতপ্রোতোভাবে জড়িত। কিন্তু এদের বেশিরভাগই থাকে চোপড়ার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রামাঞ্চলে। কাঁটাতার সংলগ্ন সেই এলাকা সাধারণত শ্যাডো জোন হিসেবে সকলে জানে। অর্থাৎ ওই অঞ্চলে কোনও মোবাইল ফোনের টাওয়ার কাজ করে না। ইন্টারনেটও নেই। কিন্তু তারপরও ধৃত সাদ্দিক, মোবারক, আশিরুলরা কীভাবে মানুষকে ফোন করে বোকা বানাত? কোন এলাকায় বসে এক বা একাধিক জনকে সঙ্গে নিয়ে কার্যত অবৈধ কলসেন্টার চালাত? এর উত্তর জানতে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালাচ্ছে পুলিস।
পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে চক্রটি সরকারি পোর্টালে নথিভুক্ত থাকা পড়ুয়াদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর বদলে দিত ভাড়ায় নেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে। পরে অনলাইনে সরকারিভাবে তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পের টাকা ছাড়া শুরু হলেই, অন্যান্যদের মতো ভাড়া নেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও ট্যাবের টাকা ঢুকতো সহজেই। আর সেই টাকার ৫০ শতাংশ মুহূর্তের মধ্যে হাতিয়ে নিতো সাইবার প্রতারকরা। বাকিটা পেত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়ায় দেওয়া কিছু মানুষ।
পুলিস সূত্রে আরও খবর, শুধুমাত্র পরিচয় ভাঁড়িয়ে ফোন করে পাসওয়ার্ড হাতানোই নয়। অনেক সময় সংশ্লিষ্ট স্কুলের নাম, তার প্রতিষ্ঠা দিবস দিয়ে একটি সহজ পাসওয়ার্ড আন্দাজ মতো বসিয়েও শিক্ষা পোর্টালে ঢুকতো মাস্টারমাইন্ডরা।
জানা গিয়েছে, শিক্ষাদপ্তর থেকে শিক্ষা পোর্টাল ব্যবহারের জন্য যে পাসওয়ার্ড দেওয়া হয় সেই পাসওয়ার্ড যাতে শিক্ষকদের মনে থাকে এমনভাবে সেট করা হতো। এরও ভরপুর সুবিধা প্রতারকরা নিয়েছে। একইভাবে পোর্টালে নথিভুক্ত থাকা তথ্য তারা অনলাইনে দেখতে পেত এবং তথ্য বদলে দেওয়ার সুযোগ পেত। আবার একাংশ অসাধু সরকারি কর্মীরও পাসওয়ার্ড লিক করার সম্ভাবনাও পুলিস খতিয়ে দেখছে।
তদন্তে পুলিসের চিন্তার আরও একটি কারণ উঠে আসছে। এখনও পর্যন্ত ট্যাব কাণ্ডে কেলেঙ্কারিতে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থেকে ছ’জন গ্রেপ্তার হয়েছে। এরমধ্যে কলকাতা পুলিস দু’জনকে পাকড়াও করে নিয়ে গিয়েছে। বাকি চার জনকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিস নিয়ে যাচ্ছে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষভাবে সাইবার প্রতারণার সঙ্গে ওতপ্রোতোভাবে জড়িত। কিন্তু এদের বেশিরভাগই থাকে চোপড়ার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রামাঞ্চলে। কাঁটাতার সংলগ্ন সেই এলাকা সাধারণত শ্যাডো জোন হিসেবে সকলে জানে। অর্থাৎ ওই অঞ্চলে কোনও মোবাইল ফোনের টাওয়ার কাজ করে না। ইন্টারনেটও নেই। কিন্তু তারপরও ধৃত সাদ্দিক, মোবারক, আশিরুলরা কীভাবে মানুষকে ফোন করে বোকা বানাত? কোন এলাকায় বসে এক বা একাধিক জনকে সঙ্গে নিয়ে কার্যত অবৈধ কলসেন্টার চালাত? এর উত্তর জানতে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালাচ্ছে পুলিস।



