Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

ভুয়ো ভোটার: দলগুলির অভিযোগ মেটান, নির্দেশ রাজ্যের মুখ্য আধিকারিকদের

ভুয়ো ভোটার: দলগুলির অভিযোগ মেটান, নির্দেশ রাজ্যের মুখ্য আধিকারিকদের
  • ৫ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ডুপ্লিকেট এপিক নাম্বার ইস্যুতে তৃণমূল সরব হতেই সক্রিয় হল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের মঙ্গলবার দিল্লিতে এক সম্মেলনে ডাকা হয়েছিল। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে জ্ঞানেশ কুমার শপথ নেওয়ার পর নিজেদের মধ্যে পরিচয় তথা সুষ্ঠু নির্বাচন সংক্রান্ত আলোচনা করতেই এই সম্মেলন। সেখানে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। তাদের যা অভিযোগ তার নিষ্পত্তি করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের প্রতি কোনওভাবেই যেন পক্ষপাতিত্বের আঙুল না ওঠে। 
Advertisement
আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলির ইস্যুভিত্তিক অভিযোগ জেনে রিপোর্ট জমাও দিতে হবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ডেপুটি নির্বাচন কমিশনারদের কাছে ওই রিপোর্ট জমা করবেন বলেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও), জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) রা আলোচনার উদ্যোগ নেবেন। 
নির্বাচন কমিশন আমচকা সক্রিয় হয়ে নিজেদের নিরপেক্ষ প্রমাণে মরিয়া হলেও ডুপ্লিকেট এপিক নাম্বার ইস্যুতে তাদের সমালোচনায় সরব তৃণমূল। ইলেকশন কমিশন অব ইন্ডিয়াকে কটাক্ষ করে বলা হল, ‘এক্সট্রিমলি কম্প্রমাইজড ইনস্টিটিউশন।’ অর্থাৎ প্রবলভাবে আপস করা প্রতিষ্ঠান। আপস কার সঙ্গে? তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির সঙ্গে ষড়যন্ত্রে জড়িত কমিশন। নাহলে কী করে প্রতিষ্ঠান নিজেই গাইডলাইন লঙ্ঘন করতে পারে? 
রাজ্যসভার সদস্য সাকেত গোখলে মঙ্গলবার সকালে এক্স হ্যান্ডেলে প্রশ্ন তোলেন, কমিশনের নিজের গাইডলাইনই বলছে, তিন বর্ণ এবং সাত সংখ্যার এপিক নম্বার হবে ইউনিক। তিনটি বর্ণ প্রত্যেক বিধানসভার জন্য সম্পূর্ণ পৃথক  হওয়ার কথা, সেখানে কী করে তা ডুপ্লিকেট হতে পারে? এখন ভোটার তালিকায় থাকে ভোটারদের ছবিও। সেখানে যদি ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর দিয়ে বাংলার বাইরের ভোটারের ছবি ছাপা হয়, তাহলে তো পশ্চিমবঙ্গের প্রকৃত ভোটারদের একাংশ ভোটই দিতে পারবেন না। মানুষের ভোটাধিকারকেই নির্বাচন কমিশন প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে বলেই তৃণমূলের অভিযোগ। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ