Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভুয়ো আধারে ৭ বছর ভারতে লালগোলায় ধৃত বাংলাদেশি

ভুয়ো আধারে ৭ বছর ভারতে লালগোলায় ধৃত বাংলাদেশি
  • ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: ভুয়ো আধার কার্ড নিয়ে দীর্ঘ প্রায় সাত বছর মুর্শিাদাবাদ জেলার লালগোলায় বসবাস। টের পায়নি কাকপক্ষীও। অবশেষে লালগোলা থানার পুলিস রবিবার রাতে শওকত শেখ নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তার আসল বাড়ি বাংলাদেশের রাজশাহির গোদাগাড়ি থানার দিয়ার মানিকচকের জামাইপাড়ায়। সীমান্ত পেরেয়ি লালগোলার চাটাইডুবি এলাকার এক বাসিন্দার বাড়িতে ওঠে। ধৃতকে সোমবার লালবাগ মহাকুমা আদালতে তোলা হয়।  বিচারক সাতদিনের পুলিসি হেফাজতে পাঠিয়েছেন। হরিহরপাড়ায় জঙ্গিকাণ্ডের পর পরই এই ঘটনা তোলপাড় ফেলেছে।  
Advertisement
জানা গিয়েছে, শওকত এক পঞ্চায়েত সদস্যর সহযোগিতা নিয়ে থাকতে শুরু করে। তৈরি হয়ে যায় ভুয়ো আধার কার্ডও। পুলিসের অনুমান, জেলার বাইরে থেকে এই আধার বানানো হয়েছিল। কিন্তু কীভাবে? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় আর কেউ এভাবে লুকিয়ে রয়েছে কিনা, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিস।  জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার (লালবাগ) রাসপ্রীত সিং বলেন, ‘লালগোলা থেকে একজন বাংলাদেশিকে ধরা হয়েছে, তার কাছে একটি আধার কার্ড পাওয়া গিয়েছে। আমরা অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছি।’  তদন্তকারী এক অফিসার বলেন, ধৃতের সমস্ত নথি যাচাই শুরু করেছি।  পুলিস সূত্রে খবর, সাত বছর আগের ভারতীয় নাগরিকত্বের কোনও প্রামাণ্য নথি দেখাতে পারেনি শওকত। বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসার কথা স্বীকার করেছে। তার আশ্রদাতাদেরও জেরা করা হবে। লালগোলার কালমেঘা গ্রাম পঞ্চায়েতের সিপিএমের প্রধান সুপ্রিয়া দাস বলেন, ‘আমাদের এলাকায় এক  বাংলাদেশি ধরা পড়েছে বলে শুনেছি। লালগোলার তৃণমূল বিধায়ক মহম্মদ আলি বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় যারা ধরা পড়ছে, তারা কীভাবে ভোটার কার্ড কিংবা আধার কার্ড পাচ্ছে, সেটা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। কারা অনুপ্রবেশের সাহায্য করছে, সেই আধিকারিকদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়া দরকার।’ বিজেপির জেলা সভাপতি (জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা) ধনঞ্জয় ঘোষ বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে এসেই শাসকদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তারা জানে ভোট রাজনীতির জন্য অতি সহজেই ডকুমেন্ট তৈরি করে দেবে শাসকদল।’ সেই সঙ্গে সীমান্তে কড়া নজরদারিও দাবি তুলেছেন তিনি।
সম্পর্কিত সংবাদ