সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ি পুরসভার ১৮ ও ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সংযোগস্থলে বাগরাকোট লেভেল ক্রসিংয়ে উড়ালপুল বা আন্ডারপাস নয়, তৈরি হবে ফুটওভার ব্রিজ। শনিবার ফুটওভার ব্রিজ তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব।
Advertisement
প্রসঙ্গত, রাস্তাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশবন্ধুপাড়ার সঙ্গে সুভাষপল্লি, কোর্টমোড় এলাকায় সরাসরি যোগাযোগের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সমস্যা হচ্ছে। সেইসঙ্গে শহরের যানজট সমস্যা বেড়েছে। যোগাযোগের ক্ষেত্রে রেলপথের এই দুই পাড়ের মানুষকে অনেকটা ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। প্রায় ৩০ বছর আগে রাস্তাটি হওয়ায় শিলিগুড়ি শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে যানজটের চাপ অনেকটাই কমে গিয়েছিল। দু’পারের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থাও সহজ হয়েছিল। কিন্তু সেসময় এটি মিটার গেজ লাইন ছিল। দু-একটি ট্রেন চলাচল করতো সারাদিনে। পরবর্তীতে এই লাইন ব্রড গেজ হয়। ট্রেনের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি বৈদ্যুতিকিকরণ হয়। এর জন্য এখানকার রেললাইন রাস্তা থেকে অনেকটাই উঁচু করা হয়েছে। ফলে এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি, স্কুটার, বাইক চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রেলের তরফেও একাধিকবার এই রাস্তা বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্থানীয়দের প্রতিরোধে শুধুমাত্র সীমানা প্রাচীর করেই রেলকে পিছিয়ে আসতে হয়েছে। কিন্তু তাতে যানবাহন নিয়ে মানুষের সরাসরি যোগাযোগের পথ খোলেনি।
রেলের বক্তব্য, শিলিগুড়ি টাউন স্টেশনের কাছে এই লেভেল ক্রসিং রেলের অনুমতি ছাড়াই করা হয়েছিল। এধরনের লেভেল ক্রসিংয়ে রেল অনুমতি দেয় না। তবে শনিবার এর বিকল্প সমাধান হিসেবে ফুটওভার ব্রিজ তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনি বলেন, এখানে জলের যে স্তর রয়েছে তাতে আন্ডারপাস করলে জল ঢুকে যাবে। উড়ালপুল করতে গেলে বহু বসতিকে সরাতে হবে। এই দুই সমস্যা এড়িয়ে দু’পারের মানুষের হেঁটে যাতায়াতের জন্য আমরা পুরসভা থেকে ফুটওভার ব্রিজ তৈরি করব। এব্যাপারে রেলের সঙ্গে কথা হয়েছে। রেল অনুমতি দেবে বলে জানিয়েছে।
রেলের বক্তব্য, শিলিগুড়ি টাউন স্টেশনের কাছে এই লেভেল ক্রসিং রেলের অনুমতি ছাড়াই করা হয়েছিল। এধরনের লেভেল ক্রসিংয়ে রেল অনুমতি দেয় না। তবে শনিবার এর বিকল্প সমাধান হিসেবে ফুটওভার ব্রিজ তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনি বলেন, এখানে জলের যে স্তর রয়েছে তাতে আন্ডারপাস করলে জল ঢুকে যাবে। উড়ালপুল করতে গেলে বহু বসতিকে সরাতে হবে। এই দুই সমস্যা এড়িয়ে দু’পারের মানুষের হেঁটে যাতায়াতের জন্য আমরা পুরসভা থেকে ফুটওভার ব্রিজ তৈরি করব। এব্যাপারে রেলের সঙ্গে কথা হয়েছে। রেল অনুমতি দেবে বলে জানিয়েছে।



