নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: জিনাতকে নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে ঝাড়গ্রামে বেড়াতে আসা পর্যটকদের। তাঁরা জিনাতের বিচরণস্থলে ঘুরতে যেতে চাইছেন। শুধু চাইছেনই না, চলেও যাচ্ছেন। এতে বিপদে পড়েছেন স্থানীয় হোটেল ও রিসর্টের মালিকরা। কারণ, বনবিভাগ থেকে পর্যটকদের জঙ্গলে ঘোরাঘুরি করতে কঠোরভাবে নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। আর এই নিষেধাজ্ঞা পর্যটকদের জানিয়ে দেওয়ার ভার হোটেল, রিসর্ট ও হোম স্টের কর্তৃপক্ষের। কিন্তু নিষেধ করলে শুনছে কে! বাঘিনীর আসার খবর পর্যটকদের রোমাঞ্চ বাড়িয়ে দিয়েছে। তাঁদের জঙ্গলে না যাওয়া নিয়ে সচেতন করতে পর্যটন ব্যবসায়ীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
Advertisement
ঝাড়গ্রামের ডিএফও উমর ইমাম বলেন, বাঘিনী জিনাত পুরুলিয়ার দিকে চলে গিয়েছে। তবে আমরা কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছি না। পর্যটকদের বনবিভাগের নির্দেশাবলী মেনে চলতে বলা হচ্ছে। গভীর জঙ্গল এলাকা এড়িয়ে চলতে বলা হচ্ছে।
বেলপাহাড়ীর পাদদেশ ছেড়েছে বাঘিনী জিনাত। কাঁকড়াঝোর জঙ্গলের সীমানা পেরিয়ে পুরুলিয়ার রাইকা পাহাড় লাগোয়া জঙ্গলে ঢুকে পড়েছে। তবে জঙ্গল লাগোয়া গ্ৰামগুলোতে আতঙ্কের রেশ এখনও কাটেনি। এদিকে বড়দিনের ছুটিতে বেলপাহাড়ীতে পর্যটকদের আসা শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন বাঘিনীকে নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন দেখেশুনে জিনাতকে নিয়ে কৌতূহল বেড়ে চলেছে তাঁদের। এদিকে তিন রাজ্যের বন বিভাগ জিনাতকে ধরার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। কুড়ি দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তারা সফল হয়নি। বনবিভাগের কর্মীদের ধোঁকা দিয়ে সে অনবরত পালিয়ে যাচ্ছে। এমনকী সুন্দরবন থেকে বাঘ ধরায় দক্ষ বনকর্মীদেরও নিয়ে এসেও কাজ হয়নি।
জুজারধারা গ্ৰামের বাসিন্দা তরুণ মাহাত বলেন, ঝাড়খণ্ড থেকে বাঘিনী স্থানীয় জঙ্গলে প্রথম ঢুকেছিল। খবরটি জানাজানি হতেই পর্যটকরা এখানে চলে এসেছেন। বাঘিনীকে এখনও ধরা যায়নি। ঘুরপথে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তারপরেও বাইরে থেকে আসা পর্যটকদের হুঁশ নেই। সিঙ্গাডোবার বাসিন্দা জগন্নাথ মাহাত বলেন, বনের পশুপাখিদের মিলনের সময়ে জঙ্গলে ঢোকা নিষিদ্ধ। বন্য জন্তুরা অনেক সময়ে ভয় পেয়ে হিংস্র হয়ে ওঠে। জঙ্গল এলাকার মানুষ সেই নিয়ম মেনে চলেন। কিন্তু বাইরে থাকা আসা পর্যটকরা সেই নিয়মের কথা জানেন না। এই বাঘিনী তাঁর অচেনা জঙ্গলে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এমন এলাকায় মানুষের যাওয়া ঠিক না। যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপদ হতে পারে। ঝাড়গ্রাম হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শিবাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, বড়দিন পালনে বেলপাহাড়ী সহ জেলার অন্য পর্যটন ক্ষেত্রে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। এবার জেলা সহ বেলপাহাড়ীর অধিকাংশ হোটেল, রিসর্ট, হোম স্টে বুকিং হয়ে গিয়েছে। পর্যটকদের আসা শুরু হয়ে গিয়েছে। আমাদের সংগঠনের তরফে পর্যটকদের সচেতন করা হচ্ছে জঙ্গল এলাকায় না যাওয়ার জন্য। বেলপাহাড়ী ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বিধান দেবনাথ বলেন, এই এলাকায় আসা পর্যটকদের শুধুমাত্র পর্যটনস্থলগুলোতে যেতে বলা হচ্ছে। জঙ্গলে ঢুকতে নিষেধ করার পাশাপাশি সন্ধের আগে হোটেলে ফিরতে বলছি। পর্যটকদের সুরক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
বেলপাহাড়ীর পাদদেশ ছেড়েছে বাঘিনী জিনাত। কাঁকড়াঝোর জঙ্গলের সীমানা পেরিয়ে পুরুলিয়ার রাইকা পাহাড় লাগোয়া জঙ্গলে ঢুকে পড়েছে। তবে জঙ্গল লাগোয়া গ্ৰামগুলোতে আতঙ্কের রেশ এখনও কাটেনি। এদিকে বড়দিনের ছুটিতে বেলপাহাড়ীতে পর্যটকদের আসা শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন বাঘিনীকে নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন দেখেশুনে জিনাতকে নিয়ে কৌতূহল বেড়ে চলেছে তাঁদের। এদিকে তিন রাজ্যের বন বিভাগ জিনাতকে ধরার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। কুড়ি দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তারা সফল হয়নি। বনবিভাগের কর্মীদের ধোঁকা দিয়ে সে অনবরত পালিয়ে যাচ্ছে। এমনকী সুন্দরবন থেকে বাঘ ধরায় দক্ষ বনকর্মীদেরও নিয়ে এসেও কাজ হয়নি।
জুজারধারা গ্ৰামের বাসিন্দা তরুণ মাহাত বলেন, ঝাড়খণ্ড থেকে বাঘিনী স্থানীয় জঙ্গলে প্রথম ঢুকেছিল। খবরটি জানাজানি হতেই পর্যটকরা এখানে চলে এসেছেন। বাঘিনীকে এখনও ধরা যায়নি। ঘুরপথে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তারপরেও বাইরে থেকে আসা পর্যটকদের হুঁশ নেই। সিঙ্গাডোবার বাসিন্দা জগন্নাথ মাহাত বলেন, বনের পশুপাখিদের মিলনের সময়ে জঙ্গলে ঢোকা নিষিদ্ধ। বন্য জন্তুরা অনেক সময়ে ভয় পেয়ে হিংস্র হয়ে ওঠে। জঙ্গল এলাকার মানুষ সেই নিয়ম মেনে চলেন। কিন্তু বাইরে থাকা আসা পর্যটকরা সেই নিয়মের কথা জানেন না। এই বাঘিনী তাঁর অচেনা জঙ্গলে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এমন এলাকায় মানুষের যাওয়া ঠিক না। যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপদ হতে পারে। ঝাড়গ্রাম হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শিবাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, বড়দিন পালনে বেলপাহাড়ী সহ জেলার অন্য পর্যটন ক্ষেত্রে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। এবার জেলা সহ বেলপাহাড়ীর অধিকাংশ হোটেল, রিসর্ট, হোম স্টে বুকিং হয়ে গিয়েছে। পর্যটকদের আসা শুরু হয়ে গিয়েছে। আমাদের সংগঠনের তরফে পর্যটকদের সচেতন করা হচ্ছে জঙ্গল এলাকায় না যাওয়ার জন্য। বেলপাহাড়ী ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বিধান দেবনাথ বলেন, এই এলাকায় আসা পর্যটকদের শুধুমাত্র পর্যটনস্থলগুলোতে যেতে বলা হচ্ছে। জঙ্গলে ঢুকতে নিষেধ করার পাশাপাশি সন্ধের আগে হোটেলে ফিরতে বলছি। পর্যটকদের সুরক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।



