নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, আরামবাগ: এবার পুজো দু’দিনের। সেইমতো রবিবার থেকেই বাগদেবীর আরাধনায় মেতে উঠল জেলার বাসিন্দারা। আজ, সোমবারও বহু জায়গাতেই দেবী বন্দনার আয়োজন করা হয়েছে। তবে, অন্যান্য বছর পুজোর আগে ফলমূল থেকে ভোগ রান্নার জন্য সব্জির দাম আগুন থাকলেও এবার তা রইল মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যেই।
Advertisement
সরস্বতী পুজো কবে হবে, তা নিয়ে ‘বিভ্রান্তি’ ছড়িয়েছিল এবছর। এবার সরস্বতী পুজো ২ ফেব্রুয়ারি রবিবার, নাকি ৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার করা হবে, তা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ছিলেন অনেকেই। তবে পুরোহিতদের অনেকের মত, যেহেতু সূর্যোদয় রয়েছে সোমবার, তাই সেই তিথিই মানা উচিত। সেইমতো পুরুলিয়ার অধিকাংশ জায়গায় মূলত সোমবারেই সরস্বতী পুজোর তোড়জোড় শুরু হয়। তার আগে গত কয়েকদিন ধরেই ছাঁচে গড়া মূর্তি থেকে শুরু করে বড় প্রতিমার বিক্রি হয়েছে। রবিবার শেষ বেলার কেনাকাটা করতে ভিড় উপচে পড়েছিল বাজারে। দশকর্ম ভাণ্ডার থেকে শুরু করে ফলমূল সব্জির দোকান-সর্বত্র ভিড় ছিল। রবিবার সকাল থেকেই মৃৎশিল্পীদের বাড়ি থেকে বিভিন্ন বিদ্যালয়, কলেজ, নাচ-গান-আঁকার স্কুল, কোচিং সেন্টার ও ক্লাবগুলিতে প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। এবার সরস্বতী পুজোর আগে ফলমূলের দাম ছিল সাধ্যের মধ্যেই। তবে হলুদ গাঁদা ফুলের দাম গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি ছিল।
বাঁকুড়ায় আবার রবিবার থেকেই বাগদেবীর আরাধনা শুরু হয়ে যায়। তবে আজ, সোমবারও অনেক জায়গায় পুজো হবে। বাঁকুড়া শহর সহ জেলার বাজারগুলিতে ফলমূলের দাম মধ্যবিত্তের সাধ্যের মধ্যেই ছিল। শহরের চকবাজারে রাস্তার দু’পাশে বিভিন্ন আকৃতির মাটির প্রতিমার পসরা সাজিয়ে বিক্রেতারা বসেন। সেখানে ১০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত প্রতিমা বিক্রি হয়। বড়বাজারের কুমোরটুলিতে ৫০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত প্রতিমার দাম ছিল।
রবিবার আরামবাগ মহকুমারও বিভিন্ন জায়গায় সরস্বতী পুজো হয়। একইসঙ্গে অনেক জায়গায় গণেশ পুজোও করেছেন বাসিন্দারা। এদিন কামারপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে ‘কন্যা সন্তান বাঁচানো’-র আর্জি জানিয়ে পোস্টার দিয়ে সরস্বতী পুজোর থিম করা হয়। সেখানে এদিনই বাগদেবীর আরাধনা করেন হাসপাতালের নার্স সহ অন্যান্যরা। এছাড়া একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও এদিন সরস্বতী পুজো হয়েছে। তাছাড়া অনেক জায়গায় এদিন মণ্ডপে মণ্ডপে সরস্বতী প্রতিমা নিয়ে যেতে দেখা যায়। বহু উদ্যোক্তা এদিন আবার সরস্বতী পুজোর বাজারও করেন। আল্পনা সহ নানা রঙিন কাগজ দিয়ে সাজানো হয়েছে সরস্বতী পুজোর প্যান্ডেল।
বাঁকুড়ায় আবার রবিবার থেকেই বাগদেবীর আরাধনা শুরু হয়ে যায়। তবে আজ, সোমবারও অনেক জায়গায় পুজো হবে। বাঁকুড়া শহর সহ জেলার বাজারগুলিতে ফলমূলের দাম মধ্যবিত্তের সাধ্যের মধ্যেই ছিল। শহরের চকবাজারে রাস্তার দু’পাশে বিভিন্ন আকৃতির মাটির প্রতিমার পসরা সাজিয়ে বিক্রেতারা বসেন। সেখানে ১০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত প্রতিমা বিক্রি হয়। বড়বাজারের কুমোরটুলিতে ৫০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত প্রতিমার দাম ছিল।
রবিবার আরামবাগ মহকুমারও বিভিন্ন জায়গায় সরস্বতী পুজো হয়। একইসঙ্গে অনেক জায়গায় গণেশ পুজোও করেছেন বাসিন্দারা। এদিন কামারপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে ‘কন্যা সন্তান বাঁচানো’-র আর্জি জানিয়ে পোস্টার দিয়ে সরস্বতী পুজোর থিম করা হয়। সেখানে এদিনই বাগদেবীর আরাধনা করেন হাসপাতালের নার্স সহ অন্যান্যরা। এছাড়া একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও এদিন সরস্বতী পুজো হয়েছে। তাছাড়া অনেক জায়গায় এদিন মণ্ডপে মণ্ডপে সরস্বতী প্রতিমা নিয়ে যেতে দেখা যায়। বহু উদ্যোক্তা এদিন আবার সরস্বতী পুজোর বাজারও করেন। আল্পনা সহ নানা রঙিন কাগজ দিয়ে সাজানো হয়েছে সরস্বতী পুজোর প্যান্ডেল।



