Bartaman Logo
১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাজ্য থেকে রাঁচির ব্যবসায়ীর কাছে পৌঁছায় ‘সুপারি’র টাকা, চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডে তথ্য পেল সিবিআই

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের খুনের সুপারির টাকা পৌঁছেছিল রাঁচির এক ব্যবসায়ীর কাছে। সেখান থেকে একটা ভাগ নিয়েছিল খুনের ঘটনায় ধৃত মায়াঙ্ক মিশ্রা।

রাজ্য থেকে রাঁচির ব্যবসায়ীর কাছে পৌঁছায় ‘সুপারি’র টাকা, চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডে তথ্য পেল সিবিআই
  • ১৬ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের খুনের সুপারির টাকা পৌঁছেছিল রাঁচির এক ব্যবসায়ীর কাছে। সেখান থেকে একটা ভাগ নিয়েছিল খুনের ঘটনায় ধৃত মায়াঙ্ক মিশ্রা। গাড়ির তথ্যপ্রমাণ লোপাট, নতুন বাইক কেনা সহ একাধিক কাজে সেই টাকা ব্যবহার হয়েছিল। তদন্তে নেমে এই তথ্য এসেছে সিবিআইয়ের তদন্তকারী টিমের হাতে। ওই ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে খবর। তাঁর কাছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে যিনি টাকা পাঠিয়েছিলেন, তাঁর পরিচয় জানার চেষ্টা হচ্ছে।

Advertisement

চন্দ্রনাথ রথ খুনে একসপ্তাহ কেটে গেলেও খুনের ‘বরাত’ নেওয়া গ্যাংস্টার ও প্ল্যানারের এখনও খোঁজ নেই। বিভিন্ন ফোন কল, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। মায়াঙ্ককে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জেনেছেন, সে রাঁচিতে একটি কম্পিউটার সেন্টারে কাজ করত। সেই কাজ করতে গিয়ে এক অপরাধীর সঙ্গে পরিচয় হয়। তার কাছ থেকে গাড়ির তথ্যপ্রমাণ কীভাবে নষ্ট করতে হয়, শিখে নেয়। একইসঙ্গে নকল নম্বর প্লেট ঝাড়খণ্ডের কোথায় কোথায় লাগানো হয় সেগুলি জানতে শুরু করে। মায়াঙ্ক জেরায় তদন্তকারীদের জানিয়েছে, চন্দ্রনাথ খুনের ‘কন্ট্রাক্ট’ আসার পর সে গাড়ি জোগাড় করে এবং তার তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পারছেন, এই সমস্ত কাজের জন্য তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এক ব্যক্তি জানায়, রাঁচির ব্যবসায়ীর কাছে টাকা আছে। সেইমতো সে ওই ব্যবসায়ীর কাছে টাকা নিয়ে এসেছিল। তার নামও তদন্তকারীরা জেনেছেন। সেই সূত্রেই জানা যাচ্ছে, রাঁচির ওই ব্যবসায়ীর কাছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে টাকা পৌঁছেছিল। তার হাত ঘুরেই অপারেশনে যুক্ত অন্যদের কাছে টাকা যায়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ