নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর ও সংবাদদাতা, ডোমকল: নতুন করে বাংলাদেশ অশান্ত হতেই ফের মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে বাড়ছে বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশ। শনি ও রবিবার পরপর দু’ দিনে চার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করল রাজ্য পুলিস। সীমান্তে বিএসএফের কড়া পাহারাকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবাধে যাতায়াত করছে অনুপ্রবেশকারীরা। সাগরপাড়া, লালগোলা ও জলঙ্গি সীমান্ত এলাকায় ওই চারজনকে পাকড়াও করে স্থানীয় থানার পুলিস।
Advertisement
মুর্শিদাবাদ জেলায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত ১২৫.৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। যার মধ্যে মাত্র ৪২.৩৫ কিলোমিটার স্থলভূমি। বাকি অংশ জল সীমানা। জেলার বেশিরভাগ সীমান্ত সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। এইসব এলাকা দিয়েই চলে পাচার। এপারে আসে অনুপ্রবেশকারীরাও।
লালগোলা সীমান্ত এলাকায় শনিবার এমনই একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তেঘরিয়াপাড়ায় অভিযান চালিয়ে লুৎফর রহমান ওরফে ভুট্টু শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের বাড়ি বাংলাদেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জে। তার বাংলা বলার ধরন দেখে পুলিস প্রথমেই তার পরিচয় জানতে চায়। সে পুলিসকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিল। তবে ভারতীয় কোনও পরিচয়পত্র কিংবা বৈধ পাসপোর্ট বা ভিসা না দেখাতে পারায় পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতের বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে সীমান্ত পার করার অভিযোগ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
জলঙ্গিতেও এক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। শুক্রবার রাতে জলঙ্গির দয়ারামপুরের একটি ক্লাবের মাঠ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃত যুবকের নাম মাসদুল। তার বাড়ি বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলায়। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবক বৃহস্পতিবার রাতে জলঙ্গি সীমান্ত দিয়ে এদেশে ঢুকেছিল। শুক্রবার জলঙ্গির দয়ারামপুরের একটি মাঠে রাত কাটায় সে। সোর্স মারফত সেই খবর পায় জলঙ্গি থানা। খবর পাওয়া মাত্রই ওই মাঠে হানা দেয় পুলিস। ওই ব্যক্তিকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চালাতেই সে নিজেকে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দেয়। পাশপাশি জানায়, সে বৃহস্পতিবার রাতে জলঙ্গির সীমান্ত দিয়ে এদেশে ঢুকেছিল। কী কারণে সে এদেশে ঢুকেছিল তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে পুলিস।
অপরদিকে, অসম সীমান্ত দিয়ে গত বছর ভারতে ঢুকেছিল দুই বাংলাদেশি। মাস কয়েক ধরে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করার পর পুনরায় রওনা দিয়েছিল বাড়ির পথে। অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে নিজের দেশে ফিরতে সাগরপাড়ায় পৌঁছেও গিয়েছিল ওই দুই অনুপ্রবেশকারী। ছক ছিল সাগরপাড়ার চক কাকমারী সীমান্ত পেরিয়ে পুনরায় নিজের দেশে ফিরে যাওয়া। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সাগরপাড়া থানার তৎপরতায় ভেস্তে যায় সেই পরিকল্পনা। শনিবার রাতে চর কাকমারী এলাকায় নাকা তল্লাশির সময় তাদের পাকড়াও করে সাগরপাড়া থানার পুলিস। ধৃতদের নাম কেরামত মাল ও সালাম বেদ। তাদের দু’জনের বাড়িই বাংলাদেশের ঢাকায়। ধৃতদের রবিবার বহরমপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা দালালচক্রের মাধ্যমে গত বছরে অসম সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিল। ভারতে প্রবেশ করেই তারা রওনা দিয়েছিল ছিল দক্ষিণ ভারতে। সেখানে তারা শ্রমিকের কাজ করত। এদিন পুলিসের সন্দেহ হওয়ায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। কথায় অসঙ্গতি মেলায় তাদের পরিচয়পত্র দেখতে চায় পুলিসের ওই টিম। তারা কোনও পরিচয়পত্র দেখাতে পারেনি। এরপরে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ চালাতেই নিজেদের বাংলাদেশি পরিচয় কবুল করে তারা। এরপরেই তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয়।
লালগোলা সীমান্ত এলাকায় শনিবার এমনই একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তেঘরিয়াপাড়ায় অভিযান চালিয়ে লুৎফর রহমান ওরফে ভুট্টু শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের বাড়ি বাংলাদেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জে। তার বাংলা বলার ধরন দেখে পুলিস প্রথমেই তার পরিচয় জানতে চায়। সে পুলিসকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিল। তবে ভারতীয় কোনও পরিচয়পত্র কিংবা বৈধ পাসপোর্ট বা ভিসা না দেখাতে পারায় পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতের বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে সীমান্ত পার করার অভিযোগ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
জলঙ্গিতেও এক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। শুক্রবার রাতে জলঙ্গির দয়ারামপুরের একটি ক্লাবের মাঠ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃত যুবকের নাম মাসদুল। তার বাড়ি বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলায়। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবক বৃহস্পতিবার রাতে জলঙ্গি সীমান্ত দিয়ে এদেশে ঢুকেছিল। শুক্রবার জলঙ্গির দয়ারামপুরের একটি মাঠে রাত কাটায় সে। সোর্স মারফত সেই খবর পায় জলঙ্গি থানা। খবর পাওয়া মাত্রই ওই মাঠে হানা দেয় পুলিস। ওই ব্যক্তিকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চালাতেই সে নিজেকে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দেয়। পাশপাশি জানায়, সে বৃহস্পতিবার রাতে জলঙ্গির সীমান্ত দিয়ে এদেশে ঢুকেছিল। কী কারণে সে এদেশে ঢুকেছিল তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে পুলিস।
অপরদিকে, অসম সীমান্ত দিয়ে গত বছর ভারতে ঢুকেছিল দুই বাংলাদেশি। মাস কয়েক ধরে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করার পর পুনরায় রওনা দিয়েছিল বাড়ির পথে। অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে নিজের দেশে ফিরতে সাগরপাড়ায় পৌঁছেও গিয়েছিল ওই দুই অনুপ্রবেশকারী। ছক ছিল সাগরপাড়ার চক কাকমারী সীমান্ত পেরিয়ে পুনরায় নিজের দেশে ফিরে যাওয়া। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সাগরপাড়া থানার তৎপরতায় ভেস্তে যায় সেই পরিকল্পনা। শনিবার রাতে চর কাকমারী এলাকায় নাকা তল্লাশির সময় তাদের পাকড়াও করে সাগরপাড়া থানার পুলিস। ধৃতদের নাম কেরামত মাল ও সালাম বেদ। তাদের দু’জনের বাড়িই বাংলাদেশের ঢাকায়। ধৃতদের রবিবার বহরমপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা দালালচক্রের মাধ্যমে গত বছরে অসম সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিল। ভারতে প্রবেশ করেই তারা রওনা দিয়েছিল ছিল দক্ষিণ ভারতে। সেখানে তারা শ্রমিকের কাজ করত। এদিন পুলিসের সন্দেহ হওয়ায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। কথায় অসঙ্গতি মেলায় তাদের পরিচয়পত্র দেখতে চায় পুলিসের ওই টিম। তারা কোনও পরিচয়পত্র দেখাতে পারেনি। এরপরে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ চালাতেই নিজেদের বাংলাদেশি পরিচয় কবুল করে তারা। এরপরেই তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয়।



