প্রীতেশ বসু, কলকাতা: কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা দেয়নি পশ্চিমবঙ্গকে। তা সত্ত্বেও ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প এনে রাজ্যের প্রান্তিক মানুষের মাথার উপর পাকা ছাদের ব্যবস্থা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার ১২ লক্ষ মানুষকে বাড়ি তৈরির টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের মাধ্যমে এতগুলি পরিবার ঘর পেয়েছে শুধু নয়, একই সঙ্গে নিশ্চিত হয়েছে লক্ষ লক্ষ মহিলার সামাজিক সুরক্ষা। কারণ, এই ১২ লক্ষের মধ্যে মহিলা উপভোক্তার সংখ্যা ৬ লক্ষ ৪৮ হাজার ৮৫০। অর্থাৎ, যাঁরা বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন, তার অর্ধেকের বেশি মহিলা। সরকারের এক পদস্থ কর্তার কথায়, ‘আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্যই ছিল মহিলাদের নামে বাড়ি বরাদ্দ করা। এতে তাঁদের সামাজিক সুরক্ষা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনই একটা অধিকারবোধের জায়গাও তৈরি হয়। তাই প্রথম থেকেই পরিবারের সব থেকে বয়স্ক মহিলার (উইমেন হেড অব দি ফ্যমিলি) নামে প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ করার চেষ্টা করা হয়েছে। একান্তই তা সম্ভব না হলে মহিলা এবং তাঁর স্বামীর নামে যৌথভাবে অনুমোদিত হয়েছে।’ তিনি জানান, এভাবে মহিলাদের অগ্রাধিকার দিয়ে স্বামীর সঙ্গে যৌথভাবে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে ৩ লক্ষ ৯২ হাজার ১০৬টি ক্ষেত্রে। গ্রামীণ এলাকায় ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের প্রথম ১২ লক্ষ উপভোক্তার মধ্যে মহিলা উপভোক্তার হার ৫৪.১৬ শতাংশ। যেসব ক্ষেত্রে এই দু’টির একটিও সম্ভব নয়, কেবল সেই সমস্ত ক্ষেত্রেই পরিবারের পুরুষ সদস্যের নামে বাড়ি তৈরির বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছে।



