কুন্তল পাল, বনগাঁ: ক্যালেন্ডার বলছে শরতের দেখা পেতে এখনও কিছুটা অপেক্ষা করতে হবে। তবে শ্রাবণের বাতাসে পুজো পুজো গন্ধ এসে গিয়েছে। আর পুজো মানেই কাশের বনে দোলা, শিউলি ভেজা সকাল। কাশের বনে এখনও দোলা না লাগলেও বাঙালি দিন গুনতে শুরু করেছে। ক্লাবগুলিও পুজোর আয়োজন শুরু করে দিয়েছে নিজেদের মতো করে।
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো, যার জন্য সারা বছর অপেক্ষা করে থাকা। কলকাতার পরেই বনগাঁর দুর্গাপুজো রাজ্যের মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছে। ইতিমধ্যে একাধিক ক্লাব সংগঠন তাদের পুজোর তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে। একাধিক উদ্যোক্তা ঘটা করে সম্পন্ন করেছে খুঁটিপুজো। কোথাও কোথাও প্যান্ডেলের কাজও শুরু হয়েছে। বাবা বা মায়ের সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়ে পুজোর প্যান্ডেলের কাজ দেখে ছোটদের মন আনন্দে আত্মহারা। পুজোর ক’টা দিন কীভাবে কাটাবে, তার রুটিনও তৈরি করে ফেলেছে অনেকেই।
পুজোর ব্যস্ততা শুরু হয়েছে পটুয়াপাড়াতেও। নিম্নচাপ সরে গিয়েছে। এখন মাটির কাজে জোর দিয়েছেন শিল্পীরা। বনগাঁ তালতলার মৃৎশিল্পী লক্ষ্মণ পাল গত বছরের মতো এবছরও প্রায় ৫০টি দুর্গা প্রতিমা তৈরি করছেন। কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। অর্ধেক প্রতিমা বায়নাও হয়ে গিয়েছে। লক্ষ্মণ পাল বলেন, গত বছর পুজো অনেকটাই আগে ছিল। বিশ্বকর্মা পুজোর পর মাত্র কয়েকদিন সময় পাওয়া দিয়েছিল। এবছর দেরিতে পুজো হলেও কাজ চলছে জোরকদমে। কিছুদিন পর থেকেই রাত জেগে কাজ করতে হবে। ধীরে ধীরে ব্যস্ততা বাড়ছে প্যান্ডেল শিল্পীদেরও। পুজোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন অন্য ব্যবসায়ীরাও। বনগাঁর বস্ত্র ব্যবসায়ী আলোক বিশ্বাস বলেন, এবছর দেরিতে পুজো হওয়ায় অনেকটাই সময় পাওয়া যাবে। পুজোর কেনাকাটা এখনও শুরু না হলেও আমাদের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। নিজস্ব চিত্র