Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মেদিনীপুরে পয়লা বৈশাখে বাংলা গান, আবৃত্তি, যন্ত্রসঙ্গীতের অনুষ্ঠান

মেদিনীপুরে পয়লা বৈশাখে বাংলা গান, আবৃত্তি, যন্ত্রসঙ্গীতের অনুষ্ঠান
  • ১৪ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: বাংলা গান ও সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখাই মূল উদ্দেশ্য। সেই লক্ষ্যে মেদিনীপুর শহরের ‘ক্যামেলিয়া সদস্যবৃন্দ’-র উদ্যোগে ‘নব আনন্দে জাগো’ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে। ৩৬তম বর্ষে এই অনুষ্ঠানে গান, আবৃত্তি, যন্ত্রসঙ্গীতের অনুষ্ঠান হবে। সেইসঙ্গে থাকছে বাংলা ব্যান্ড। প্রতিবছর পয়লা বৈশাখে এই অনুষ্ঠানের জন্য মেদিনীপুরবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকেন।

Advertisement

এই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তারা জানান, ১৫এপ্রিল অর্থাৎ পয়লা বৈশাখে শহরের কলেজ স্কোয়ারে এই অনুষ্ঠান হবে। মেদিনীপুরের প্রায় ২০জন শিল্পী এতে অংশ নেবেন। বাংলা ভাষা, গান, সংস্কৃতি রক্ষার তাগিদেই অনুষ্ঠান আয়োজন হচ্ছে। এবার অনুষ্ঠানে রেকর্ড মানুষের সমাগম হবে। মেদিনীপুরের বহু বাংলা গানের শিল্পী এই অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার সুযোগ পান। ক্যামেলিয়া সদস্যবৃন্দের তরফে আলোকবরণ মাইতি, গৌতম চক্রবর্তী বলেন, প্রতিবছর এই অনুষ্ঠান ঘিরে উন্মাদনা থাকে। এবারও প্রচুর মানুষ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। শহরবাসীকে অনুষ্ঠানে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
১৯৮৮সালে মেদিনীপুর কলেজের বেশ কয়েকজন প্রাক্তনী একটি ক্লাব বা কমিটি তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন। বাংলার সংস্কৃতির চর্চা ও বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত করাই তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল। শুরুর দিকে মেদিনীপুর কলেজ লাগোয়া একটি ক্যামেলিয়া গাছের নীচেই তাঁদের আড্ডা বসত। খেলাধুলো-রাজনীতি ছাড়াও সমাজকল্যাণ-সংক্রান্ত নানা বিষয়ে সেখানে আলোচনা চলত। সেই গাছের নাম অনুসারেই সংস্থার নাম রাখা হয় ‘ক্যামেলিয়া সদস্যবৃন্দ’। সেসময় থেকেই এই কমিটির সদস্যরা প্রতিবছর বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে আসছেন।
ক্যামেলিয়া সদস্যবৃন্দের তরফে শঙ্কর মাঝি, অসীম রায় বলেন, তখন আমরা অনেকেই বেকার ছিলাম। বাংলা গান, ভাষার প্রতি ভালোবাসা থেকেই এই অনুষ্ঠান শুরু করেছিলাম। এখন আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি। কিন্তু বাংলার প্রতি আমাদের আবেগ ও ভালোবাসায় ভাটা পড়েনি। মূলত শিকড়ের টানেই সবাই মিলে নববর্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সংস্কৃতিচর্চার পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কাজে এগিয়ে আসে ক্যামেলিয়া সদস্যবৃন্দ। তাঁরা করোনা সঙ্কটের সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। 
এই কমিটির সদস্যরা খেলাধূলার প্রসারের ক্ষেত্রেও মানুষকে উৎসাহ দিয়ে থাকেন। ক্যামেলিয়া সদস্যবৃন্দের তরফে অসীম পাঞ্চালি ও গোপাল দাস বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মূল কর্তব্য। আগামী দিনেও আমরা সবসময় মানুষের পাশে থাকব। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ