Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

ভূরিভোজ ছাড়া বাঙালির পুজো অসম্পূর্ণ

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো একেবারে দোরগোড়ায়। আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। পুজোর আগে এই সময়টা চূড়ান্ত ব্যস্ততায় কাটছে। ধারাবাহিকের শুটিংয়ের জন্য দিনের অনেকটা সময় পার হয়ে যায়।

ভূরিভোজ ছাড়া বাঙালির পুজো অসম্পূর্ণ
  • ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০

দুর্গাপুজোর পরিকল্পনা শেয়ার করলেন অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায়

Advertisement

 

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো একেবারে দোরগোড়ায়। আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। পুজোর আগে এই সময়টা চূড়ান্ত ব্যস্ততায় কাটছে। ধারাবাহিকের শুটিংয়ের জন্য দিনের অনেকটা সময় পার হয়ে যায়। তাই পুজোয় আলাদা কোনও প্ল্যান নেই। আমার পুজো খুব সাধারণ ভাবেই কাটে। সেখানে কোনও বাহুল্যতা নেই। ষষ্ঠী পর্যন্ত টানা শ্যুটিং চলবে। তারপর কয়েকটা দিনের জন্য ছুটি পাব। ওই ছুটিতেই আনন্দ। অনেকটা ব্যস্ততার পর কিছুটা নিজের জন্য, পরিবারের জন্য সময় পাব। অনেকটা বেশি সময় ঘুমোতে পারব। সকালবেলা একটু দেরিতে ঘুম থেকে উঠব। পুজো মানেই পরিবার, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো। আমি প্যান্ডেল হপিং করতে একদম ভালোবাসি না। পাড়ার পুজোতেই থাকব। পুজোর সময় পাড়ায় বসে আড্ডা দেওয়াটা মাস্ট। এই আড্ডাটা মিস করা যাবে না। ভালো খাওয়া-দাওয়া ছাড়া পুজো অসম্পূর্ণ। জমিয়ে ভুরিভোজ চলবে। আড্ডা, খাওয়া-দাওয়া ছাড়া বাঙালির পুজো হতেই পারে না। আমি ছোটবেলা থেকে যেহেতু এই পাড়াতেই বড় হয়েছি তাই অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। ছোটবেলায় ধুনুচি নাচতাম। এখন একটু সময় বদলেছে। অনেক মানুষ আর নেই। আমার দিদিদের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। পুজোতে আমি কলকাতার বাইরে যাই না। বাড়িতেই থাকি, পাড়ার পুজোতেই আনন্দ করি। এখন সারা বছর শপিং হলেও আমি কিন্তু আলাদা করে পুজোর জন্যও শপিং করি। নিজের জন্য টুকটাক কেনাকাটা এবং অন্যদের জন্য অনেকটা শপিং করা হয়। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবে আলাদা করে একটু শপিং না করলে হয়! এই আনন্দ উৎসবে শামিল আমিও। পুজোর সময়টা কেমন যেন হুট করে কেটে যায়। তারপরেই একরাশ মনখারাপ। আবার একটা বছরের অপেক্ষা।

সম্পর্কিত সংবাদ