Bartaman Logo
৫ অক্টোবর, ২০২৬

পাকিস্তানি লাস্যময়ীর ফাঁদে পা দিয়ে গোপন তথ্য পাচার, তামিলনাড়ুতে ধৃত বাঙালি নৌসেনা কর্মী

পাকিস্তানি লাস্যময়ীর ফাঁদে পা দিয়ে নৌবাহিনীর গোপন তথ্য পাচার। তবে শেষরক্ষা হল না। তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোর থেকে গ্রেপ্তার করা হল বাঙালি নৌসেনা কর্মীকে।

পাকিস্তানি লাস্যময়ীর ফাঁদে পা দিয়ে গোপন তথ্য পাচার, তামিলনাড়ুতে ধৃত  বাঙালি নৌসেনা কর্মী
  • ৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

কোয়েম্বাটোর: পাকিস্তানি লাস্যময়ীর ফাঁদে পা দিয়ে নৌবাহিনীর গোপন তথ্য পাচার। তবে শেষরক্ষা হল না। তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোর থেকে গ্রেপ্তার করা হল বাঙালি নৌসেনা কর্মীকে। ধৃতের নাম প্রদীপ মুখোপাধ্যায় (৩১)। শনিবার কোয়েম্বাটোরের নৌসেনার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ‘আইএনএস অগ্রণী’ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স (সিআই) সেল।  পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত আদতে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। ২০১৪ সালে তিনি নৌসেনায় যোগ দেন। বিশাখাপত্তনমের ইস্টার্ন নেভাল কমান্ডে কর্মরত ছিলেন তিনি। সম্প্রতি কোয়েম্বাটোরের ওই নৌসেনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ম্যানেজমেন্ট ডেভেলপমেন্ট কোর্সের প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন। এরপরই তাঁকে পাকিস্তানে তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, মাস কয়েক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পাকিস্তানি তরুণীর সঙ্গে প্রদীপের আলাপ হয়। তারপর থেকে ধীরে ধীরে জমে ওঠে দু’জনের বন্ধুত্ব। পাক গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ওই তরুণী যৌনতার ফাঁদে জড়িয়ে নেয় প্রদীপকে। কিন্তু এসবের মধ্যে যে বড়ো বিপদ লুকিয়ে রয়েছে, তা আন্দাজ করতে পারেননি তিনি। অভিযোগ, বিশাখাপত্তনম নৌঘাঁটির বিভিন্ন কৌশলগত অবস্থান, নৌবহরের গতিবিধি সহ বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য পাচার করেন প্রদীপ। অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স সেল গোপনে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রদীপের সন্দেহজনক কাজকর্ম নজরে রেখেছিল। সীমান্তপারে তথ্য পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রদীপকে স্থানীয় আদালতে পেশ করার পর বিজয়ওয়াড়ায় কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঠিক কী ধরনের প্রতিরক্ষা তথ্য বাইরে গিয়েছে, বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি এই তথ্য পাচারের বিনিময়ে প্রদীপ কোনো অর্থ পেয়েছিলেন কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ