


• বারো হাতের শাড়ি বাঙালিদের সারা বছরের ফ্যাশন স্টেটমেন্ট তৈরি করে দেয়। যে কোনো অনুষ্ঠানে পছন্দের শাড়ি পরে নিতে পারলে আর আলাদা করে সাজের প্রয়োজন হয় না। সদ্য শুরু হয়েছে বাঙালির নতুন বছর। সামনে আসছে অক্ষয় তৃতীয়া। এসব অনুষ্ঠানে শাড়ি পরতেই হয়। ঘরোয়া আয়োজন হোক বা বাইরের সেলিব্রেশন— শাড়ির ফ্যাব্রিকের দিকে আলাদা নজর দেওয়া জরুরি। বৈশাখের রোদ্দুর ইতিমধ্যেই মেজাজে ব্যাট করতে শুরু করেছে। তাই আরামের কথা মাথায় রেখে চতুষ্পর্ণীর ফ্যাশন শ্যুটে ফ্যাব্রিক বেছে নেওয়া হয়েছে। দুই অভিনেত্রী অনুষ্কা চক্রবর্তী এবং সুদীপ্তা রায় আদ্যন্ত বাঙালিয়ানা বজায় রেখে সেজেছেন। ঐতিহ্য, বনেদিয়ানা বজায় রেখে অন্দরে, বাহিরে এভাবে সাজতে পারেন আপনিও। কোন সময়ে কোন অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন, সেটা মনে রেখে শাড়ির রং পছন্দ করুন।
অনুষ্কা পরেছেন একটি তসরের শাড়ি। তাতে শিভরির কাজ। পাড়ে রয়েছে ম্যাট জরি। এই শাড়ির নিজস্ব ব্লাউজ পিস রয়েছে। কিন্তু অনুষ্কা সম্পূর্ণ আলাদা একটি ব্লাউজ দিয়ে ক্যারি করেছেন। চুল হালকা কার্ল করা। ছোট্ট টিপের ছিমছাম সাজ। সদ্য শেষ হয়েছে জি বাংলার ‘দাদামণি’ ধারাবাহিক। সেখানে শাড়িই পরেছেন অনুষ্কা। তবে ফ্যাশন শ্যুটের সাজ তাঁর কাছে আলাদা অক্সিজেন।
সুদীপ্তা আবার সকাল সকাল চতুষ্পর্ণীর ফ্যাশন শ্যুট শুরু করেছিলেন। সান বাংলার ‘বৃন্দাবন বিলাসিনী’ ধারাবাহিকের শ্যুটিংয়ে পৌঁছনোর খানিক তাড়া ছিল তাঁর। বেছে নিয়েছিলেন হলুদ রঙের কোটা শাড়ি। গরমের জন্য এই ধরনের ফ্যাব্রিক আদর্শ। হলুদের উপর রয়েছে লাল, সাদা ফুলের অ্যাপ্লিক। মিরর ওয়ার্ক শাড়িটির বিশেষত্ব। চুল খোলা রেখে সুদীপ্তার স্টাইলিং করা হয়েছে। এর সঙ্গে হাতখোঁপা করেও সাজতে পারেন। অভিনেত্রী নাকে পরেছিলেন একটি স্টেটমেন্ট পিস। এই ধরনের কিছু সংগ্রহে থাকলে তা সাধারণ শাড়ির সঙ্গেও ট্রাই করতে পারেন। অন্য ধরনের লুক তৈরি হবে।
তসর বা কোটার মতো অরিজিনাল ফ্যাব্রিক পরলে আরামের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করতে হয় না। সকালের অনুষ্ঠানে কোটা পরুন। আর সন্ধের জন্য তুলে রাখুন তসর। একই ভাবে সকালে যদি হালকা রঙের শাড়িতে সাজেন, তাহলে সান্ধ্য অনুষ্ঠানের জন্য বেছে নিন একটু ঘন রং। তসরের মতো ফ্যাব্রিকে ঘন রংও ম্যাট ফিনিশ লুক তৈরি করবে। পোশাকের সঙ্গে মানানসই মেকআপ আর অ্যাকসেসেরিজ নিলেই আপনি একেবারে তৈরি।