Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

পয়েন্ট খুইয়ে চাপে বাংলা

ছিল বাঘ, হয়ে গেল বেড়াল। বাংলা দলের হাল তেমনই। পর পর দু’টি ম্যাচ জেতার পর পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছিল সামিদের।

পয়েন্ট খুইয়ে চাপে বাংলা
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ছিল বাঘ, হয়ে গেল বেড়াল। বাংলা দলের হাল তেমনই। পর পর দু’টি ম্যাচ জেতার পর পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছিল সামিদের। প্রতিপক্ষ ত্রিপুরাকে ধর্তব্যের মধ্যেই আনেননি। মনে করা হচ্ছিল, অভিষেক পোড়েলরা বোনাস পয়েন্ট নিয়েই ফিরবেন। কিন্তু পচা শামুকে পা কাটল বাংলার। গ্রুপ সি-এর অন্যতম দুর্বল  দল ত্রিপুরাই ল্যাজেগোবরে করে ছাড়ল বঙ্গ ব্রিগেডকে। জেতা তো দূর অস্ত, এক পয়েন্টেই মুখরক্ষা সামিদের। আগরতলায় প্রথম ইনিংসে লিডের সুবাদে ত্রিপুরা ঝুলিতে পুরল মূল্যবান ৩ পয়েন্ট। বলার অপেক্ষা রাখে না, নক-আউটে বাংলার ওঠার পথ কিছুটা হলেও দুর্গম হল। ৩ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট, বাংলা রইল তৃতীয় স্থানেই। সুরাতে রেলওয়েজের বিরুদ্ধে পরের ম্যাচ শুরু ৮ তারিখ। সেই ম্যাচে আবার সামি নেই। তাঁকে বাইরে রেখেই ঘোষিত হল স্কোয়াড।

Advertisement

আত্মতুষ্টিই কি ডোবাল বঙ্গ ব্রিগেডকে? প্রশ্ন উঠছে। ওঠাই স্বাভাবিক। যে দলটা প্রথম দুটো ম্যাচে দুর্দান্ত ক্রিকেট উপহার দিয়ে রোমাঞ্চকর জয় ছিনিয়ে নিল, রাতারাতি তাদের এই হাল কেন? প্রথম ইনিংসে বাংলার ৩৩৬ রানে জবাবে একটা সময় ৯৩ রানে ৬ উইকেট খুইয়ে ধুঁকছিল ত্রিপুরা। জয়ের পাশাপাশি বোনাস পয়েন্টে পাওয়ার সম্ভাবনাও উজ্জ্বল হয়েছিল। কিন্তু বাংলার মুখের গ্রাস কেড়ে নিলেন হনুমা বিহারী (১৪১) ও ক্যাপ্টেন মণিশঙ্কর (অপরাজিত ১০২)। তাঁদের চোয়ালচাপা লড়াই ত্রিপুরাকে পৌঁছে দেয় ৩৮৫’তে। অর্থাৎ, প্রথম ইনিংসে লিড। সেটাই ম্যাচের নির্ণায়ক ভূমিকা নিল। বোলিং ডোবাল বাংলাকে। সামির মতো তারকা যখন ২৫ ওভার হাত ৭৬ রান দিয়েও কোনও শিকার পান না, তখন বুঝতে হবে কোথাও বড় খামতি রয়েছে। ব্যর্থতা ঢাকতে বৃষ্টি ও খারাপ আবহাওয়াকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যায়, কিন্তু তাতে লজ্জা এড়ানো অসম্ভব। তৃতীয়বার রনজি ট্রফি জেতার জন্য চাতক পাখির মতো তাকিয়ে থাকাই অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীদের।  দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলার ব্যাটিংয়ের কঙ্কাল স্পষ্ট। ১৩ রানেই পড়ল ৩ উইকেট। খাতাই খুলতে পারলেন না সুদীপ ঘরামি ও কাজি সইফ। তিনে নামা গান্ধীর সংগ্রহ মাত্র ৩। শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটে বাংলার ৯০ রানে খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ