আটলান্টা: কত তাড়াতাড়ি বদলে যায় পরিস্থিতি! সেমি-ফাইনালের আগে ব্রিটিশ ট্যাবলয়েডে শুধুই টুচেল বন্দনা। ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। আর্জেন্তিনার কাছে হারের পর সেই টুচেলই খলনায়ক। সে দেশের মিডিয়া ছিঁড়ে খাচ্ছে ইংল্যান্ড কোচকে। এমনটাও বলা হচ্ছে যে, টুচেল নাকি কাপুরুষ। তাদের অভিমত, অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক হতে গিয়েই দলকে ডুবিয়েছেন তিনি। কোচের কুর্সি কার্যত ফুটন্ত কড়াই। অন্যদিকে, হারের দায় মাথায় নিয়ে বেলিংহ্যামদের কোচ বলেছেন, ‘বিশ্বকাপের সেরা ম্যাচ খেলেও হারতে হল। এটাই ফুটবল।’ পাশাপাশি হ্যারি কেনের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। যদিও মেসিকে উদাহরণ দেখিয়ে কেনের জবাব, ‘অবসরের বিষয়ে এখনই ভাবছি না।’
এদিকে, বেলিংহ্যামকে নিয়েও তীব্র বিতর্ক। ম্যাচের পর মেজাজ হারিয়ে আর্জেন্তিনার বার্কোকে চড় মারেন ইংল্যান্ডের মিডিও। তা নিয়ে ধুন্ধুমার শুরু হয়। প্রথমার্ধেও লায়োনেল মেসির সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। এলএমটেনেকে ফাউল করা নিয়ে বিতর্কের শুরু। মেসি কিছু বললে পালটা জবাব দেন বেলিংহ্যাম। আর্জেন্তাইন তারকার মুখ দেখে মনে হচ্ছিল, বেলিংহ্যামের আচরণে বেশ অবাক তিনি। ঠিক কী হয়েছিল? তা ফাঁস করেছেন বেলিংহ্যাম স্বয়ং। রেফারির সিদ্ধান্তে দৃশ্যতই অখুশি ছিলেন মেসি। বলেন, ‘আমাদের অনুকূলে যাওয়া উচিত ছিল সিদ্ধান্ত।’ বেলিংহ্যামের জবাব-‘নাহ! কোনো ফাউল হয়নি।’ লিও ফের রেফারিকে বলেন, ‘আমার মাথায় আঘাত করা হয়েছে।’ পালটা সুর চড়ান ইংল্যান্ড ফুটবলার। তাঁর জবাব, ‘বলছি তো, কোনো ফাউলই হয়নি।’ এরপর কথা বাড়াননি মেসি। ছোট্ট জবাব ছিল ‘ওকে।’ বেলিংহ্যাম বোঝেননি এই ওকে আসলে ঝড়ের ইঙ্গিত। টর্নেডো হয়ে যা আছড়ে পড়েছে পিকফোর্ডদের বক্সে। ক্রুদ্ধ মেসি যে কত ভয়ংকর হতে পারেন, ফুটবল বিশ্বে তা কারও অজানা নয়। কিন্তু বেলিংহ্যাম যেন মুহূর্তের জন্য সেটাই ভুলে গিয়েছিলেন!