সংবাদদাতা, পতিরাম: বিদ্যুৎ চুরি ও দুর্ঘটনা রুখতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ৪ হাজার কিলোমিটার বিদ্যুতের খোলা তার এবার কভার করছে বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানি। মূলত, লো ভোল্টেজের উন্মুক্ত তারগুলি সরিয়ে কভার তার বসানো হচ্ছে। বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানি সূত্রে খবর, জেলাজুড়ে ৪ হাজার কিলোমিটার খোলা তার রয়েছে। তারমধ্যে ইতিমধ্যেই ১২০০ কিমি খোলা তারের পরিবর্তে কভার তার বসানো হয়েছে। জেলাজুড়ে বিদ্যুৎ চুরির প্রবণতা রয়েছে। তাই এই কভার তারে বিদ্যুৎ চুরি অনেকটাই রোখা যাবে বলে মনে করছে বিদ্যুৎ কোম্পানি। শুধু তাই নয়, ঝড় বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার প্রবণতাও কমবে। তাই বিদ্যুৎ কোম্পানির তরফে জোরকদমে এই কাজ চলছে। চলতি মাসের জুলাইয়ের মধ্যেই এই কাজ সম্পূর্ণ হবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ কোম্পানি।
Advertisement
বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির মালদহ জেলার রিজিওনাল ম্যানেজার দীপঙ্কর দাস বলেন, আমাদের জেলাজুড়ে ৪ হাজার কিলোমিটার খোলা তার রয়েছে। সেই তারগুলি আর থাকবে না। এর পরিবর্তে কভার তার বসানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই কাজ শুরু হয়েছে। ১২০০ কিমি এই তার বসেছে। বাকি কাজ জুলাই মাসের মধ্যেই শেষ হবে। এথেকে বিদ্যুৎ চুরি যেমন রোখা যাবে, তেমনি দুর্ঘটনার প্রবণতাও অনেকটাই কমবে।
বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানি সূত্রে খবর, বর্তমানে কৃষিক্ষেত্রে পাম্প মেশিন চলছে। কাজেই বেশিরভাগ পাম্প মেশিনে বিদ্যুতের প্রয়োজন হচ্ছে। অনেকেই বৈধভাবে এই বিদ্যুৎ খরচ করলেও অনেক জায়গাতেই অবৈধভাবে পাম্প মেশিন চালানোর অভিযোগ উঠছে।
শুধু তাই নয় সাধারণ বাড়িতেও এবং ছোটখাট অনুষ্ঠানের জন্যও বিদ্যুৎ চুরি করে কাজ চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে জেলা জুড়ে অভিযানে নেমেছে বিদ্যুৎ কোম্পানি। জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে জরিমানা থেকে শুরু করে ধরপাকড় চলছে। তাই বিদ্যুৎ কোম্পানির তরফে ৪৪০ ভোল্টেজের এই তারগুলি কভারে মুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। ফলে বিদ্যুৎ চুরি অনেকটাই কমে যাবে বলে মনে করছে বণ্টন কোম্পানি।
এদিকে সামনেই বর্ষাকাল আসছে। বর্ষাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। ঝড়-বৃষ্টিতে বিদ্যুতের তার ছিড়ে পড়লে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে। তাই কভার তার থাকলে সেই দুর্ঘটনা কমবে।
গ্রামীণ এলাকাগুলিতে ঝড় বৃষ্টির দিনে ঘনঘন লোডশেডিং হয়। ফলে প্রতি বছর বর্ষাকালে ক্ষোভ ছড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে। কভার তারে সেই ঘন ঘন লোডশেডিং কমবে বলেই বিদ্যুৎ দপ্তর জানিয়েছে। এব্যাপারে তপনের দ্বীপখণ্ডার এক বাসিন্দা অমল বর্মন বলেন, সামান্য বৃষ্টি বা ঝড় হলেই আমাদের গ্রামের বিদ্যুৎ চলে যায়। এমনকী উন্মুক্ত তারগুলিতে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে। তাই কভার তার থাকলে সেক্ষেত্রে অনেকটা সুবিধা হবে।
বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানি সূত্রে খবর, বর্তমানে কৃষিক্ষেত্রে পাম্প মেশিন চলছে। কাজেই বেশিরভাগ পাম্প মেশিনে বিদ্যুতের প্রয়োজন হচ্ছে। অনেকেই বৈধভাবে এই বিদ্যুৎ খরচ করলেও অনেক জায়গাতেই অবৈধভাবে পাম্প মেশিন চালানোর অভিযোগ উঠছে।
শুধু তাই নয় সাধারণ বাড়িতেও এবং ছোটখাট অনুষ্ঠানের জন্যও বিদ্যুৎ চুরি করে কাজ চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে জেলা জুড়ে অভিযানে নেমেছে বিদ্যুৎ কোম্পানি। জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে জরিমানা থেকে শুরু করে ধরপাকড় চলছে। তাই বিদ্যুৎ কোম্পানির তরফে ৪৪০ ভোল্টেজের এই তারগুলি কভারে মুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। ফলে বিদ্যুৎ চুরি অনেকটাই কমে যাবে বলে মনে করছে বণ্টন কোম্পানি।
এদিকে সামনেই বর্ষাকাল আসছে। বর্ষাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। ঝড়-বৃষ্টিতে বিদ্যুতের তার ছিড়ে পড়লে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে। তাই কভার তার থাকলে সেই দুর্ঘটনা কমবে।
গ্রামীণ এলাকাগুলিতে ঝড় বৃষ্টির দিনে ঘনঘন লোডশেডিং হয়। ফলে প্রতি বছর বর্ষাকালে ক্ষোভ ছড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে। কভার তারে সেই ঘন ঘন লোডশেডিং কমবে বলেই বিদ্যুৎ দপ্তর জানিয়েছে। এব্যাপারে তপনের দ্বীপখণ্ডার এক বাসিন্দা অমল বর্মন বলেন, সামান্য বৃষ্টি বা ঝড় হলেই আমাদের গ্রামের বিদ্যুৎ চলে যায়। এমনকী উন্মুক্ত তারগুলিতে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে। তাই কভার তার থাকলে সেক্ষেত্রে অনেকটা সুবিধা হবে।



