সংবাদদাতা, কাটোয়া: বিদেশের নামী কোম্পানির শেয়ারে লগ্নি করলেই মিলবে প্রচুর টাকা। মাত্র তিন মাসেই দ্বিগুণ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে— এই আশ্বাসে প্রচুর ডলার রোজগারের স্বপ্ন দেখে অনেকেই প্রতারিত হলেন কাটোয়ায়। কেউ খোয়ালেন দেড় কোটি, কেউ ৩২ লক্ষ টাকা। ইন্টারন্যাশনাল শেয়ার ট্রেডিংয়ের নামে প্রতারণার ফাঁদে পড়ে কাটোয়ার অনেকেই সর্বস্বান্ত হচ্ছেন।
Advertisement
সাইবার জালিয়াতরা বিদেশের নামী কোম্পানিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রচুর রোজগারের স্বপ্ন দেখিয়ে জালে ফেলছে সাধারণ মানুষকে। প্রথমের দিকে বিনিয়োগকারীদের অল্প ঝুঁকির লাভের প্রস্তাব দেয় জালিয়াতরা। প্রথমে কয়েকবার ডলার ফেরত পাইয়ে দিয়ে বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর লোভ দেখানো হয়। তারপর কেউ মোটা অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করলেই শেষ! আর কেউ লাভের অর্থ তো দূরের কথা, লগ্নির টাকাও ফেরত পান না। তারপর তাঁদের হুঁশ ফেরে। বুঝতে পারেন প্রতারিত হয়েছেন।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসে প্রতারকরা এজেন্ট নিয়োগ করছে। তারাই বিনিয়োগকারীদের টোপ দিয়ে বিনিয়োগ করাচ্ছে। কাটোয়া শহরে এখনও পর্যন্ত তিনজন মোটা অঙ্কের টাকা খুইয়েছেন। তাঁরা কাটোয়া থানার সাইবার সেলে লিখিত অভিযোগ করেছেন। শহরের এক চিকিৎসক ওই ফাঁদে পা দিয়ে দেড় কোটি টাকা খুইয়েছেন। আর দু› জন ২৮ ও ৩২ লক্ষ টাকা করে বিনিয়োগ করে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।
তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, শেয়ার কেনাবেচা করতে হলে ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। তারপর সেবি অনুমোদিত শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হয়। কিন্তু কাটোয়া শহরজুড়ে এখন ইন্টারন্যাশনাল শেয়ার ট্রেডিংয়ের এজেন্টরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যেমে তারা বোঝাচ্ছে, কীভাবে কোন কোম্পানিতে টাকা বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন বিনিয়োগকারীরা। অনেকে আবার সামাজিক মাধ্যমে বা মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ট্রেডিং করছেন। কাটোয়া থানার এক অফিসার জানান, অ্যাপের মাধ্যমেই দেখানো হচ্ছে প্রচুর লাভবান হয়েছেন বিনিয়োগকারী। বিদেশের কোম্পানিতে ডলার কত পেয়েছেন তাও দেখানো হচ্ছে। কিন্তু মোটা অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করার পর আর তাঁরা কিছুই ফেরত পাচ্ছেন না। তখনই তাঁরা থানায় আসছেন। আমরা ইতিমধ্যেই কিছু টাকা উদ্ধার করেছি। বাকিটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসে প্রতারকরা এজেন্ট নিয়োগ করছে। তারাই বিনিয়োগকারীদের টোপ দিয়ে বিনিয়োগ করাচ্ছে। কাটোয়া শহরে এখনও পর্যন্ত তিনজন মোটা অঙ্কের টাকা খুইয়েছেন। তাঁরা কাটোয়া থানার সাইবার সেলে লিখিত অভিযোগ করেছেন। শহরের এক চিকিৎসক ওই ফাঁদে পা দিয়ে দেড় কোটি টাকা খুইয়েছেন। আর দু› জন ২৮ ও ৩২ লক্ষ টাকা করে বিনিয়োগ করে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।
তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, শেয়ার কেনাবেচা করতে হলে ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। তারপর সেবি অনুমোদিত শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হয়। কিন্তু কাটোয়া শহরজুড়ে এখন ইন্টারন্যাশনাল শেয়ার ট্রেডিংয়ের এজেন্টরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যেমে তারা বোঝাচ্ছে, কীভাবে কোন কোম্পানিতে টাকা বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন বিনিয়োগকারীরা। অনেকে আবার সামাজিক মাধ্যমে বা মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ট্রেডিং করছেন। কাটোয়া থানার এক অফিসার জানান, অ্যাপের মাধ্যমেই দেখানো হচ্ছে প্রচুর লাভবান হয়েছেন বিনিয়োগকারী। বিদেশের কোম্পানিতে ডলার কত পেয়েছেন তাও দেখানো হচ্ছে। কিন্তু মোটা অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করার পর আর তাঁরা কিছুই ফেরত পাচ্ছেন না। তখনই তাঁরা থানায় আসছেন। আমরা ইতিমধ্যেই কিছু টাকা উদ্ধার করেছি। বাকিটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।



