সংবাদদাতা, ইটাহার: বিডিও’র আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারির পরই সোমবার গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে দেখা মিলল না প্রধান বিলকিস পারভিনের। অন্যদিকে স্কুলেও অনুপস্থিত তাঁর স্বামী তথা প্রধান শিক্ষক সাহেরুল হক। সময়ের আগেই এদিন তালা ঝুলল স্কুলের গেটে। সপ্তাহের প্রথমদিন অনেকে জরুরি কাজে পঞ্চায়েতে এসে প্রধানের দেখা না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যান। প্রধানের অনুপস্থিতির কোনও আগাম খবর ছিল না ইটাহারের বিডিও দিব্যেন্দু সরকারের কাছেও।
Advertisement
গত শনিবার ইটাহারের বিডিও’র বিরুদ্ধে নিজের দপ্তরে ডেকে স্বামীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তোলেন ইটাহার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিলকিস। সেই অভিযোগপত্রে ছিল বিডিও ও ব্লক তৃণমূল সভাপতির নাম। প্রধান ও তাঁর স্বামী সেই অভিযোগপত্র নিয়ে দ্বারস্থ হন জেলাশাসক, মহকুমা শাসক ও পুলিস সুপারের কাছেও। বিডিও, বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে প্রধানের এই ধরনের গুরুতর অভিযোগে শোরগোল পড়ে যায় ইটাহারে। বিডিও পাল্টা পঞ্চায়েত প্রধান ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। হুঁশিয়ারির পরই সোমবার ইটাহার পঞ্চায়েত অফিসে দেখা যায়নি প্রধান বিলকিসকে। বন্ধ ছিল প্রধানের ঘর। প্রধানের সাফাই, শারীরিক অসুস্থতার জন্য এদিন যেতে পারিনি।
এদিন প্রধান না আসায় পঞ্চায়েতের জরুরি কাজও থমকে যায়। কেউ ঘুরে যান বাবার মৃত্যুর শংসাপত্র নিতে এসে। কেউ আবার প্রধানের সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য এসে ঘুরে যান। এদিন প্রধানের জন্য কয়েকঘণ্টা অপেক্ষা করেন মতি মণ্ডল ও আবেদুর রহমান। প্রধানের দেখা না পেয়ে হতাশ মতি বলেন, প্রধান নাকি আসেননি। তাই ঘুরে যাচ্ছি।
অন্যদিকে ব্লক প্রশাসনের নির্দেশে প্রধানের স্বামী সাহেরুল হকের দলি দেউলচক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে যান ইটাহারের এসআই বিপ্লব বিশ্বাস সহ অন্য আধিকারিকরা। কিন্তু পৌনে তিনটায় স্কুলগেটে তালা ঝুলতে দেখেন তাঁরা। সময়ের আগেই মিড ডে মিল খাইয়ে পড়ুয়াদের ছুটি দিয়ে চলে যান শিক্ষকরা। তবে পারিবারিক সমস্যার কারণ দেখিয়ে সিএল নিয়েছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাহেরুল। এমনটাই জানা গিয়েছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর সূত্রে। এসআই বিপ্লব বিশ্বাস জানান, ব্লক প্রশাসনের নির্দেশে স্কুল পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। সমস্ত রিপোর্ট বিডিও সাহেবের কাছে জমা করেছি। তবে কেন একই সঙ্গে স্বামী ও স্ত্রী দু’জন নিজেদের কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত তা নিয়ে কানাঘুষো শুরু হয়েছে ইটাহারে। প্রধানের স্বামীর বক্তব্য, আমি নিয়মমাফিক ছুটি নিয়েছি।
এদিন প্রধান না আসায় পঞ্চায়েতের জরুরি কাজও থমকে যায়। কেউ ঘুরে যান বাবার মৃত্যুর শংসাপত্র নিতে এসে। কেউ আবার প্রধানের সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য এসে ঘুরে যান। এদিন প্রধানের জন্য কয়েকঘণ্টা অপেক্ষা করেন মতি মণ্ডল ও আবেদুর রহমান। প্রধানের দেখা না পেয়ে হতাশ মতি বলেন, প্রধান নাকি আসেননি। তাই ঘুরে যাচ্ছি।
অন্যদিকে ব্লক প্রশাসনের নির্দেশে প্রধানের স্বামী সাহেরুল হকের দলি দেউলচক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে যান ইটাহারের এসআই বিপ্লব বিশ্বাস সহ অন্য আধিকারিকরা। কিন্তু পৌনে তিনটায় স্কুলগেটে তালা ঝুলতে দেখেন তাঁরা। সময়ের আগেই মিড ডে মিল খাইয়ে পড়ুয়াদের ছুটি দিয়ে চলে যান শিক্ষকরা। তবে পারিবারিক সমস্যার কারণ দেখিয়ে সিএল নিয়েছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাহেরুল। এমনটাই জানা গিয়েছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর সূত্রে। এসআই বিপ্লব বিশ্বাস জানান, ব্লক প্রশাসনের নির্দেশে স্কুল পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। সমস্ত রিপোর্ট বিডিও সাহেবের কাছে জমা করেছি। তবে কেন একই সঙ্গে স্বামী ও স্ত্রী দু’জন নিজেদের কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত তা নিয়ে কানাঘুষো শুরু হয়েছে ইটাহারে। প্রধানের স্বামীর বক্তব্য, আমি নিয়মমাফিক ছুটি নিয়েছি।



