নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: টাকা ফেললেই আবাস যোজনার বাড়ি নিশ্চিত। সমীক্ষা শেষে আবাসের তালিকা প্রকাশের আগেই পাঁশকুড়ায় বিডিও এবং জয়েন্ট বিডিও-র নাম ব্যবহার করে এভাবেই বহু উপভোক্তার কাছে ফোন গিয়েছে। অনেকেই বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এনেছেন। কেউ কেউ প্রতারকদের খপ্পড়ে পড়েছেন। গোটা বিষয়টি পাঁশকুড়া ব্লক প্রশাসনের নজরে আসার পর শেষমেশ থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন বিডিও। দু’টি ফোন নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। ওই দু’টি নম্বর থেকে ফোন করে আবাসের বাড়ির লোভ দেখিয়ে টাকা চাওয়া হতো। গোটা ঘটনায় তদন্তে নেমেছে পাঁশকুড়া থানার পুলিস।
Advertisement
২০১৮ সালে সার্ভের ভিত্তিতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় আবাস উপভোক্তার সংখ্যা ১ লক্ষ ৫২ হাজার। অক্টোবর মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে আবাস উপভোক্তার বাড়ি সার্ভে শুরু হয়। এরপর ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন করে আরও কয়েক হাজার মানুষ আবাস প্রকল্পে পাকাবাড়ির জন্য আবেদন করেছিলেন। তাঁদের নামের তালিকা প্রতিটি ব্লকে আসার পর সার্ভে শুরু হয়। এভাবে পূর্ব মেদিনীপুরে প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার বাড়ির সমীক্ষা শেষ হয়েছে। ২৭ নভেম্বর বুধবার যোগ্য উপভোক্তাদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে। গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস এবং বিডিও অফিসে ওই তালিকা ঝোলানো হবে। ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকাশিত ওই তালিকা নিয়ে আপত্তি জানানো যাবে।
আবাস উপভোক্তা তালিকা প্রকাশের মুখে পাঁশকুড়ায় টাকার বিনিময়ে বাড়ি পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে অসাধু চক্র সক্রিয়। কখনও বিডিও, আবার কখনও জয়েন্ট বিডিও-র নাম ব্যবহার করে ফোন করা হচ্ছে। কেউ কেউ অসাধু চক্রের খপ্পড়ে পড়ে প্রতারিত হচ্ছেন। তবে, প্রচুর সংখ্যক উপভোক্তার কাছে ফোন যেতেই বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এনিয়ে তদন্ত করতে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বিডিও। সরকারি প্রকল্পের লোভ দেখিয়ে প্রতারণার ঘটনা নতুন নয়। আবাস সার্ভে শুরু হতেই নন্দীগ্রাম-১ বিডিও অফিসে উপভোক্তাদের ভিড় জমেছিল। সেই ভিড়ে মিশে গিয়েছিল প্রতারকরাও। বিডিও অফিসে কর্মী পরিচয় দিয়ে আবাসের আশায় বিডিও অফিসে আসা একাধিক জনের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তারপরই জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী এনিয়ে প্রত্যেক বিডিওকে সতর্ক করে দেন। সম্প্রতি পটাশপুর থানার কৌড় মৈশালী গ্রামে কৃষকবন্ধু প্রকল্পে টাকা পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে ঈশিতা করণ নামে একজনের ২৪ হাজার ৯৯৯ টাকা গায়েব করা হয়েছে। পাঁশকুড়ার বিডিও অমিতকুমার মণ্ডল বলেন, ব্লক প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে অর্থের বিনিময়ে আবাস যোজনায় ঘর পাইয়ে দেওয়ার ফোন করা হচ্ছে। পাঁশকুড়া ব্লকে এই ঘটনা সামনে আসার পর আমরা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মানুষজনকে সতর্ক করি।
আবাস উপভোক্তা তালিকা প্রকাশের মুখে পাঁশকুড়ায় টাকার বিনিময়ে বাড়ি পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে অসাধু চক্র সক্রিয়। কখনও বিডিও, আবার কখনও জয়েন্ট বিডিও-র নাম ব্যবহার করে ফোন করা হচ্ছে। কেউ কেউ অসাধু চক্রের খপ্পড়ে পড়ে প্রতারিত হচ্ছেন। তবে, প্রচুর সংখ্যক উপভোক্তার কাছে ফোন যেতেই বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এনিয়ে তদন্ত করতে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বিডিও। সরকারি প্রকল্পের লোভ দেখিয়ে প্রতারণার ঘটনা নতুন নয়। আবাস সার্ভে শুরু হতেই নন্দীগ্রাম-১ বিডিও অফিসে উপভোক্তাদের ভিড় জমেছিল। সেই ভিড়ে মিশে গিয়েছিল প্রতারকরাও। বিডিও অফিসে কর্মী পরিচয় দিয়ে আবাসের আশায় বিডিও অফিসে আসা একাধিক জনের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তারপরই জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী এনিয়ে প্রত্যেক বিডিওকে সতর্ক করে দেন। সম্প্রতি পটাশপুর থানার কৌড় মৈশালী গ্রামে কৃষকবন্ধু প্রকল্পে টাকা পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে ঈশিতা করণ নামে একজনের ২৪ হাজার ৯৯৯ টাকা গায়েব করা হয়েছে। পাঁশকুড়ার বিডিও অমিতকুমার মণ্ডল বলেন, ব্লক প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে অর্থের বিনিময়ে আবাস যোজনায় ঘর পাইয়ে দেওয়ার ফোন করা হচ্ছে। পাঁশকুড়া ব্লকে এই ঘটনা সামনে আসার পর আমরা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মানুষজনকে সতর্ক করি।



