সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: মঙ্গলবার ছিল বিয়ের দিন। সবকিছুর আয়োজন হয়ে গিয়েছিল। তবে বিয়ের খবর আগেভাগে পেয়ে গিয়ে নাবালিকার বিয়ে আটকালেন উলুবেড়িয়া এক নম্বরের বিডিও। নাবলিকা সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।
সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: মঙ্গলবার ছিল বিয়ের দিন। সবকিছুর আয়োজন হয়ে গিয়েছিল। তবে বিয়ের খবর আগেভাগে পেয়ে গিয়ে নাবালিকার বিয়ে আটকালেন উলুবেড়িয়া এক নম্বরের বিডিও। নাবলিকা সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।
জানা গিয়েছে, উলুবেড়িয়া এক নম্বর ব্লকের বাসিন্দা ওই ছাত্রীর পরিবার বিয়ের আয়োজন করেছিল। উলুবেড়িয়ার গঙ্গারামপুরের এক যুবকের সঙ্গে বিবাহের ঠিক হয়। মঙ্গলবার ছিল বিয়ের দিন। সোমবার বিকেলে এই খবর পৌঁছয় উলুবেড়িয়া এক নম্বর ব্লক প্রশাসনের কাছে। এরপর বিডিও এইচ এম রিয়াজুল হক, উলুবেড়িয়া এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অতীন্দ্রশেখর প্রামাণিক ও আধিকারিকরা নাবালিকার বাড়ি পৌঁছন। উলুবেড়িয়া থানার পুলিসও যায়। আটকানো হয় বিয়ে। নাবালিকার বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া হবে না, এই মর্মে মায়ের কাছ থেকে মুচলেকা লিখিয়ে নেন প্রসাশনিক আধিকারিকরা। বিডিও জানান, খবর পাওয়া মাত্রই বিয়ে আটকানো হয়েছে। কিশোরীর ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে পারা শুধু প্রশাসনিক কাজ নয় এটি সকলের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা চাই, প্রতিটি কন্যা পড়াশোনার আলোয় বড় হয়ে সমাজে নিজের পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত হোক। আমরা সবাই মিলে এই বার্তাই ছড়াতে চাই-বাল্যবিবাহ নয় পড়াশোনাই হোক কন্যার প্রথম অঙ্গীকার।