নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা, দার্জিলিং: ভোরে মেঘমুক্ত আকাশ। দৃশ্যতই ঝকঝকে কাঞ্চনজঙ্ঘা। সঙ্গে বড়দিনের আমেজ ও খাদ্য মেলা। সবমিলিয়ে মঙ্গলবার পাহাড় ছিল পর্যটকের ভিড়ে জমজমাট। আজ, বুধবার পাহাড়ের উচু উপত্যকায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভবনা রয়েছে। এজন্য পাহাড়ে পর্যটকের ভিড় আরও বাড়বে বলে ট্যুর অপারেটারদের প্রত্যাশা। এদিকে, বড়দিন ঘিরে সমতলেও সাজো সাজো রব। ক্রিসমাস ট্রি, শান্তক্লস, আলোর মালা ও স্টারে সেজে উঠেছে হিলকার্ট রোড। তবে, সূর্য ডোবার পর পাহাড় ও সমতলে ঠান্ডার তীব্রতা কিছুটা বেড়েছে।
Advertisement
আজ, বুধবার বড়দিন। এজন্য দার্জিলিং পাহাড়ের চার্চ, রেস্তোরাঁ, হোটেল, কেকের দোকান সহ বাড়ি ক্রিসমাস ট্রি, শান্তাক্লজ, স্টারে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। এই অবস্থায় এদিন ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত পাহাড়ের আকাশ ছিল মেঘমুক্ত। সূর্যের আলোয় গোটা এলাকা ঝকঝক করছিল। সকাল সকাল কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ দৃশ্য দেখে অভিভুত পর্যটকরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাহাড়ের আকাশে জমে মেঘ। বৃষ্টি না হলেও কনকনে ঠান্ডা হাওয়া ছিল। তা সত্ত্বেও ম্যালে ভিড় করেন পর্যটকরা। সেখানেই বেসরকারি উদ্যোগে বসেছে খাদ্যমেলা। সেখানে ভিড় করে মোমো, চাউমিনের স্বাদ উপভোগ করেন পর্যটকরা। এই অবস্থায় আজ, পাহাড়ের উচু উপত্যকায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
পর্যটকরা বলেন, বড়দিনকে কেন্দ্র করে পাহাড়ে রূপটাই বদলে গিয়েছে। একইসঙ্গে মনোরম আবহাওয়ায় পাহাড়ের পরিবেশ দারুনভাবে উপভোগ করছি। ট্যুর অপারেটাররা বলেন, তুষারপাতের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় পাহাড়ে আজ, পর্যটকের ভিড় আরও বাড়বে বলেই আশা করছি। সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা গোপীনাথ রাহা বলেন, পশ্চিমীঝঞ্ঝার জেরে পাহাড়ের উচু উপত্যকায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, বড়দিন ঘিরে সেজে উঠেছে দার্জিলিং জেলার সমতল ভাগ শিলিগুড়িতেও। ইতিমধ্যে শহরের মহাত্মা গান্ধী মোড়ে ক্রিসমাস ট্রি, শান্তাক্লজ, স্টার প্রভৃতি দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। আলোর মালায় শহরের হিলকার্ট রোড সহ মহানন্দা নদীর জোড়া ব্রিজ সাজিয়ে তুলেছে পুরসভা। কেক সহ বিভিন্ন রেস্তোরাঁ, হোটেল, গির্জা সেজে উঠেছে। গ্রামীণ এলাকার বিভিন্ন চার্চ আলোর মালায় সাজিয়েছে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ। স্থানীয়রা বলেন, দিনে রোদের বেশ তেজ রয়েছে। ঠান্ডার তেমন দাপট নেই। তাই এবার বড়দিন কিছুটা অন্যরকমভাবেই কাটবে। আজ, বিভিন্ন জায়গায় পিকনিকের আসর বসবে বলেই আশা করছি।
দিনে গরম লাগলেও রাতে শীতের দাপট বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা বলেন, সূর্য ডোবার পর বিভিন্ন এলাকায় শীতের কামড় বাড়বে। কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশাও থাকবে।
পর্যটকরা বলেন, বড়দিনকে কেন্দ্র করে পাহাড়ে রূপটাই বদলে গিয়েছে। একইসঙ্গে মনোরম আবহাওয়ায় পাহাড়ের পরিবেশ দারুনভাবে উপভোগ করছি। ট্যুর অপারেটাররা বলেন, তুষারপাতের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় পাহাড়ে আজ, পর্যটকের ভিড় আরও বাড়বে বলেই আশা করছি। সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা গোপীনাথ রাহা বলেন, পশ্চিমীঝঞ্ঝার জেরে পাহাড়ের উচু উপত্যকায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, বড়দিন ঘিরে সেজে উঠেছে দার্জিলিং জেলার সমতল ভাগ শিলিগুড়িতেও। ইতিমধ্যে শহরের মহাত্মা গান্ধী মোড়ে ক্রিসমাস ট্রি, শান্তাক্লজ, স্টার প্রভৃতি দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। আলোর মালায় শহরের হিলকার্ট রোড সহ মহানন্দা নদীর জোড়া ব্রিজ সাজিয়ে তুলেছে পুরসভা। কেক সহ বিভিন্ন রেস্তোরাঁ, হোটেল, গির্জা সেজে উঠেছে। গ্রামীণ এলাকার বিভিন্ন চার্চ আলোর মালায় সাজিয়েছে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ। স্থানীয়রা বলেন, দিনে রোদের বেশ তেজ রয়েছে। ঠান্ডার তেমন দাপট নেই। তাই এবার বড়দিন কিছুটা অন্যরকমভাবেই কাটবে। আজ, বিভিন্ন জায়গায় পিকনিকের আসর বসবে বলেই আশা করছি।
দিনে গরম লাগলেও রাতে শীতের দাপট বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা বলেন, সূর্য ডোবার পর বিভিন্ন এলাকায় শীতের কামড় বাড়বে। কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশাও থাকবে।



