Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বড়দিন উপলক্ষ্যে আলোয় সেজে উঠেছে আজিমগঞ্জের রোমান ক্যাথলিক চার্চ

বড়দিন উপলক্ষ্যে আলোয় সেজে উঠেছে আজিমগঞ্জের রোমান ক্যাথলিক চার্চ
  • ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, লালবাগ: বড়দিন উপলক্ষ্যে সাজিয়ে তোলা হয়েছে আজিমগঞ্জের রোমান ক্যাথলিক চার্চ। রঙিন কাগজ ও এলইডি লাইট দিয়ে গির্জার ভিতরে ও বাইরে সাজানো হয়েছে। গির্জা চত্বরের বাঁদিকেই তৈরি করা হয়েছে যিশু খ্রিস্টের জন্মস্থান গোশালা। উপাসনার জন্য মুর্শিদাবাদ-জিয়াগঞ্জ, নবগ্রাম এবং সাগরদিঘি, এই তিনটি ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম থেকে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী কয়েক হাজার মানুষ জমায়েত হন। উপাসনা শেষে সারারাত ধরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলে। এদিকে বড়দিন উপলক্ষ্যে গির্জা সংলগ্ন এলাকাজুড়ে মেলা বসেছে। মেলায় তেলেভাজা, মিষ্টি, বাচ্চাদের খেলনা সহ বিভিন্ন স্টল রয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই গির্জার পাশপাশি মেলা দেখতে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে আশেপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ ভিড় জমান। 
Advertisement
জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পুরসভার আজিমগঞ্জ শহরের রোমান ক্যাথলিক গির্জায় মঙ্গলবার থেকেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বড়দিনের উৎসব শুরু হয়েছে। গির্জা সূত্রে জানা গিয়েছে, বড়দিন উপলক্ষ্যে প্রায় সপ্তাহ খানেক আগে থেকেই গির্জা এবং গির্জা সংলগ্ন সমস্ত এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার সঙ্গে সাজিয়ে তোলার কাজ শুরু হয়। বড়দিনের প্রাক্কালে রাত সাড়ে ৯টায় উপাসনা শুরু হয়। রাত ১২টা পর্যন্ত উপাসনা চলে। উপাসনা শেষে নাচ, গান এবং যিশু খ্রিস্টের জীবনের উপর রচিত নাটক অভিনীত হয়। গির্জার দায়িত্বপ্রাপ্ত ফাদার কার্লোস মুর্মু বলেন, স্থানটি মূলত  মুর্শিদাবাদ-জিয়াগঞ্জ, নবগ্রাম এবং সাগরদিঘি ব্লকের সংযোগস্থলে অবস্থিত। কাজেই বড়দিন উপলক্ষ্যে মুর্শিদাবাদ-জিয়াগঞ্জ ব্লকের কুসুমখোলা, মাহিনগর, বেনীপুর, নবগ্রাম ব্লকের কিরীটেশ্বরী এবং সাগরদিঘি ব্লকের আদিবাসী অধ্যুষিত বেলডাঙ্গা, ধাপাডাঙ্গা প্রভৃতি গ্রাম থেকে প্রায় পাঁচ হাজার খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী মানুষ উপাসনায় যোগ দেন। উপাসনা শেষে রাতভর আদিবাসীদের নাচগান এবং নাটক সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। ২৫ ডিসেম্বর, বুধবার রাতেও খ্রিস্টযাগ বা উপাসনা অনুষ্ঠিত হবে। বড়দিন উপলক্ষ্যে মেলা আগামী শুক্রবার পর্যন্ত চলবে। আজিমগঞ্জের পাশাপাশি জিয়াগঞ্জ শহরের প্রোটেস্টান্ট গির্জাকেও রঙিন কাগজ, ক্রিসমাস ট্রি এবং আলোর মালায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। গির্জা ভিতরের মাঠে মেলাও বসেছে। মেলায় ছোটদের মনোরঞ্জনের জন্য নাগরদোলা, চরকি এবং একাধিক খাবারের স্টল বসেছে। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই জিয়াগঞ্জ এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার বিভিন্ন ধর্মের মানুষ চার্চ এবং মেলায় ভিড় জমাতে শুরু করেন। এদিকে বড়দিন উপলক্ষ্যে লালবাগ মহকুমার বিভিন্ন স্টলে কেকের পাশাপাশি ক্রিসমাস ট্রি, সান্তা টুপি এবং মুখোশ কিনতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। 
সম্পর্কিত সংবাদ