সংবাদদাতা, সিউড়ি: বুধবার বড়দিনে বীরভূম জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ও গির্জায় ব্যাপক ভিড় হল। এদিন সকাল থেকে বক্রেশ্বর মন্দির ও তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য ভিড় জমান পর্যটকরা। দুবরাজপুরের পাহাড়েশ্বর মামা-ভাগ্নে মন্দির, নীল নির্জন ড্যাম, বক্রেশ্বর পীঠস্থান, প্রতিবেশী ঝাড়খণ্ডের ম্যাসাঞ্জোর ড্যাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বড়দিন উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই জেলা সদর সিউড়ি সহ আশপাশের বিভিন্ন জায়গার গির্জাগুলিতে মানুষের ভিড় উপচে পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় পিকনিকও হলেও জাঁকিয়ে ঠান্ডা না পড়ায় অন্যান্যবারের চেয়ে ভিড় কিছুটা কম ছিল।
Advertisement
সিউড়ি এনইএল গির্জায় সকাল ৯’টা নাগাদ বড়দিনের বিশেষ প্রার্থনা হয়। বহু মানুষ তাতে অংশ নেন। জেলা তথা রাজ্যের প্রাচীন গির্জাগুলির মধ্যে অন্যতম এটি। এদিন বিকেলে গির্জা কমিটির উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেন সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী, জেলাশাসক বিধান রায় সহ বিশিষ্টরা। গির্জার পাদরি রেভারেন্ড সুনীল প্রসাদ বলেন, প্রথা মেনে বড়দিনের প্রার্থনা সভা হয়েছে। ক্রিসমাস উপলক্ষ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠান রয়েছে। এবারও গির্জায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় হয়।
এদিন জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভিড় জমান পর্যটকরা। সিউড়ি থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে ম্যাসেঞ্জোর ড্যামে বহু মানুষ বেড়াতে আসেন। বক্রেশ্বর পীঠস্থানেও পুণ্যস্নান করতে ভিড় জমান অসংখ্য মানুষ। ভোর থেকেই লাইন দিয়ে তারাপীঠ মন্দির ও সতীপীঠ বক্রেশ্বর মন্দিরে পুজো দেন অনেকে। বক্রেশ্বর মন্দির কমিটির দাবি, এদিন কয়েক হাজার পুণ্যার্থী এসেছিলেন। ভিড় থাকায় লাভের মুখ দেখায় খুশি স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
দুবরাজপুরের পাহাড়েশ্বর পর্যটন কেন্দ্রেও এদিন ভিড় জমিয়েছিলেন বহু মানুষ। তবে এদিন জাঁকিয়ে শীত না পড়ায় পিকনিকের ভিড় কিছুটা কম ছিল। সাধারণ মানুষের দাবি, এদিন সকালবেলা কিছুটা ঠান্ডা অনুভূত হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে শীত উধাও হয়ে যায়। তাই এবার জেলার বড়দিনের ছুটিতে পিকনিক স্পটগুলিতে পিকনিক পার্টির ভিড় কিছুটা কম লক্ষ্য করা যায়।
এদিন জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভিড় জমান পর্যটকরা। সিউড়ি থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে ম্যাসেঞ্জোর ড্যামে বহু মানুষ বেড়াতে আসেন। বক্রেশ্বর পীঠস্থানেও পুণ্যস্নান করতে ভিড় জমান অসংখ্য মানুষ। ভোর থেকেই লাইন দিয়ে তারাপীঠ মন্দির ও সতীপীঠ বক্রেশ্বর মন্দিরে পুজো দেন অনেকে। বক্রেশ্বর মন্দির কমিটির দাবি, এদিন কয়েক হাজার পুণ্যার্থী এসেছিলেন। ভিড় থাকায় লাভের মুখ দেখায় খুশি স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
দুবরাজপুরের পাহাড়েশ্বর পর্যটন কেন্দ্রেও এদিন ভিড় জমিয়েছিলেন বহু মানুষ। তবে এদিন জাঁকিয়ে শীত না পড়ায় পিকনিকের ভিড় কিছুটা কম ছিল। সাধারণ মানুষের দাবি, এদিন সকালবেলা কিছুটা ঠান্ডা অনুভূত হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে শীত উধাও হয়ে যায়। তাই এবার জেলার বড়দিনের ছুটিতে পিকনিক স্পটগুলিতে পিকনিক পার্টির ভিড় কিছুটা কম লক্ষ্য করা যায়।



