নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: আজ, বুধবার বড়দিন। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকেই গির্জায় গির্জায় হয় প্রার্থনা। দিনভর তারই প্রস্তুতি ছিল চার্চে চার্চে। সন্ধ্যা নামতেই আলোর মালায় সেজে ওঠে উত্তরবঙ্গের একাধিক শহর। শিলিগুড়ির হিলকার্ট রোড, জোড়া মহানন্দা সেতুতে রঙিন আলো জ্বলে ওঠে। কাল, বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি শহরে হবে বড়দিনের কার্নিভাল। এদিন ধূপগুড়ি গার্লস কলেজের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে ক্রিসমাস ডে উদযাপন করা হয়। আলিপুরদুয়ারে শুরু হয় দু’দিনের কার্নিভাল।
Advertisement
শিলিগুড়ি শহরের প্রধাননগর, চার্চ রোডের পুরনো চার্চ, আশ্রমপাড়া, শালুগাড়া, মাটিগাড়ার চার্চ সাজিয়ে তোলা হয়েছে। ক্রিসমাস ট্রি, সান্তাক্লজের টুপি মাথায় খ্রিস্টান ধর্মালম্বীরা রাত ১২টায় চার্চে গিয়ে প্রার্থনা করেন। বিকেল থেকেই চার্চগুলিতে তিলধারণের জায়গা ছিল না। শপিংমল, মার্কেট কমপ্লেক্সগুলি বড়দিন উপলক্ষ্যে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।
শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ ও আপার বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে আপার বাগডোগরা আলোরমালায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কয়েক হাজার মানুষের ভিড়ে জমজমাট ছিল বাগডোগরার পানিঘাটা মোড়। কেক কেটে সঙ্গীতের মাধ্যমে দিনটি পালন করেন খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা। আপার বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সঞ্জীব সিনহা জানান, ২ জানুয়ারি পর্যন্ত এই আলো থাকবে।
বড়দিন উপলক্ষ্যে সেজে উঠেছে তিস্তাপাড়ের শহর জলপাইগুড়িও। শহরের প্রধান রাস্তাগুলি সাজানো হয়েছে রঙিন আলোরমালায়। সেজে উঠেছে গির্জাগুলি। বাড়ি বাড়ি ঘুরছে ক্যারল গানের দল। কেকের পাশাপাশি ক্রিসমাস ট্রি, সান্তার টুপি কিনতে ছিল দোকানে দোকানে ভিড়। একইসঙ্গে দিনভর চলে কার্নিভালের প্রস্তুতি। কাল, বৃহস্পতিবার শহরের সেন্ট মাইকেল অ্যান্ড অল এঞ্জেল চার্চে অনুষ্ঠিত হবে বড়দিনের কার্নিভাল। তাই সেখানে পুরোদমে চলে অনুষ্ঠানের মহড়া। বড়দিনের আগেই দেড়শো বছরের প্রাচীন ওই চার্চে ভিড় জমতে শুরু করেন অনেকে। জলপাইগুড়ি শহরে বড়দিনের কার্নিভালের এবার দ্বিতীয়বর্ষ। প্রশাসনের উদ্যোগে এই কার্নিভালের আয়োজন। শহরের ছ’টি চার্চ অংশ নিচ্ছে কার্নিভালে। কাল বিকেলে সমাজপাড়া মোড় থেকে শুরু হবে কার্নিভালের শোভাযাত্রা।
আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবারই জেলা শহরে বড়দিনের কার্নিভালের সূচনা হয়েছে। বেলুন ও রঙিন আলোরমালায় সেজে উঠেছে শহরের লাইফ লাইন একমুখী বক্সা ফিডার রোডের কলেজ হল্ট থেকে মাধব মোড় পর্যন্ত ২০০ মিটার রাস্তার একপাশ। সন্ধ্যায় বড়দিনের কার্নিভালের সূচনা করেন জেলাশাসক আর বিমলা। উপস্থিত ছিলেন পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী। কার্নিভালে ৫০টি ফুডস্টলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আয় বাড়াতে স্থানীয় মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে ফুডস্টল দেওয়ার বরাত দেওয়া হয়েছে। আজ, বুধবারও এই কার্নিভাল চলবে। এদিকে, বড়দিন উপলক্ষ্যে কালচিনি, মাদারিহাট ও কুমারগ্রামে গির্জাগুলি মঙ্গলবার থেকেই সেজে উঠেছে।
ফালাকাটা রোডে ধূপগুড়ির গার্লস কলেজের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে মহকুমা প্রশাসনের তরফে বড়দিন পালন করা হয় মঙ্গলবার। কেকে কাটেন জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শমা পারভীন, ছিলেন পুলিস সুপার খণ্ডবাহলে উমেশ গণপত সহ ধূপগুড়ির মহকুমা শাসক পুষ্পা দোলমা লেপচা।
শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ ও আপার বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে আপার বাগডোগরা আলোরমালায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কয়েক হাজার মানুষের ভিড়ে জমজমাট ছিল বাগডোগরার পানিঘাটা মোড়। কেক কেটে সঙ্গীতের মাধ্যমে দিনটি পালন করেন খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা। আপার বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সঞ্জীব সিনহা জানান, ২ জানুয়ারি পর্যন্ত এই আলো থাকবে।
বড়দিন উপলক্ষ্যে সেজে উঠেছে তিস্তাপাড়ের শহর জলপাইগুড়িও। শহরের প্রধান রাস্তাগুলি সাজানো হয়েছে রঙিন আলোরমালায়। সেজে উঠেছে গির্জাগুলি। বাড়ি বাড়ি ঘুরছে ক্যারল গানের দল। কেকের পাশাপাশি ক্রিসমাস ট্রি, সান্তার টুপি কিনতে ছিল দোকানে দোকানে ভিড়। একইসঙ্গে দিনভর চলে কার্নিভালের প্রস্তুতি। কাল, বৃহস্পতিবার শহরের সেন্ট মাইকেল অ্যান্ড অল এঞ্জেল চার্চে অনুষ্ঠিত হবে বড়দিনের কার্নিভাল। তাই সেখানে পুরোদমে চলে অনুষ্ঠানের মহড়া। বড়দিনের আগেই দেড়শো বছরের প্রাচীন ওই চার্চে ভিড় জমতে শুরু করেন অনেকে। জলপাইগুড়ি শহরে বড়দিনের কার্নিভালের এবার দ্বিতীয়বর্ষ। প্রশাসনের উদ্যোগে এই কার্নিভালের আয়োজন। শহরের ছ’টি চার্চ অংশ নিচ্ছে কার্নিভালে। কাল বিকেলে সমাজপাড়া মোড় থেকে শুরু হবে কার্নিভালের শোভাযাত্রা।
আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবারই জেলা শহরে বড়দিনের কার্নিভালের সূচনা হয়েছে। বেলুন ও রঙিন আলোরমালায় সেজে উঠেছে শহরের লাইফ লাইন একমুখী বক্সা ফিডার রোডের কলেজ হল্ট থেকে মাধব মোড় পর্যন্ত ২০০ মিটার রাস্তার একপাশ। সন্ধ্যায় বড়দিনের কার্নিভালের সূচনা করেন জেলাশাসক আর বিমলা। উপস্থিত ছিলেন পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী। কার্নিভালে ৫০টি ফুডস্টলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আয় বাড়াতে স্থানীয় মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে ফুডস্টল দেওয়ার বরাত দেওয়া হয়েছে। আজ, বুধবারও এই কার্নিভাল চলবে। এদিকে, বড়দিন উপলক্ষ্যে কালচিনি, মাদারিহাট ও কুমারগ্রামে গির্জাগুলি মঙ্গলবার থেকেই সেজে উঠেছে।
ফালাকাটা রোডে ধূপগুড়ির গার্লস কলেজের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে মহকুমা প্রশাসনের তরফে বড়দিন পালন করা হয় মঙ্গলবার। কেকে কাটেন জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শমা পারভীন, ছিলেন পুলিস সুপার খণ্ডবাহলে উমেশ গণপত সহ ধূপগুড়ির মহকুমা শাসক পুষ্পা দোলমা লেপচা।



