সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রূপশ্রী প্রকল্পের টাকা পাইয়ে দিতে বিবাহিত মহিলাদের ‘অবিবাহিত’ শংসাপত্র দেওয়ার অভিযোগ উঠল খোদ পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। নলহাটি-২ ব্লকের ভদ্রপুর পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা বুধবার প্রমাণ সহ বিডিওর কাছে অভিযোগ জানান। বৃহস্পতিবার জেলাশাসক ও জেলার পুলিস সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন তাঁরা। অভিযোগ, অর্থের বিনিময়ে বিবাহিত মহিলাদের অবিবাহিত শংসাপত্র দিয়েছেন প্রধান। যদিও তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের প্রধান তুহিনা বিবি বলেন, মিথ্যা অভিযোগ। আমার সই নকল করা হয়েছে। শংসাপত্রে সই রয়েছে পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক কবিরুল মণ্ডলের। তিনি অবশ্য বলেন, সরেজমিনে তদন্তে যাওয়া হয়েছিল। ওই মহিলারা যে অবিবাহিত তা প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন। তদন্তে সেই প্রতিবেশীরও সই রয়েছে। প্রতিবেশীরা মিথ্যা কথা বললে কী করার আছে?
Advertisement
জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, সরকারি কোনও প্রকল্পে বেনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্প্রতি ময়ূরেশ্বর-১ ব্লকের দক্ষিণগ্রামের এক ব্যক্তি তাঁর বছর ১৫-র নাবালিকা মেয়ের জাল সার্টিফিকেট তৈরি করে ১৮ বছর বয়স দেখিয়ে রূপশ্রী প্রকল্পের টাকা চেয়ে আবেদন করেন। বিষয়টি সামনে আসতেই জেলাশাসক প্রতিটি ব্লকের বিডিওদের সতর্ক করেন। উপভোক্তার নামের তালিকা ধরে খোঁজখবর করে প্রকৃত প্রাপক কি না সেব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পরই অর্থ অনুমোদনের জন্য রাজ্যে নাম পাঠাতে নির্দেশ দেন। এবার এই চক্রে নাম জড়াল ভদ্রপুর-২ পঞ্চয়েতের প্রধানের।
ওই পঞ্চায়েতের মোস্তাফা ডাঙাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আজাকার আলি, সুজন শেখ, রহুল শেখ, মহম্মদ সফিউদ্দিন শেখদের অভিযোগ, প্রধান অর্থের বিনিময়ে বিবাহিত মহিলাদের ‘অবিবাহিত’ শংসাপত্র দিয়েছেন। যাদের অনেকের ২০২১ সালে, কারও আবার চার-পাঁচ মাস আগে বিয়ে হয়েছে। তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রির কাগজ সহ অভিযোগ করা হয়েছে। সরকারি টাকা অপচয় বন্ধ করার পাশাপাশি তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা। অভিযোগপত্রের সঙ্গে ২০জন মহিলার অবিবাহিত শংসাপত্র ও তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রির কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। শংসাপত্রগুলিতে গ্রামের সদস্য, প্রধান ও নির্মাণ সহায়কের সিল ও সই রয়েছে। বিডিও রজতরঞ্জন দাস বলেন, অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্ত করে দেখছি। তবে এবারই প্রথম নয়, ২০২২ সালে এই ব্লকে রূপশ্রী প্রকল্পের জালিয়াতির চক্র সামনে এসেছিল। বিবাহিত মহিলাকে নববধূ সাজিয়ে, আবার কোথাও স্বামীকে পাত্র দেখিয়ে কার্ড ছাপিয়ে আবেদন করে রূপশ্রী প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করার অভিযোগ ওঠে। তদন্তে নেমে প্রশাসনিক কর্তারা উপভোক্তাদের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করেন। যদিও গ্রেপ্তারি এড়াতে ৪৫জন সরকারকে টাকা ফেরত দেন। সেইসঙ্গে ব্লকের রূপশ্রী প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা দুই চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছিলেন জেলাশাসক। দু’বছরের মাথায় ফের এই ব্লকে একই অভিযোগ ওঠায় সরকারি প্রকল্পে প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী, সরেজমিনে তদন্তে এসে এই ধরনের সার্টিফিকেট দেওয়ার কথা। সেটা কতটা মানা হয়েছে, তা দেখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা।
সম্প্রতি ময়ূরেশ্বর-১ ব্লকের দক্ষিণগ্রামের এক ব্যক্তি তাঁর বছর ১৫-র নাবালিকা মেয়ের জাল সার্টিফিকেট তৈরি করে ১৮ বছর বয়স দেখিয়ে রূপশ্রী প্রকল্পের টাকা চেয়ে আবেদন করেন। বিষয়টি সামনে আসতেই জেলাশাসক প্রতিটি ব্লকের বিডিওদের সতর্ক করেন। উপভোক্তার নামের তালিকা ধরে খোঁজখবর করে প্রকৃত প্রাপক কি না সেব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পরই অর্থ অনুমোদনের জন্য রাজ্যে নাম পাঠাতে নির্দেশ দেন। এবার এই চক্রে নাম জড়াল ভদ্রপুর-২ পঞ্চয়েতের প্রধানের।
ওই পঞ্চায়েতের মোস্তাফা ডাঙাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আজাকার আলি, সুজন শেখ, রহুল শেখ, মহম্মদ সফিউদ্দিন শেখদের অভিযোগ, প্রধান অর্থের বিনিময়ে বিবাহিত মহিলাদের ‘অবিবাহিত’ শংসাপত্র দিয়েছেন। যাদের অনেকের ২০২১ সালে, কারও আবার চার-পাঁচ মাস আগে বিয়ে হয়েছে। তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রির কাগজ সহ অভিযোগ করা হয়েছে। সরকারি টাকা অপচয় বন্ধ করার পাশাপাশি তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা। অভিযোগপত্রের সঙ্গে ২০জন মহিলার অবিবাহিত শংসাপত্র ও তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রির কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। শংসাপত্রগুলিতে গ্রামের সদস্য, প্রধান ও নির্মাণ সহায়কের সিল ও সই রয়েছে। বিডিও রজতরঞ্জন দাস বলেন, অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্ত করে দেখছি। তবে এবারই প্রথম নয়, ২০২২ সালে এই ব্লকে রূপশ্রী প্রকল্পের জালিয়াতির চক্র সামনে এসেছিল। বিবাহিত মহিলাকে নববধূ সাজিয়ে, আবার কোথাও স্বামীকে পাত্র দেখিয়ে কার্ড ছাপিয়ে আবেদন করে রূপশ্রী প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করার অভিযোগ ওঠে। তদন্তে নেমে প্রশাসনিক কর্তারা উপভোক্তাদের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করেন। যদিও গ্রেপ্তারি এড়াতে ৪৫জন সরকারকে টাকা ফেরত দেন। সেইসঙ্গে ব্লকের রূপশ্রী প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা দুই চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছিলেন জেলাশাসক। দু’বছরের মাথায় ফের এই ব্লকে একই অভিযোগ ওঠায় সরকারি প্রকল্পে প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী, সরেজমিনে তদন্তে এসে এই ধরনের সার্টিফিকেট দেওয়ার কথা। সেটা কতটা মানা হয়েছে, তা দেখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা।



