সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: লোকসভা ভোটে মালদহের দু’টি আসনেই পরাজিত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মালদহের আসনগুলি পেতে আত্মবিশ্বাসী মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মালদহ জেলাজুড়ে মহিলা তৃণমূল ভোট করে দেখাবে। মঙ্গলবার জেলা মহিলা তৃণমূলের উদ্যোগে গাজোলের অন্নদাশঙ্কর সদনে সম্মেলন হল। এই সম্মেলনের নাম দেওয়া হয় ‘আলাপচারিতা’। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য মহিলা তৃণমূলের সহ সভানেত্রী অর্পিতা ঘোষ। তিনি দলের মহিলা কর্মীদের কাছে ভোটের দায়িত্বের বার্তা পৌঁছে দেন। বিশেষ করে বুথস্তরের মহিলা তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরকারের উন্নয়নমুখী প্রকল্পগুলি তুলে ধরে মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার পরামর্শ দেন। এদিন মঞ্চ থেকে তিনি ‘দিদি’ নামে একটি বই প্রকাশ করেন।
Advertisement
অর্পিতা বলেন, জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি, গ্রাম পঞ্চায়েত সহ তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের জনসংযোগ সহ একাধিক দায়িত্ব নিতে হবে। মালদহে তৃণমূল শক্তিশালী। জেলা পরিষদ থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত, সব ক্ষেত্রেই আমাদের সিংহভাগ জনপ্রতিনিধি রয়েছে। এত জনপ্রতিনিধি থাকা সত্ত্বেও জেলা সহ গাজোলের ফল ভালো হবে না কেন? এটা পর্যালোচনা হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, জেলায় মহিলা ভোটার সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশ। আমাদের উপর ভোট নির্ভর করবে। ময়দানে আমাদের নিজস্বতা পুরো দিতে হবে। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোট এবার আমরা করে দেখাব। কারণ মহিলারা বিশ্বাসী হয়। এক অপরের পাশে থাকতে হবে। দিদি আমাদের জন্য আছেন। আমরা দিদির পাশে আছি।
এদিনের সম্মেলনে দলের মহিলা কর্মী-সমর্থকদের ভিড় উপচে পড়ে। সম্মেলনের উপস্থিত ছিলেন মালদহ জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী সাগরিকা সরকার, জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ, ইংলিশবাজার পুরসভার কাউন্সিলার চৈতালি ঘোষ সরকার সহ ১৫টি ব্লকের মহিলা তৃণমূলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রীরা। সংগঠনের জেলা সভানেত্রী সাগরিকা সরকার বলেন, আমরা লোকসভা ভোটে দু’টি সিটই হেরেছি। আমরা রাজ্যের মিটিংয়ে নেত্রীর কাছে বকা খেয়েছি। কিছু শিখেছি। গত ভোট মহিলা ভোট ভালো পেয়েছি। নেত্রী আরও ভালো করতে বলেছেন। আমরা তা ধরে রাখলে বিধানসভা ভোটে আমরা জেলার ১২টি আসনই পাব।



