নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিধাননগর পুরসভার আওতাধীন এলাকার সমস্ত বেআইনি হোর্ডিং ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। তারপর থেকে বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না। ইতিমধ্যে অভিযোগ উঠেছে, কলকাতা পুরসভার আওতাভুক্ত একটি বড় সাইজের এলইডি হোর্ডিং ভেঙে ফেলেছে বিধাননগর পুরসভা। এই ঘটনায় রীতিমতো অসন্তুষ্ট কলকাতা পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগ বিধাননগর পুরসভাকে চিঠি পাঠিয়ে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। এবার একটি বিজ্ঞাপন সংস্থার সাতটি বৈধ হোর্ডিং ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিধাননগর পুরসভার বিরুদ্ধে। অগত্যা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ‘আউটডোর অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশন’ নামে ওই সংস্থাটি।
Advertisement
তাদের অভিযোগ, সেচদপ্তরের থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়ে হোর্ডিংগুলি লাগানো হলেও সেগুলি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, সমস্ত বেআইনি হোর্ডিং সরাতে ১৭ ফ্রেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিধাননগর পুরসভাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ওই বৈঠকে মামলাকারী সংস্থার তিন প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে তাঁদের বক্তব্য জানাতে পারবেন। মিটিংয়ে কী আলোচনা হল, তার বিস্তারিত তথ্য আদালতে জমা দিতে হবে।
এর আগে সল্টলেকে বেআইনি হোর্ডিং নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। হিসেব অনুযায়ী, বিধাননগর পুরসভা এলাকায় ১৩৫টি হোর্ডিং থাকার কথা। অভিযোগ, এই মুহূর্তে সল্টলেকে হোর্ডিংয়ের সংখ্যা প্রায় ২৫০০। ওই মামলায় গত বছর নভেম্বর মাসে সমস্ত বেআইনি বিজ্ঞাপন সরাতে নির্দেশ দিয়েছিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। কিন্তু তারপরও জটিলতা দেখা দেয়। অভিযোগ ওঠে, যাদের বৈধ লাইসেন্স রয়েছে, তাদের হোর্ডিংও সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে ফের একাধিক মামলা হয়।
এর আগে সল্টলেকে বেআইনি হোর্ডিং নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। হিসেব অনুযায়ী, বিধাননগর পুরসভা এলাকায় ১৩৫টি হোর্ডিং থাকার কথা। অভিযোগ, এই মুহূর্তে সল্টলেকে হোর্ডিংয়ের সংখ্যা প্রায় ২৫০০। ওই মামলায় গত বছর নভেম্বর মাসে সমস্ত বেআইনি বিজ্ঞাপন সরাতে নির্দেশ দিয়েছিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। কিন্তু তারপরও জটিলতা দেখা দেয়। অভিযোগ ওঠে, যাদের বৈধ লাইসেন্স রয়েছে, তাদের হোর্ডিংও সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে ফের একাধিক মামলা হয়।



