সংবাদদাতা, রামপুরহাট: অধিগ্রহণ করা জমি পড়েছিল প্রায় ২৮ বছর। অবশেষে সেই জমি ব্যবহার করে বাইপাস তৈরির উদ্যোগ নিল প্রশাসন। কুখ্যাত যানজট থেকে মুরারইকে মুক্ত করতে ১৯৯৬ সাল থেকে মুরারইয়ে বাইপাস তৈরির জন্য শুরু হয়েছিল জমি অধিগ্রহণ। ২০০১ সাল পর্যন্ত চলে অধিগ্রহণের কাজ। ঠিক হয়েছিল, রূপরামপুর মোড় থেকে শুরু হয়ে দর্পনারায়ণপুর হয়ে ভাদীশ্বরের সিনেমা হলের কাছে বোলপুর-রাজগ্রাম রাস্তার সঙ্গে মিশবে বাইপাস। কিন্তু কয়েকজন জমিদাতা জমির দাম নিয়ে বেঁকে বসেন। মামলা হয়। ২০১৯ সালে মামলাকারীদের বুঝিয়ে বাইপাস নির্মাণের উদ্যোগ নেয় ব্লক প্রশাসন। অধিগৃহিত জমির সীমানা নির্ধারণ করে খুঁটি পুঁতে দেওয়া হয়। প্রায় সাড়ে চার কিমি রাস্তা নির্মাণের জন্য পাঁচশোর বেশি মানুষ জমি দিয়েছিলেন। জমির সীমানা নির্ধারণ করে পিডব্লুডির হাতে তুলেও দেওয়া হয়। কিন্তু তারপর আর বাইপাস নিয়ে হেলদোল দেখা যায়নি প্রশাসনের। অধিগৃহিত জমির উপর দিব্যি চলছিল চাষাবাদ। সম্প্রতি বিধায়ক মোশারফ হোসেন সেই বাইপাস নির্মাণে উদ্যোগী হয়েছেন। তিনি বেঁকে বসা জমিদাতাদের রাজি করিয়েছেন। চলতি বছরের শুরুতে প্রশাসনের উপস্থিতিতে জমি পরিদর্শনও করেন তিনি।
Advertisement
যাঁরা সেই সময়ে জমির দাম নেননি, তেমন ৫৭ জনের তালিকা তৈরি করেছে প্রশাসন। মুরারই ১ ব্লকের বিডিও বীরেন্দর অধিকারি বলেন, ২০০০ সালে যাঁরা ক্ষতিপূরণ নেননি, তাঁদের টাকা আমরা দেব। সেইমতো জমিদাতাদের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
কী কী ডকুমেন্ট নিয়ে তাঁদের আসতে হবে সেসব বলা হয়েছে। তাঁদের টাকা দেওয়ার কাজ হলেই বাইপাস নির্মাণ শুরু হবে। বিধায়ক বলেন, জমির সমস্যা মিটে গিয়েছে। বাকিদের টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে প্রশাসন। খুব শীঘ্রই বাইপাস নির্মাণ শুরু হবে। তিনি বলেন, রেল গেটের অদূর আন্ডারপাসের কাজ শেষ পর্যায়ে। পাশাপাশি বাইপাস হলে মুরারইয়ের যানজট সমস্যা মিটবে।
উল্লেখ্য, যানজটে ফেঁসে যাওয়া মুরারইয়ের মানুষের প্রতিদিনের রুটিন। ২০১১ সালের হিসেবে, মুরারই ১ ব্লকের জনসংখ্যা ১ লক্ষ ৯০ হাজার ৮০২। এখন সংখ্যাটা প্রায় আড়াই লক্ষের কাছাকাছি পৌঁছেছে ধরেই নেওয়া যায়।
ঝাড়খণ্ড ও মুর্শিদাবাদ লাগোয়া বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে মুরারইয়ের গুরুত্ব রয়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষের চাপ থাকে এখানে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে দোকানপাট, যানবাহন। রয়েছে টোটো ও অটোর উৎপাত। অবধারিত ভাবে বেড়েছে যানজটও। মুরারইয়ের উপর দিয়ে গিয়েছে বর্ধমান সাহেবগঞ্জ লুপ লাইন। অধিকাংশ সময় রেলগেট পড়ে থাকায় দু’ দিকে যানবাহন দাঁড়িয়ে যায়। তাছাড়া যানজটের অন্যতম কারণ অপরিসর রাস্তা। রোগী সমেত অ্যাম্বুল্যান্সও দাঁড়িয়ে পড়ে সেই যানজটে। সব মিলিয়ে যানজটে জেরবার এলাকার মানুষ। সেই সমস্যা থেকে এবার মুক্তি পেতে চলেছে মানুষ।
কী কী ডকুমেন্ট নিয়ে তাঁদের আসতে হবে সেসব বলা হয়েছে। তাঁদের টাকা দেওয়ার কাজ হলেই বাইপাস নির্মাণ শুরু হবে। বিধায়ক বলেন, জমির সমস্যা মিটে গিয়েছে। বাকিদের টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে প্রশাসন। খুব শীঘ্রই বাইপাস নির্মাণ শুরু হবে। তিনি বলেন, রেল গেটের অদূর আন্ডারপাসের কাজ শেষ পর্যায়ে। পাশাপাশি বাইপাস হলে মুরারইয়ের যানজট সমস্যা মিটবে।
উল্লেখ্য, যানজটে ফেঁসে যাওয়া মুরারইয়ের মানুষের প্রতিদিনের রুটিন। ২০১১ সালের হিসেবে, মুরারই ১ ব্লকের জনসংখ্যা ১ লক্ষ ৯০ হাজার ৮০২। এখন সংখ্যাটা প্রায় আড়াই লক্ষের কাছাকাছি পৌঁছেছে ধরেই নেওয়া যায়।
ঝাড়খণ্ড ও মুর্শিদাবাদ লাগোয়া বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে মুরারইয়ের গুরুত্ব রয়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষের চাপ থাকে এখানে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে দোকানপাট, যানবাহন। রয়েছে টোটো ও অটোর উৎপাত। অবধারিত ভাবে বেড়েছে যানজটও। মুরারইয়ের উপর দিয়ে গিয়েছে বর্ধমান সাহেবগঞ্জ লুপ লাইন। অধিকাংশ সময় রেলগেট পড়ে থাকায় দু’ দিকে যানবাহন দাঁড়িয়ে যায়। তাছাড়া যানজটের অন্যতম কারণ অপরিসর রাস্তা। রোগী সমেত অ্যাম্বুল্যান্সও দাঁড়িয়ে পড়ে সেই যানজটে। সব মিলিয়ে যানজটে জেরবার এলাকার মানুষ। সেই সমস্যা থেকে এবার মুক্তি পেতে চলেছে মানুষ।



