সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: হাসপাতালে কর্তব্যরত পুলিসকর্মীকে মারধরের ঘটনায় বিধায়কের চালকের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা দায়ের হল। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম বিপুল হাজরা (৪০), বাড়ি বুনিয়াদপুর পুরসভার শিবপুর এলাকায়। মঙ্গলবার বংশীহারি রশিদপুর হাসপাতাল চত্বরে বিপুল তার স্ত্রীর উপর চড়াও হয়। সেই সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিসকর্মীরা তাকে বাধা দিলে হামলা চালায় বিপুল। বিজেপি বিধায়ক সত্যেন রায়ের চালকের মারে রক্তাক্ত হন এএসআই বিজয় তামাং ও কনস্টেবল মহিদুল মণ্ডল। বিজয় গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদিন বংশীহারি থানার পুলিস বিধায়কের চালকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তুললে বিচারক ১৪ দিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, বিপুল তার স্ত্রীকে বেঁধে বাড়িতে মারধর করছিল। এমন খবর পেয়ে বধূকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। ধৃত হাসপাতালে গিয়েও তাণ্ডব চালায়। তখন বাধা দিলে পুলিসকে মারধর করা হয়।
গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিস আধিকারিক দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের একজন এএসআই ও এক কনস্টেবলকে মারধর করেছে ধৃত। তার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্ত চলছে।
বিধায়ক সত্যেন রায় বলেন, আমি বিজেপি বিধায়ক বলে পুলিস একটু বেশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে দেখছি। চালক মদ খেয়ে পুলিসকে ধাক্কাধাক্কি করেছে। আমার গাড়ির চালক বলে কাউকে খুন করতে যাবে, বিশ্বাস করি না। এটা পুলিস বাড়াবাড়ি করছে। ওই চালককে কাজ থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছি। পাল্টা জেলা তৃণমূল সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, বিধায়কের গাড়ির চালক পুলিসকে মারধর করে রক্তাক্ত করলে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করবে না, এটা হতে পারে না। আইন আইনের পথে চলবে। সে তিনি যে প্রভাবশালীর গাড়ির চালক হোন না কেন।
গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিস আধিকারিক দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের একজন এএসআই ও এক কনস্টেবলকে মারধর করেছে ধৃত। তার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্ত চলছে।
বিধায়ক সত্যেন রায় বলেন, আমি বিজেপি বিধায়ক বলে পুলিস একটু বেশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে দেখছি। চালক মদ খেয়ে পুলিসকে ধাক্কাধাক্কি করেছে। আমার গাড়ির চালক বলে কাউকে খুন করতে যাবে, বিশ্বাস করি না। এটা পুলিস বাড়াবাড়ি করছে। ওই চালককে কাজ থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছি। পাল্টা জেলা তৃণমূল সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, বিধায়কের গাড়ির চালক পুলিসকে মারধর করে রক্তাক্ত করলে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করবে না, এটা হতে পারে না। আইন আইনের পথে চলবে। সে তিনি যে প্রভাবশালীর গাড়ির চালক হোন না কেন।



