Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বুধবার থেকে চোপড়ায় শুরু দলুয়া মেলা, থাকছে সিসি ক্যামেরা, পার্কিং জোন

বুধবার থেকে চোপড়ায় শুরু দলুয়া মেলা, থাকছে সিসি ক্যামেরা, পার্কিং জোন
  • ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, চোপড়া: মাঘীপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে চোপড়ার ঐতিহ্যবাহী দলুয়া মেলা। যা বার্ণী মেলা নামেও পরিচিত। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পরিদর্শনে আসেন ডিএসপি রাহুল বর্মন এবং চোপড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জিয়ারুল রহমান। শতাব্দী প্রাচীন এই মেলা নিয়ে বরাবরই উত্সাহ রয়েছে এলাকায়। এই মেলার এবার ১৩৯তম বর্ষ। মাঘীপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রতিবছর মাঘ মাসের পূর্ণিমাতে মেলা শুরু হয়। মেলার উদ্যোক্তাদের সূত্রে জানা যায়, সেদিন রাতে পুজো শুরু হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি মেলা বসবে। মেলার সামগ্রী নিয়ে ব্যবসায়ীরা এসে গিয়েছেন। দূরদূরান্ত থেকে দোকানপাট ও সাধু-সন্তরা উপস্থিত হয়েছেন। মেলা ও মন্দির কমিটির সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেছে পুলিস। এবার মেলা চত্বরে সিসিক্যামেরা, ড্রোন ও পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখা হবে। যানজট সামলাতে মেলা চত্বর থেকে খানিকটা দূরে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। তাছাড়া টোটো ও চারচাকা গাড়ি মেলা চত্বরে প্রবেশ নিষিদ্ধ। মাঘ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পুণ্যার্থীরা চোপড়ার ডাউক নদীতে পুণ্যস্নান করে দলুয়া মেলার শিবমন্দির, রাধাগোবিন্দ মন্দির এবং মগর বাহিনী মা গঙ্গা মন্দিরে পুজো দেন। কথিত আছে মাঘ মাসের পূর্ণিমায় ভক্তরা গঙ্গা স্নান করলে সব পাপ থেকে মুক্ত হন। কাছাকাছি গঙ্গা না থাকায় চোপড়া এলাকার মানুষ ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ধার দিয়ে প্রবাহিত ডোক নদীর উত্তরবাহিনী জলে পূণ্যস্নান সারেন। 
Advertisement
শতাব্দীপ্রাচীন এই মেলায় উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা সহ প্রতিবেশী রাজ্য বিহার এবং নেপাল থেকে প্রচুর ভক্ত এই মেলায় আসেন। দূরদূরান্ত থেকে রকমারি পসরা নিয়ে দোকানিরা বসেন। এছাড়াও মেলায় আসে নাগরদোলা, ব্রেকডান্স, ড্রাগন ট্রেন। স্থানীয় প্রবীণ নাগরিকরা জানান, আগে এই মেলা একমাস ধরে চলত। এখনচলে মাত্র দু-তিনদিন। স্থানীয়রা বলেন, প্রাচীন এই মেলাটি বাঁচিয়ে রাখার জন্য কাঁচারাস্তাগুলি পাকা করা ও মেলায় আলোর ব্যবস্থা করা এবং পর্যাপ্ত জলের ব্যবস্থা করার প্রয়োজন। এই মেলার প্রতিষ্ঠাতা স্বর্গীয় পাহাড় সিংহ সাধুর উত্তরসূরি কমলেশ সিংহ জানান, পানীয় জল, শৌচালয় ও রাস্তা মেরামত গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে করা হয়েছে। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান জানিয়েছেন,পুণ্যার্থীদের জন্য পানীয় জল, শৌচালয় সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভিড় সামাল দিতে সবরকমের সহযোগিতা গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে করা হয়েছে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ