নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: তেইশ বছরের শবর যুবক সূরজ কোটাল প্রেমে পড়েছিলেন। বিধবার সঙ্গে ওই যুবকের প্রেম স্থানীয়দের একাংশ মেনে নিতে পারেনি। এলাকা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ঢেকিপুড়ার জঙ্গলে মেরে পুঁতে দেওয়া হয়েছিল। নিখোঁজ হওয়ার পনেরো দিন পর পচাগলা দেহটি মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়েছিল। ঝাড়গ্রাম থানার সাপধরা গ্ৰাম পঞ্চায়েতের পুকুরিয়া গ্ৰামে ২০২৩ সালে ঘটে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি। সোমবার ঝাড়গ্রাম আদালত খুনে দোষী সাব্যস্ত ৮ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল।
Advertisement
২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে সূরজ নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল। বাবা শশধর কোটাল দু’ দিন পরে ঝাড়গ্রাম থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তদন্তে নেমে পুলিস স্থানীয় এক যুবকের থেকে প্রাথমিক তথ্য পায়। সেই সূত্র ধরে প্রথমে গ্ৰামের বাসিন্দা চুনারাম মল্লিক ও কালু মল্লিককে গ্ৰেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিস জানতে পারে, ঢেকিপুড়ার জঙ্গলে একটি কাজু বাদামের নীচে সূরযের দেহ পোঁতা আছে। ঘটনার পনের দিন পর ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিস মাটি খুঁড়ে সূরযের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে। এরপরেই ঘটনায় যুক্ত গৌতম মৌল্লিক, সঞ্জয় কোটাল, পুন্টু মল্লিক, দুর্গা ভোক্তো ও অজিত মল্লিককে গ্ৰেপ্তার করা হয়। পুলিসের পক্ষ থেকে স্পেশ্যাল টিম গঠন করা হয়। তেইশ সালের জুলাই মাসে পুলিস চার্জশিট জমা দেয়। মামলায় ২১ জন সাক্ষী দেন।
তদন্তকারী দলের এক সদস্য বলেন, প্রথমে সাধারণ নিখোঁজ মামলা মনে হয়েছিল। গোপন সূত্রে খবর আসে, সাপধরার এক যুবক নেশাগ্ৰস্ত অবস্থায় এক যুবককে খুন করে মাটিতে পুঁতে দেওয়ার কথা বলেছে। এরপরেই তদন্তে গতি বাড়ানো হয়। গ্ৰেপ্তার করা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেই খুনের ঘটনা সামনে আসে। এই মামলায় ডিএনএ প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। নিহত যুবকের বাবা বাবা শশধর কোটাল সাজা শুনে বলেন, বিচার পেয়ে ভালো লাগছে। স্পেশাল পিপি ঝাড়গ্রাম কুণালকান্তি ঘোষ বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে সাজা ঘোষণা হয়েছে। একসঙ্গে আটজনের সাজা পাওয়া নিঃসন্দেহে দৃষ্টান্তমূলক ঘটনা। ঝাড়গ্রামের এসপি অরিজিৎ সিনহা বলেন, ঝাড়গ্রাম থানা ও তদন্তকারী টিমের সমন্বয়ে এই মামলায় সাফল্য এসেছে। দোষীরা সকলেই সাজা পেয়েছে।
তদন্তকারী দলের এক সদস্য বলেন, প্রথমে সাধারণ নিখোঁজ মামলা মনে হয়েছিল। গোপন সূত্রে খবর আসে, সাপধরার এক যুবক নেশাগ্ৰস্ত অবস্থায় এক যুবককে খুন করে মাটিতে পুঁতে দেওয়ার কথা বলেছে। এরপরেই তদন্তে গতি বাড়ানো হয়। গ্ৰেপ্তার করা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেই খুনের ঘটনা সামনে আসে। এই মামলায় ডিএনএ প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। নিহত যুবকের বাবা বাবা শশধর কোটাল সাজা শুনে বলেন, বিচার পেয়ে ভালো লাগছে। স্পেশাল পিপি ঝাড়গ্রাম কুণালকান্তি ঘোষ বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে সাজা ঘোষণা হয়েছে। একসঙ্গে আটজনের সাজা পাওয়া নিঃসন্দেহে দৃষ্টান্তমূলক ঘটনা। ঝাড়গ্রামের এসপি অরিজিৎ সিনহা বলেন, ঝাড়গ্রাম থানা ও তদন্তকারী টিমের সমন্বয়ে এই মামলায় সাফল্য এসেছে। দোষীরা সকলেই সাজা পেয়েছে।



