সংবাদদাতা, করণদিঘি: বধূ নির্যাতনের অভিযোগে শ্বশুরবাড়ি এসে গণপিটুনি খেলেন জামাই। করণদিঘি থানার খিকিটোলা গ্ৰামের ঘটনা। আহত জামাই করণদিঘি গ্ৰামীণ হাসপাতালে ভর্তি। ১০ বছর আগে খিকিটোলার মেয়ে মুনমুন দাসের সঙ্গে বিয়ে হয় চাকুলিয়া থানার ভারনা গ্ৰামের যুবক সুভাষ দাসের। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক অশান্তি। মুনমুনের তিনটি সন্তান। বধূ মুনমুনের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্বামী মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরত। মারধর করত। একাধিকবার গ্ৰামে সালিশিসভাও বসে। তারপরও সুভাষের অত্যাচার কমেনি। ছ’মাস আগে বাধ্য হয়ে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে সন্তানের নিয়ে বাপের বাড়ি চলে আসেন মুনমুন। মঙ্গলবার দুপুরে শ্বশুরবাড়ি যান সুভাষ। সেখানে গিয়েও স্ত্রীকে গালিগালাজ করেন। এরপরই সুভাষকে বেঁধে মার দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বধূ নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে সুভাষ দাস বলেন, চাকুলিয়া থেকে রায়গঞ্জ যাওয়ার সময় খিকিটোলা বাইপাস জাতীয় সড়কে একটি চায়ের দোকান দাঁড়িয়ে ছিলাম। সেখান থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে নিয়ে যায়। স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সময় শাশুড়ি সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন মারধর করে। করণদিঘি থানার পুলিস জানিয়েছে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল। যুবকের স্ত্রী থানায় এসেছিলেন। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে পুলিস।



