সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: সন্তানের হাতে মা-কে খুন কাণ্ডে ময়নাগুড়ির শিঙিমারিতে এল ফরেনসিক দল। সোমবার অভিযুক্তকে নিয়ে পুলিস ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে। উদ্ধার করা হয়েছে ধারালো অস্ত্র। এদিন ঘটনার পুননির্মাণের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন ডিএসপি (ক্রাইম) শান্তিনাথ পাঁজা, ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ সহ অন্য আধিকারিকরা। ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে গিয়েছে।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, অভিযুক্তকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। তদন্তকারি পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে পাঁচদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
রবিবার ময়নাগুড়ির শিঙিমারিতে বৃদ্ধাকে খুন করার অভিযোগ ওঠে তারই ছোট ছেলের বিরুদ্ধে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, অভিযুক্ত ছোট ছেলের নাম বাপি রায়। অভিযুক্ত তার মা সুনীতি রায়কে (৬৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর পাশাপাশি দাদা দিলীপ রায়ের মাথাতেও কোপ মারে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। ঘটনার পরই বাড়ি সিল করে দিয়েছে পুলিস। অভিযুক্ত ব্যক্তি কোন ঘরে গিয়েছিল, কীভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাকে কোপ মেরেছিল, ধারালো অস্ত্র কোথায় রেখেছিল। সমস্ত কিছু এদিন অভিযুক্তকে নিয়ে পুনর্নির্মাণ করেন পুলিস আধিকারিকরা।
আবু আলম নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সুনীতি রায় পেনশন পেতেন। তার স্বামী স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। দু’জন ছেলে সেভাবে কোনও কাজ করেন না। সেই নিয়ে বাড়িতে রোজ অশান্তি বাঁধত। সামান্য চা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই ঝামেলার সূত্রপাত। মা দাদাকে কেন চা আগে দিয়েছিল, সেটা নিয়ে বচসা বাঁধে। আর সেই রোষেই ধারালো অস্ত্র নিয়ে মা এবং দাদার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে অভিযুক্ত।
রবিবার ময়নাগুড়ির শিঙিমারিতে বৃদ্ধাকে খুন করার অভিযোগ ওঠে তারই ছোট ছেলের বিরুদ্ধে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, অভিযুক্ত ছোট ছেলের নাম বাপি রায়। অভিযুক্ত তার মা সুনীতি রায়কে (৬৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর পাশাপাশি দাদা দিলীপ রায়ের মাথাতেও কোপ মারে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। ঘটনার পরই বাড়ি সিল করে দিয়েছে পুলিস। অভিযুক্ত ব্যক্তি কোন ঘরে গিয়েছিল, কীভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাকে কোপ মেরেছিল, ধারালো অস্ত্র কোথায় রেখেছিল। সমস্ত কিছু এদিন অভিযুক্তকে নিয়ে পুনর্নির্মাণ করেন পুলিস আধিকারিকরা।
আবু আলম নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সুনীতি রায় পেনশন পেতেন। তার স্বামী স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। দু’জন ছেলে সেভাবে কোনও কাজ করেন না। সেই নিয়ে বাড়িতে রোজ অশান্তি বাঁধত। সামান্য চা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই ঝামেলার সূত্রপাত। মা দাদাকে কেন চা আগে দিয়েছিল, সেটা নিয়ে বচসা বাঁধে। আর সেই রোষেই ধারালো অস্ত্র নিয়ে মা এবং দাদার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে অভিযুক্ত।



