নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: পুরনোকে বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে রাত জাগল খনি অঞ্চল পশ্চিম বধর্মান থেকে শস্যগোলা পূর্ব বর্ধমান। রাতে নতুন বছর শুরুর মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য অপেক্ষা করছিলেন বাসিন্দারা। বিশেষ এই রাতে পানশালা থেকে নামী রেস্তরাঁগুলি আলোয় ঝলমলিয়ে ওঠে। নাচ, গান, হুল্লোড়ে দুর্গাপুর, আসানসোল এবং বর্ধমান শহরের ভোল বদলে যায়। প্রিয়জনদের হাত ধরে কেউ ঘণ্টার পর ঘণ্টা নাচলেন আবার কেউ পানীয়ে গলা ভেজাতে ভেজাতে সুর তুলতে থাকেন। নিজেদের মতো করে তাঁরা রাত কাটালেন। ঘড়ির কাঁটা ১২টার ঘর ছুঁতেই শুরু হয়ে যায় নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পর্ব। প্রিয়জনদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ এর বার্তা পাঠানো হয়। কে আগে মেসেজ পাঠাবে, তার যেন প্রতিযোগিতা চলতে থাকে। রঙিন জগতে ভেসে থাকা অনেকেই সন্ধ্যার পর কখন ভোর নেমে এল, তা টের পেলেন না।
Advertisement
আনন্দ যাতে নিরানন্দে পরিণত না হয় তারজন্য পুলিসও তৎপর ছিল। কমিশনারেটের পুলিসকর্তারা যেমন রাত জেগেছিলেন তেমনই পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিসও সজাগ ছিল। বেপরোয়া বাইকের গতিকে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পূর্ব বর্ধমানের পুলিস সুপার সায়ক দাস বলেন, সন্ধ্যা থেকেই টহল বাড়ানো হয়। বিভিন্ন জায়গায় পুলিস গাড়ি চেকিং করে।
রাতভর বিশেষ পার্টি করতে দুই জেলার বাসিন্দারা নামী হোটেলের পাশাপাশি আউশগ্রাম এবং ওড়গ্রামের জঙ্গল বেছে নেন। জঙ্গলের ভিতর বিশেষ আয়োজন করা হয়। বর্ধমান শহরের বাসিন্দা কৃষ্ণেন্দু দাস বলেন, নতুন বছরকে বরণ করতে প্রতিবারই নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শুধু করোনার দু’টি বছর বাদ গিয়েছিল। তাছাড়া ৩১ডিসেম্বর রাতে পার্টি হয়নি এমন বছর নেই। তবে কখনোই লাগামছাড়াভাবে কিছু হয় না। আরেক টিনএজার বলেন, বিভিন্ন পানশালা এবং রেস্তরাঁগুলিতেও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এন্ট্রি-ফি দিয়ে সেগুলিতে ঢোকার সুযোগ পাওয়া গিয়েছিল। কোথাও দুই আবার কোথাও তিন হাজার টাকা দিয়ে ঢুকতে হয়।
বর্ধমানের পাশাপাশি ইস্পাতনগরী দুর্গাপুরও বছর শেষের রাতে জমজমাট হয়ে ওঠে। সন্ধ্যা থেকেই অনুষ্ঠান শুরু হয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই রঙিন জগতে ডুব দেন। আনন্দে মাতোয়ারা হওয়ায় অনেকে সুস্থভাবে বাড়ি ফিরতে পারেননি। বন্ধুরা তাঁদের গাড়িতে পাঠিয়ে দেন। আসানসোলের ছবিটাও একইরকম ছিল। তবে বর্ষশেষের রাতে দুই জেলা হুল্লোড়ে মাতলেও নতুন বছরের প্রথম দিনটি তাঁরা একটু অন্যরকমভাবে কাটাতে চান। এদিন সকাল থেকে মন্দিরগুলিতে ভক্তরা লাইন দেবেন। বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা, বড়মা, ক্ষীরগ্রামের যোগাদ্যা বা আসানসোলের কল্যাণেশ্বরী মন্দিরে পুজো দিয়ে অনেকেই নতুন বছর শুরু করবেন।
রাতভর বিশেষ পার্টি করতে দুই জেলার বাসিন্দারা নামী হোটেলের পাশাপাশি আউশগ্রাম এবং ওড়গ্রামের জঙ্গল বেছে নেন। জঙ্গলের ভিতর বিশেষ আয়োজন করা হয়। বর্ধমান শহরের বাসিন্দা কৃষ্ণেন্দু দাস বলেন, নতুন বছরকে বরণ করতে প্রতিবারই নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শুধু করোনার দু’টি বছর বাদ গিয়েছিল। তাছাড়া ৩১ডিসেম্বর রাতে পার্টি হয়নি এমন বছর নেই। তবে কখনোই লাগামছাড়াভাবে কিছু হয় না। আরেক টিনএজার বলেন, বিভিন্ন পানশালা এবং রেস্তরাঁগুলিতেও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এন্ট্রি-ফি দিয়ে সেগুলিতে ঢোকার সুযোগ পাওয়া গিয়েছিল। কোথাও দুই আবার কোথাও তিন হাজার টাকা দিয়ে ঢুকতে হয়।
বর্ধমানের পাশাপাশি ইস্পাতনগরী দুর্গাপুরও বছর শেষের রাতে জমজমাট হয়ে ওঠে। সন্ধ্যা থেকেই অনুষ্ঠান শুরু হয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই রঙিন জগতে ডুব দেন। আনন্দে মাতোয়ারা হওয়ায় অনেকে সুস্থভাবে বাড়ি ফিরতে পারেননি। বন্ধুরা তাঁদের গাড়িতে পাঠিয়ে দেন। আসানসোলের ছবিটাও একইরকম ছিল। তবে বর্ষশেষের রাতে দুই জেলা হুল্লোড়ে মাতলেও নতুন বছরের প্রথম দিনটি তাঁরা একটু অন্যরকমভাবে কাটাতে চান। এদিন সকাল থেকে মন্দিরগুলিতে ভক্তরা লাইন দেবেন। বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা, বড়মা, ক্ষীরগ্রামের যোগাদ্যা বা আসানসোলের কল্যাণেশ্বরী মন্দিরে পুজো দিয়ে অনেকেই নতুন বছর শুরু করবেন।



