নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও আরামবাগ: বর্ষবরণের রাতটা বন্ধুদের সঙ্গে দার্জিলিংয়ের পাহাড়েই কাটানোর ইচ্ছা ছিল শুভঙ্কর, স্নেহাদের। দু’মাস আগে যখন ট্রেনের টিকিট কাটতে যাবেন, তখনই টিকিট অমিল। সেদিন রাতেই তাঁরা ঠিক করে নেন, বর্ষবরণ হবে পাহাড়েই। তা সে দার্জিলিং না হলে অযোধ্যায়। সেদিনই অযোধ্যার হোটেলের টিকিট বুক করেন শুভঙ্কররা। মঙ্গলবার অযোধ্যায় এসে তাঁদের দাবি, ভাগ্যিস দু’মাস আগে হোটেলের টিকিট বুক করেছিলাম। না হলে অযোধ্যাটাও মিস হয়ে যেত!
Advertisement
মঙ্গলবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার মতো জঙ্গলমহলের জেলাগুলিও বর্ষবরণের উৎসবে টেক্কা দিল দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিকে। আরামবাগের মতো মহকুমা শহরেও বর্ষবরণের জাঁকজমক ছিল দেখার মতো। এদিন রাতে বিভিন্ন জায়গায় নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে হুল্লোড় করেন যুবক-যুবতীরা। অনেক জায়গাতেই পিকনিকের আয়োজন হয়। পুরুলিয়ার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রগুলি বর্ষবরণের রাতের ভিড় কার্যত এবছরের সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে। বিশেষত অযোধ্যার হোটেল, হোম স্টেগুলিতে ভিড় উপচে পড়েছিল। হোটেল মালিক সংগঠনগুলির দাবি, পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন হোটেল অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বহু হোটেল নামীদামি শিল্পী আনলেও পর্যটকেরা ছৌ, ঝুমুরের তালেই বর্ষবরণ বেশি পছন্দ করলেন। পর্যটকদের জন্য খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে সবকিছুতেই ছিল পুরুলিয়ার ঐতিহ্যের ছোঁয়া। মেনুতে ছিল শালপাতায় পোড়া মাংস, দেশি মুরগির ঝোল। জেলার হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহিত লাটা বলেন, বর্ষবরণের রাতে হোটেলগুলিতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। পর্যটকদের জন্য সবরকম আয়োজনই করা হয়েছিল।
বর্ষ বিদায়ের দিনে বাঁকুড়ার পর্যটন কেন্দ্রগুলি ভিড়ে ঠাসা ছিল। এদিন অনেকে পিকনিকও সারেন। মুকুটমণিপুর, শুশুনিয়া, বিহারীনাথ পাহাড় এলাকায় অনেকে ভিড় জমান। মন্দিরনগরী বিষ্ণুপুরেও এদিন পর্যটক সমাগম হয়। গত কয়েকদিনের তুলনায় এদিন বাঁকুড়ায় ঠান্ডা কিছুটা বেশি ছিল। ফলে শীতের মিঠে রোদ গায়ে মেখে অনেকেই পিকনিকে মাতেন। রাতের দিকে বিষ্ণুপুর, পাত্রসায়র, জয়পুরের বিভিন্ন হোটেলে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাঁকুড়া শহরের বাসিন্দা কুন্তল বন্দ্যোপাধ্যায়, সীমা রজক বলেন, পাড়ার বাসিন্দারা মিলে এদিন মুকুটমণিপুরে পিকনিক সারি। ১ জানুয়ারি ভিড় বেশি হয়। তা এড়ানোর জন্য বছরের শেষ দিনে পিকনিক করার পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু, এদিনও পর্যটন কেন্দ্রে ভালো ভিড় ছিল। এদিন আরামবাগ উৎসবেও ভিড় উপচে পড়ে। বর্ষবরণে যাতে কোনও ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেইজন্য পুলিসও ছিল তৎপর। এদিন পুলিস গোঘাটের গড় মান্দারণ পর্যটন কেন্দ্রের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখেন। তারসঙ্গে বিভিন্ন দুর্ঘটনা প্রবণ স্পটগুলি খতিয়ে দেখা হয়। বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে অনেকে বাড়িতেও বেলুন সাজিয়ে অনুষ্ঠান করেন।
বর্ষ বিদায়ের দিনে বাঁকুড়ার পর্যটন কেন্দ্রগুলি ভিড়ে ঠাসা ছিল। এদিন অনেকে পিকনিকও সারেন। মুকুটমণিপুর, শুশুনিয়া, বিহারীনাথ পাহাড় এলাকায় অনেকে ভিড় জমান। মন্দিরনগরী বিষ্ণুপুরেও এদিন পর্যটক সমাগম হয়। গত কয়েকদিনের তুলনায় এদিন বাঁকুড়ায় ঠান্ডা কিছুটা বেশি ছিল। ফলে শীতের মিঠে রোদ গায়ে মেখে অনেকেই পিকনিকে মাতেন। রাতের দিকে বিষ্ণুপুর, পাত্রসায়র, জয়পুরের বিভিন্ন হোটেলে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাঁকুড়া শহরের বাসিন্দা কুন্তল বন্দ্যোপাধ্যায়, সীমা রজক বলেন, পাড়ার বাসিন্দারা মিলে এদিন মুকুটমণিপুরে পিকনিক সারি। ১ জানুয়ারি ভিড় বেশি হয়। তা এড়ানোর জন্য বছরের শেষ দিনে পিকনিক করার পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু, এদিনও পর্যটন কেন্দ্রে ভালো ভিড় ছিল। এদিন আরামবাগ উৎসবেও ভিড় উপচে পড়ে। বর্ষবরণে যাতে কোনও ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেইজন্য পুলিসও ছিল তৎপর। এদিন পুলিস গোঘাটের গড় মান্দারণ পর্যটন কেন্দ্রের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখেন। তারসঙ্গে বিভিন্ন দুর্ঘটনা প্রবণ স্পটগুলি খতিয়ে দেখা হয়। বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে অনেকে বাড়িতেও বেলুন সাজিয়ে অনুষ্ঠান করেন।



