Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিদায় ২০২৪, স্বাগত ২০২৫:  বছর শেষে জমজমাট মুর্শিদাবাদ

বিদায় ২০২৪, স্বাগত ২০২৫:  বছর শেষে জমজমাট মুর্শিদাবাদ
  • ১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বছরের শেষ দিন সকাল থেকেই ফেস্টিভ মুডে সাবেক নবাবি মুলুক। একদিকে হাজার দুয়ারি, খোশবাগ, কাঠগোলাপ বাগানে পর্যটকের ভিড়, পাশাপাশি ভগীরথীর ধারে পিকনিকের জমায়েত। সব মিলিয়ে বছর শেষের আনন্দ চেটেপুটে উপভোগ করছে মানুষ। জেলার বিভিন্ন জায়গায় মেলা বসেছে। সেখানে বিকেল থেকেই হাজার হাজার মানুষের ভিড়। নিয়ন আলোয় সেলফিতে মজে সুবেশা যুবক-যুবতীরা। লালবাগের বেশ কিছু বাগানে এদিন চলে পিকনিক। জলঙ্গি, লালগোলা ও ভগবানগোলার নদীর চরেও জমিয়ে পিকনিক করেন অনেকে। সকাল থেকে মাংসের দোকানে উপচে পড়ে ভিড়। বছরের শেষ দিনে চুটিয়ে আনন্দ উপভোগ করছে আট থেকে আশি। অধিকাংশ বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা শেষ। ফলে সপরিবারে বেরিয়ে পড়তে বাধা নেই। 
Advertisement
বহরমপুরের বাসিন্দা কৌশিক সাহা বলেন, এ বছরের প্রথম পিকনিক করছি। আগে থেকে প্ল্যান করাই ছিল। তাই সকাল সকাল সবাইকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েছি। কান্দি, জঙ্গিপুর, ডোমকল, লালবাগ ও জিয়াগঞ্জের বিভিন্ন দোকান বাজার রঙিন আলোয় আলোকিত করে দেওয়া হয়। রাস্তায় নিরাপত্তার জন্য বাড়তি পুলিস মোতায়েন করা হয়েছে প্রত্যেক জায়গায়। এদিন সকাল থেকে মুর্শিদাবাদের টুরিস্ট স্পটগুলির পাশাপাশি বিভিন্ন পার্ক এবং গির্জাতে অতিরিক্ত পুলিস মোতায়েন করা হয়েছে। রাস্তায় উইনার্স টিমের পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিস টহল দেবে বলে জানা গিয়েছে। জেলা পুলিসের এক কর্তা বলেন, প্রতিটি থানা এলাকার দর্শনীয় স্থান ও পার্কে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। রবিবার রাত থেকে সেখানে পুলিস পাহারায় থাকছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য  জেলার সমস্ত দর্শনীয় স্থানে অতিরিক্ত পুলিস দেওয়া হয়েছে। পুলিসের পদস্থ আধিকারিকরাও রাস্তায় থাকবেন। 
বর্ষশেষের আনন্দের উদযাপনে শামিল রেস্তরাঁ এবং হোটেলগুলি। রঙিন আলো ও ক্রিসমাস ট্রি দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। আকর্ষণীয় বিভিন্ন অফারে ক্রেতাদের দোকানমুখী করতে চাইছেন সকলেই। অনেকেই এদিন ঘর সাজানোর জিনিস কিনতে বাজারমুখী হয়েছিলেন। গোরাবাজারের বাসিন্দা ইতু রায় ও বর্ণালী মুখোপাধ্যায় বলেন, নতুন বছরে ঘর সাজানোর জন্য দু’-একটা জিনিস কিনব। আগামী বছর যাতে ভালো কাটে, সেজন্য নতুন বছরের প্রথম দিন পুজো দিতে যাব। পুজোর জন্যও কিছুটা কেনাকাটা আছে।
বহরমপুরের বারাক স্কোয়ার ময়দানে খাদি মেলা ও বিষ্ণুপুর কালীমন্দিরের মাঠে একটি মেলায় এদিন সন্ধ্যা থেকে ভিড় জমিয়েছেন মানুষ। পাশাপাশি বহরমপুরের এফইউসি ময়দানে একটি খাদ্যমেলাও চলছে। সেখানেও এদিন অনেককে ভূরিভোজে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। খাদি মেলায় এসে কার্তিক পাত্র বলেন, বেতের জিনিস কিনলাম। খাদির কিছু জিনিসপত্র কিনব। সন্ধ্যা এখানে কাটিয়ে, রাতে রেস্টুরেন্টে খেয়ে বাড়ি ফিরব।
সম্পর্কিত সংবাদ