সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: বছরের শেষ দিনের আগে সোমবার শিবনিবাসে পুণ্যার্থীদের ভিড় উপচে পড়ল। শিবনিবাস মন্দিরে পুজো দিতে সারা বছর ধরেই ভক্তরা আসেন। শ্রাবণ মাসে পুণ্যার্থীদের ব্যাপক ভিড় হয়। এছাড়াও বিশেষ বিশেষ কিছুদিনে ভক্তরা তাঁদের মনোস্কামনা পূরণের জন্য পুজো দেন। প্রসঙ্গত, নদীয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের প্রতিষ্ঠিত শিবনিবাসের শিবলিঙ্গ। শতাব্দী প্রাচীন এই শিবমন্দিরে পুজো দিতে প্রত্যেক সোমবার ভিড় জমান ভক্তরা। শিবের মাথায় চূর্ণি নদী থেকে জল তুলে এনে ঢালেন ভক্তরা।
Advertisement
মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র ১৭৫৪ সালে রাজরাজেশ্বর নামে কষ্টিপাথরের এই শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করেন। শিবলিঙ্গের উচ্চতা প্রায় ন’ফুট ও প্রস্থে ২৬ ফুট। শিবলিঙ্গের মাথায় জল ঢালার জন্য ও প্রদক্ষিণ করে নামার জন্য সিঁড়িও রয়েছে। এদিন সকাল থেকেই শিবনিবাস মন্দিরের সামনে ভক্তদের লম্বা লাইন পড়ে যায়। রাজ আমলের রীতিনীতি মেনেই পুজো হয়ে আসছে। এক পুণ্যার্থী রুচিতা দত্ত বলেন, ইংরাজি বছর শেষের আগে সোমবার। তাই জন্মবারে শিবের মাথায় জল ঢাললাম। পুজোও দিলাম। এই মন্দিরের সেবাইত স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, একই সঙ্গে সোমবার এবং অমাবস্যা ছিল। তাই ইংরাজি বছর শেষের আগে পুজো দিতে ভক্তরা এসেছেন।



