Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি কাঁথির চৌরঙ্গি মোড় থেকে ৩ কিমি রাস্তার কাজ

বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি কাঁথির চৌরঙ্গি মোড় থেকে ৩ কিমি রাস্তার কাজ
  • ২ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, কাঁথি: কাঁথি শহরের চৌরঙ্গি মোড় থেকে দারুয়া মহকুমা হাসপাতাল প্রাঙ্গণ পর্যন্ত রাস্তার কাজ অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। সূচনার পর বছর ঘুরতে চললেও কাজ শেষ হয়নি। ২.৯ কিলোমিটার এই রাস্তার কাজ ধীরগতিতে চলায় মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। প্রতিনিয়ত ধুলো উঠছে। যাতায়াত করতে গিয়ে সাধারণ মানুষ নানাভাবে সমস্যায় পড়ছেন। অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার দাবি তুলেছেন তাঁরা।  
Advertisement
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি বেহাল ছিল। গতবছর রাস্তাটি সংস্কারে উদ্যোগী হয় পূর্তদপ্তর। এ‌জন্য ৫কোটি ৪৮লক্ষ ১৫হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। এরপর ৪ মার্চ রাস্তার কাজের সূচনা করেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক। কাজের বিবরণ সম্বলিত বোর্ডে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ৩০০দিনের মধ্যে কাজ শেষ হবে। কিন্তু এবছর ফেব্রুয়ারি মাস শেষ হয়ে গেলেও রাস্তার কাজ অনেকটাই বাকি। বিটুমিনাসের পরিবর্তে পেভার ব্লক দিয়ে রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হয়। এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় কিছু অংশে পেভার ব্লক বসেছে। বাকিটা বসেনি। তবে মল্লিকা সিনেমা হলের সামনে থেকে চৌরঙ্গি মোড় পর্যন্ত রাস্তার কাজ এখনও শুরুই হয়নি। এছাড়া কয়েকটি অংশের কাজ অসম্পূর্ণই রয়েছে। গতবছর বর্ষাকালের সময় কয়েকমাস কাজ বন্ধ ছিল। তারপর বছরের শেষের দিকে কাজ শুরু হলেও তা চলছে ধীরগতিতে। এদিকে এই পরিস্থিতিতে ভাঙাচোরা রাস্তায় উড়ছে ধুলো। কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে প্রতিনিয়ত কয়েক  হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। শুধু তাই নয়, আশপাশের পঞ্চায়েত এলাকার বহু মানুষের নিত্য যাতায়াত রয়েছে। রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যস্ততম। অটো, টোটো সহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে। অসমাপ্ত রাস্তায় ধুলো উড়তে থাকায় মানুষের যেমন অসুবিধা হচ্ছে, তেমনি গাড়ির চালকরা সমস্যায় পড়ছেন। তাঁদের মুখ চাপা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জল জমে যাচ্ছে। রোগী নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুল্যান্স কিংবা অন্যান্য গাড়ির চালকরা সমস্যায় পড়ছেন। মানুষের ক্ষোভ ক্রমশই বাড়ছে। 
স্থানীয় বাসিন্দা আখতার আলি খান বলেন, তিন কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করতেই এক বছর লেগে গেল। কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানাচ্ছি। পুরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার আলেম আলি খান বলেন, ভাঙাচোরা রাস্তায় যাতায়াত করতে গিয়ে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। আমরা পূর্তদপ্তরকে দ্রুত কাজ শেষ করার কথা বলেছি। পূর্তদপ্তরের কাঁথি বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, পর্যাপ্ত পেভার ব্লক সরবরাহ না থাকার জন্য কাজ থমকে যাচ্ছিল। তবে পেভার ব্লক এসেছে এবং কাজ শুরু হয়েছে। তাছাড়া ওই রাস্তা ব্যস্ততম। তা‌ই যেটুকু কাজ হয়, তা রাতেই হয়। সেই কারণে কিছুটা দেরি হচ্ছে। আমরা মার্চের মধ্যে রাস্তার কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছি।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ