নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: ছাদ ঢালাইয়ের পর বছর ঘুরলেও সম্পূর্ণ হয়নি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের কাজ। তাতেই বিপাকে পড়ছে শিক্ষক থেকে পড়ুয়ারা। বাধ্য হয়ে খানাকুলের কেদারপুর হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সৈকত বাগ বলেন, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষের ছাদ ঢালাই হয়। তারপর থেকেই স্থগিত হয়ে যায় নির্মাণ কাজ। পাশের আরও একটি শ্রেণিকক্ষের কাজও অসম্পূর্ণ। বিদ্যুতের কাজ বাকি রয়েছে। এই কাজ শেষ না হওয়ায় আমরা বিপাকে পড়ছি। ব্লক প্রশাসন ওয়ার্ক অর্ডার করে ১২০ দিনের কাজ শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু, এক বছর হতে চললেও কাজ শেষ হয়নি। তাই আমরা প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছি যাতে দ্রুত স্থগিত থাকা কাজ শেষ হয়। কিন্তু, কোনও অজ্ঞাত কারণে সেই কাজ থমকে রয়েছে।
Advertisement
খানাকুল-১ বিডিও সুব্রত সরকার বলেন, ওই স্কুলের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্কুলের পরিচালন সমিতির সদস্য প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, আমাদের এলাকার বাসিন্দারা কৃষিজীবী। তাঁদের ছেলে মেয়েরাই এই স্কুলে পড়ে। তাই পড়ুয়াদের পঠনপাঠনের স্বার্থে স্কুলের উন্নয়ন প্রয়োজন। থমকে থাকা শ্রেণিকক্ষের কাজ দ্রুত শেষ হলে ভালো হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, কেদারপুর হাইস্কুলে প্রায় ৭০০জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। গত ২০২৩-’২৪ আর্থিক বছরে এই স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিকে পঠনপাঠন শুরু হয়েছে। বর্তমানে ক্লাস রুমের অপ্রতুলতার জন্য নবম শ্রেণির দু’টি সেকশনকে একসঙ্গে বসানো হচ্ছে। তাতে প্রায় ১৫০জন পড়ুয়া একসঙ্গে বসে। এর ফলে ক্লাসে পিছনের দিকে বসা পড়ুয়ারা অনেক সময়ই পড়া শুনতে পায় না। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বছরের মার্চ মাস নাগাদ ব্লক প্রশাসনের নির্দেশমতো শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এপ্রিল মাসের মধ্যে ছাদ ঢালাই হয়। কিন্তু, তারপর পলেস্তারা, মেঝে তৈরি হয়নি। বসেনি জানালা, দরজা। বিদ্যুতের কাজও বাকি। অবিলম্বে যাতে এই অসমাপ্ত কাজ হয় তার আর্জি জানিয়ে ব্লক প্রশাসনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষক বলেন, স্কুলের অতিরিক্ত ক্লাসরুমের পাশাপাশি ভূগোলের ল্যাবরেটরি করার জন্যও কক্ষ প্রয়োজন।
তাছাড়া উচ্চমাধ্যমিক পঠনপাঠন শুরু হওয়ার পর প্রশাসনের তরফেই অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের নির্দেশ হয়। স্কুলের তিনতলায় ওই কক্ষ নির্মাণের কাজ শুরু হলেও তা এখন থমকে।
তাই পড়ুয়াদের নিয়ে আমরা বিপাকে পড়ছি। অভিভাবকরাও চাইছেন ছেলে মেয়েদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে দ্রুত এই কাজ শেষ হোক।
তাছাড়া উচ্চমাধ্যমিক পঠনপাঠন শুরু হওয়ার পর প্রশাসনের তরফেই অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের নির্দেশ হয়। স্কুলের তিনতলায় ওই কক্ষ নির্মাণের কাজ শুরু হলেও তা এখন থমকে।
তাই পড়ুয়াদের নিয়ে আমরা বিপাকে পড়ছি। অভিভাবকরাও চাইছেন ছেলে মেয়েদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে দ্রুত এই কাজ শেষ হোক।



