সংবাদদাতা, কালিয়াচক: বিয়ে বাড়ি সাজানোর কাজ নিয়ে এক ব্যবসায়ী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠল। এতে ওই ব্যবসায়ী ও তাঁর বৃদ্ধ দাদু গুরুতরভাবে জখম হয়েছে। তাঁরা বেদরাবাদ গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বৈষ্ণবনগর থানার সাহাবানচক গ্রাম পঞ্চায়েতের তেওয়ারি টোলায়।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেকোরেটর ব্যবসায়ী তুষাই দাস কৃষ্ণপুরে একটি বিয়েবাড়ির কাজের বরাত নিয়েছেন। সেই কাজেই তিনি যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেসময় তাঁর পথ আটকায় ফুলের ডেকোরেটের ব্যবসায়ী সৌমেন দাস। এনিয়ে বচসা শুরু হয়। তুষাইকে মারধরের কথা জানতে পেরে তাঁর বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তাঁদেরও বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁর বৃদ্ধ দাদু, কাকা এবং কাকিমাকে লাঠি দিয়ে মারধরের পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। তাঁদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয় বেদরাবাদ গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়।
প্রতিবেশী সঞ্জয় দাস বলেন, কয়েক দিন ধরে তুষাইয়ের সঙ্গে ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে বচসা চলছিল সৌমেনের। সোমবার রাতে সৌমেন ও তার পরিবারের সদস্যরা তুষাই ও তাঁর পরিবারের লোকজনদের মারধর করা হয়। তুষাই বলেন, আমি খুব স্বল্পমূল্যে ডেকোরেশনের ব্যবসা করি। তাই আমার প্রচুর গ্রাহক রয়েছে। আমার পরিষেবাও ভালো। অন্যদিকে সৌমেন সেরকম কাজ পায় না। যেকারণে সে আমাকে এর আগেও শাসিয়েছিল যাতে আমি অল্প টাকায় ভাড়া না ধরি। কিন্তু তার কথা না শোনাতেই সে আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদেরকে মারধর করেছে। আমরা বিষয়টি লিখিতভাবে থানায় জানিয়েছি।
যদিও সৌমেন বলে, আমি কয়েকদিন আগে একটি বিয়ের কাজ ধরেছিলাম। কিন্তু সেই কাজটিকে তুষাই ধরে নেয়। এনিয়ে তাকে আমি বারবার বলেছিলাম আমার ভাড়াগুলি যাতে সে না ধরে। কিন্তু সে শোনেনি। সোমবার সে যখন যাচ্ছিল তখন আমি তাকে দাঁড় করিয়ে অনুরোধ করেছিলাম যাতে সে অল্প টাকায় ভাড়া না ধরে। সে আমার উপরে চড়াও হয়ে আমাকেই মারধর করে। বৈষ্ণবনগর থানার পুলিস জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
প্রতিবেশী সঞ্জয় দাস বলেন, কয়েক দিন ধরে তুষাইয়ের সঙ্গে ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে বচসা চলছিল সৌমেনের। সোমবার রাতে সৌমেন ও তার পরিবারের সদস্যরা তুষাই ও তাঁর পরিবারের লোকজনদের মারধর করা হয়। তুষাই বলেন, আমি খুব স্বল্পমূল্যে ডেকোরেশনের ব্যবসা করি। তাই আমার প্রচুর গ্রাহক রয়েছে। আমার পরিষেবাও ভালো। অন্যদিকে সৌমেন সেরকম কাজ পায় না। যেকারণে সে আমাকে এর আগেও শাসিয়েছিল যাতে আমি অল্প টাকায় ভাড়া না ধরি। কিন্তু তার কথা না শোনাতেই সে আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদেরকে মারধর করেছে। আমরা বিষয়টি লিখিতভাবে থানায় জানিয়েছি।
যদিও সৌমেন বলে, আমি কয়েকদিন আগে একটি বিয়ের কাজ ধরেছিলাম। কিন্তু সেই কাজটিকে তুষাই ধরে নেয়। এনিয়ে তাকে আমি বারবার বলেছিলাম আমার ভাড়াগুলি যাতে সে না ধরে। কিন্তু সে শোনেনি। সোমবার সে যখন যাচ্ছিল তখন আমি তাকে দাঁড় করিয়ে অনুরোধ করেছিলাম যাতে সে অল্প টাকায় ভাড়া না ধরে। সে আমার উপরে চড়াও হয়ে আমাকেই মারধর করে। বৈষ্ণবনগর থানার পুলিস জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।



