সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: আত্মীয়বাড়িতে এসে বাবা ও মায়ের সঙ্গে মকরস্নান করতে গিয়ে জয়পুরের পড়াশিয়ায় দ্বারকেশ্বরের জলে ডুবে পাত্রসায়রের এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ছাত্রের নাম রুদ্রনারায়ণ কুণ্ডু(১৪)। তার বাড়ি পাত্রসায়রের বালসি গ্রামে। ঘটনায় তার এক বন্ধু তলিয়ে গেলেও তড়িঘড়ি স্থানীয়রা জল থেকে তুলতে সক্ষম হওয়ায় সে প্রাণে বেঁচে যায়। তাকে জয়পুর ব্লক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একমাত্র ছেলে জলে ডুবে মারা যাওয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা ও মা। পুলিস জানিয়েছে, দ্বারকেশ্বরের জলে ডুবে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পাত্রসায়রের বালসি গ্রামের বাসিন্দা শঙ্খচূড় কুণ্ডুর গ্রামে একটি দোকান রয়েছে। জয়পুরের লোকপুর গ্রামে তাঁর মামাবাড়ি। লোকপুরে এদিন পুজো উপলক্ষ্যে ভোগের অনুষ্ঠান ছিল। সেইজন্য শঙ্খচূড়বাবু এদিন সকাল ৯টা নাগাদ স্ত্রী এবং একমাত্র ছেলে রুদ্রনারায়ণকে মোটরবাইকে চাপিয়ে লোকপুরে আসেন। সেখানে সবার সঙ্গে দেখা করার পর তিনজনে বাইকে করে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে পড়াশিয়ার ঘাটে মকরস্নান করতে যান। ওই ঘাটে গ্রামের অনেকেই স্নান করছিলেন। সেই সময় রুদ্রনারায়ণ এবং লোকপুর গ্রামেরই অপর এক কিশোর জলে তলিয়ে যায়। তা জানাজানি হতেই সকলেই জলে খোঁজাখুঁজি করেন। প্রথমে ওই কিশোরকে উদ্ধার করা হয়। পরে অচৈত্যন্য অবস্থায় রুদ্রনারায়ণকে উদ্ধার করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে দু’জনকেই জয়পুর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা রুদ্রনারায়ণকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনায় মৃতের মা ও বাবা কান্নায় ভেঙে পড়েন। আত্মীয়রাও শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন।
মৃতের সম্পর্কে কাকা সন্দীপ দে বলেন, মকরসংক্রান্তি উপলক্ষ্যে আমাদের গ্রামে পুজোর প্রসাদ বিলি অনুষ্ঠান ছিল। সেই উপলক্ষ্যে আমার পিসতুতো দাদা সপরিবারে এসেছিলেন। ওরা বাড়িতে কিছুক্ষণ থাকার পর দ্বারকেশ্বরে স্নান করতে যান। ওই ঘাটে প্রতিবেশী সহ গ্রামের অনেকেই স্নান করতে গিয়েছিলেন। তারই মধ্যে ভাইপো রুদ্রনারায়ণ এভাবে জলে তলিয়ে যাবে তা কেউই ভাবতে পারিনি। একই সঙ্গে আমাদের প্রতিবেশী একটি ছেলেও তলিয়ে গিয়েছিল। তবে তড়িঘড়ি উদ্ধার হওয়ায় সে এযাত্রায় রক্ষা পেয়েছে।
মৃতের সম্পর্কে কাকা সন্দীপ দে বলেন, মকরসংক্রান্তি উপলক্ষ্যে আমাদের গ্রামে পুজোর প্রসাদ বিলি অনুষ্ঠান ছিল। সেই উপলক্ষ্যে আমার পিসতুতো দাদা সপরিবারে এসেছিলেন। ওরা বাড়িতে কিছুক্ষণ থাকার পর দ্বারকেশ্বরে স্নান করতে যান। ওই ঘাটে প্রতিবেশী সহ গ্রামের অনেকেই স্নান করতে গিয়েছিলেন। তারই মধ্যে ভাইপো রুদ্রনারায়ণ এভাবে জলে তলিয়ে যাবে তা কেউই ভাবতে পারিনি। একই সঙ্গে আমাদের প্রতিবেশী একটি ছেলেও তলিয়ে গিয়েছিল। তবে তড়িঘড়ি উদ্ধার হওয়ায় সে এযাত্রায় রক্ষা পেয়েছে।



