Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিবাহিতার রূপশ্রীর আবেদন মঞ্জুর, গড়বেতার প্রধানকে শোকজ

বিবাহিতার রূপশ্রীর আবেদন মঞ্জুর, গড়বেতার প্রধানকে শোকজ
  • ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে বিয়ে করেছিল এক নাবালিকা। তবে বিয়ে হয়ে গেলেও রূপশ্রী প্রকল্পের টাকা হাতছাড়া করতে চাননি পরিবারের সদস্যরা। তাই  বিয়ের ঘটনা লুকিয়ে অর্থাৎ অবিবাহিত দেখিয়ে রূপশ্রী প্রকল্পের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদন মঞ্জুরও করা হয় গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে। এই ঘটনায় পঞ্চায়েতের প্রধান গণেশ দত্তকে শো-কজ করল ব্লক প্রশাসন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। ঘটনাটি গড়বেতা-২ ব্লকের জোগাড়ডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের। পঞ্চায়েত প্রধানকে সাতদিনের মধ্যে শো কজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, এই ঘটনায় পঞ্চায়েত অফিসের এক আধিকারিককেও শো-কজ করা হয়েছে। সদুত্তর না পেলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। পঞ্চায়েত প্রধান গণেশ দত্ত বলেন, একটা ভুল তো হয়েছেই। জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে। 
Advertisement
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে জোগাড়ডাঙাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এক নাবালিকার বিয়ে হয়। সরকারি নিয়ম অনুসারে সেই নাবালিকা কোনওভাবেই রূপশ্রী প্রকল্পের সুবিধা পাবে না। কিন্তু নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা কোনও ভাবেই সরকারি প্রকল্পের ২৫ হাজার টাকা হাতছাড়া করতে চাননি। ২০২৪ সালের ২ আগস্ট নাবালিকা অবিবাহিত শংসাপত্রের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েতে আবেদন করে। সেই আবেদন মঞ্জুর করে নাবালিকাকে শংসাপত্র দেয় গ্রাম পঞ্চায়েত। এরপর নবালিকা ১৮ বছর পূর্ণ করার পর এ বছরের জানুয়ারি মাসে রূপশ্রী প্রকল্পের জন্য আবেদন করেন পরিবারের সদস্যরা। বিবাহিত যুবতী রূপশ্রী প্রকল্পের জন্য যোগ্য বলেও জানিয়ে দেয় গ্রাম পঞ্চায়েত। কারচুপির বিষয়টি নজরে আসতেই নড়েচড়ে বসেন ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা। শুরু হয় তদন্ত প্রক্রিয়া। গোটা বিষয়টা সামনে আসতেই পঞ্চায়েত প্রধানকে শো-কজ করা হয়।
ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বাল্য বিবাহের সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। ব্লক প্রশাসনের তরফে বাল্য বিবাহ, টিন এজ প্রেগনেন্সি রোধে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ছাড়াও প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ